<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জাতিসংঘ রেডিও</title>
	<atom:link href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 16 May 2013 21:45:15 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.4.1</generator>
		<item>
		<title>জলবায়ূ পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিতর্ক</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1037</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1037#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 16 May 2013 21:45:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=1037</guid>
		<description><![CDATA[বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জলবায়ূ পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিজ্ঞানী, বাণিজ্যখাতের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞরা তাঁদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এক বিতর্কে অংশ নেন। বিশ্বের জ্বালানী ও পানিসম্পদ সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ এর ওপর এই বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। সংযুক্ত আরব আমীরাতের প্রতিমন্ত্রী এবং জ্বালানী ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত, ডঃ সুলতান আহমেদ আল জাবের বলেন যে শুধুমাত্র [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1037/sultan-ahmed-al-jaber-2" rel="attachment wp-att-1048"><img class="alignleft size-medium wp-image-1048" title="Sultan-Ahmed-Al-Jaber-2" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/05/Sultan-Ahmed-Al-Jaber-2-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জলবায়ূ পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিজ্ঞানী, বাণিজ্যখাতের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞরা তাঁদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এক বিতর্কে অংশ নেন। বিশ্বের জ্বালানী ও পানিসম্পদ সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ এর ওপর এই বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>সংযুক্ত আরব আমীরাতের প্রতিমন্ত্রী এবং জ্বালানী ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত, ডঃ সুলতান আহমেদ আল জাবের বলেন যে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে একটি ভারসাম্য আনার মাধ্যমেই টেকসই ভবিষ্যত অর্জন সম্ভব।</p>
<p>তিনি বলেন যে এই ভারসাম্য আনয়নের বিষয়টি নির্ভর করে তিনটি পরস্পরসম্পর্কযুক্ত উপাদান- পানি, জ্বালানী এবং খাদ্যের ওপর।</p>
<p>ডঃ আল জাবের বলেন যে জ্বালানী উত্তোলন এবং বিদ্যূৎ উৎপাদনের জন্য পানির প্রয়োজন। পানি পরিশোধন এবং পরিবহনের জন্য প্রয়োজন জ্বালানী। আর জ্বালানী এবং পানির ওপর নির্ভর করে খাদ্যের উৎপাদন।</p>
<p>ডঃ আল জাবের বলেন যে এই তিনটি উপাদানের প্রাপ্যতা অব্যাহত থাকার নিশ্চয়তা ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন গতিলাভ করবে না এবং দারিদ্র ও সংঘাত ঠেকানো যাবে না।</p>
<p><strong> দরিদ্র দেশগুলোতে স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগতি হলেও বৈষম্য রয়ে গেছে</strong></p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – ডাব্লু এইচ ও জানিয়েছে যে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, পুষ্টির হার বৃদ্ধি এবং ম্যালেরিয়া, যক্ষা ও এইচ আই ভি'র মতো রোগের সংক্রমণ ও সেগুলো থেকে মৃত্যুর হার হ্রাসের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।</p>
<p>বার্ষিক বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান প্রকাশ করে সংস্থা বলছে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা – এম ডি জি অর্জনের উদ্যোগসমূহের ফলে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে দূরত্ব কমেছে।<br />
সবচেয়ে বেশী দারিদ্রপীড়িত দেশগুলোতে শিশুমৃত্যুর হার ১৯৯০ সালে যেখানে ছিলো প্রতি হাজারে ১৭১ সেখানে ২০১১ সালে তা নেমে এসেছে ১০৭ জনে। প্রসবকালীন প্রসূতি মৃত্যুর হার প্রতি এক লাখ জন্মের ক্ষেত্রে ৯১৫ থেকে কমে হয়েছে ৫০০ জন।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডঃ টিয়েস বোয়ের্মা বলছেন যে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যখাতের ফারাক যদিও কমেছে, তবুও তা মোটেও সন্তোষজনক নয় – কেননা, সবক্ষেত্রে সমান অগ্রগতি অর্জিত হয় নি এবং বিভিন্ন দেশ ও দেশগুলোর ভিতরেও বড়ধরণের পার্থক্য রয়ে গেছে।</p>
<p>ডঃ বোয়ের্মা বলেন যে আপনি যদি শিশুমৃত্যুর বিষয়টি দেখেন তাহলে দেখা যাবে বাংলাদেশ, ভুটান, লাওস, মাদাগাস্কার, নেপাল, রোয়ান্ডা, সেনেগাল, তিমুরলেষ্টের মতো দেশগুলো সবচেয়ে খারাপ পঁচিশের তালিকা থেকে বেরিয়ে এসেছে। যেসব দেশ অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি সেগুলোতে রয়েছে সংঘাত – যেমন চ্যাড, নিজের কিম্বা সোমালিয়া। আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি সেটা হোল যেসব দেশ সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে সেসব দেশে অগ্রগতি হয়েছে নাটকীয় – যেমন রোয়ান্ডা। ক্যাম্বোডিয়ার মতো দেশের ক্ষেত্রে এই অগ্রগতি অবশ্য কিছুটা কম।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যক্ষায় মৃত্যুর হার ১৯৯০ এর তুলনায় কমেছে চল্লিশ শতাংশ এবং প্রবণতা থেকে ইঙ্গিত মিলছে যে ২০১৫ নাগাদ তা কমবে পঞ্চাশ শতাংশ।</p>
<p><strong> বেসরকারী খাতের অংশগ্রহণ দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে পারে: বান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/05/floodthailand.jpg" alt="" width="350" height="300" />দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে এক রিপোর্ট প্রকাশের সময় জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বুধবার বলেছেন যে দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি নিয়ন্ত্রণর বাইরে চলে গেছে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর প্রাথমিক দায়িত্বটি সরকারের।</p>
<p>মি বান বলেন যে এই ক্ষতি একমাত্র বেসরকারী খাতের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমেই কমানো সম্ভব। তিনি এক্ষেত্রে বিনিয়োগ ব্যাংক এবং বীমা কোম্পানীগুলোর কথা উল্লেখ করেন।</p>
<p>তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে ধারাবাহিক ও সহনীয় মাত্রার লাভ-ক্ষতির পরিবর্তে বাজারগুলো খুব দীর্ঘ সময় ধরে স্বল্পমেয়াদী মুনাফাকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। তিনি বলেন যে দেরিতে হলেও শেষপর্য্যন্ত আমরা বুঝতে শুরু করেছি যে দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে বিনিয়োগ আসলে খরচ নয় বরং দীর্ঘমেয়াদের জন্য তা বিনিয়োগকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলবে।</p>
<p>মি বান বলেন যে জাপানের ফুকুশিমার দূর্যোগ থেকে শুরু করে থাইল্যান্ডের বন্যা কিম্বা নিউইয়র্কের হ্যারিকেন স্যান্ডি – এগুলোতে বিশ্ব দেখেছে যে প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিভাবে অবকাঠামোর ক্ষতি করে এবং উৎপাদন বাধাগ্রস্থ করে।</p>
<p>মি বান বলেন যে অর্থনৈতিক পূর্বাভাষ এবং প্রবৃদ্ধির ভবিষ্যতবাণীতে এতোদিন এইসব দূর্যোগের ঝুঁকি যেভাবে দৃষ্টির বাইরে থেকে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্যের পক্ষে তা আর অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। অধিকাংশ অর্থনীতিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কোন না কোনভাবে তাঁদের আয়ের জন্য বেসরকারী খাতের উপর নির্ভরশীল।</p>
<p>মি বান বলেন যে ব্যবসা-বাণিজ্যকে অবশ্যই ঝুঁকিসচেতন হতে হবে।</p>
<p>মহাসচিব বান বলেন যে দূর্যোগ-ঝুঁকি প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। এক্ষেত্রে তিনি জনগোষ্ঠীকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়ার কারণ হিসাবে দারিদ্র, দ্রুত নগরায়ণ, আবহাওয়ার পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ের কথা উল্লেখ করেন।</p>
<p><strong>কেনিয়ার সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী হচ্ছেন আঙ্কটাডের নতুন প্রধান</strong></p>
<p>কেনিয়ার একজন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রীকে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের প্রধান হিসাবে বাছাই করা হয়েছে।</p>
<p>জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন জানান যে তিনি এবছরের পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে চার-বছর মেয়াদের জন্য আঙ্কটাডের প্রধান পদে মুখিসা কিতুইকে মনোনীত করেছেন।</p>
<p>এই মনোনয়ন এখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত হবে এবং তা অনুমোদিত হলে মি কিতুই থাইল্যান্ডের সুপচাই পানিৎচপাকদির স্থলাভিষিক্ত হবেন। মি পানিৎচপাকদি গত ২০০৫ সাল থেকে এই পদে নিয়োজিত ছিলেন।</p>
<p><strong>উন্নয়নের জন্য দরকার দারিদ্রের উৎস মোকাবেলা : ক্যামেরন</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/05/cameron2.jpg" alt="" width="350" height="300" />সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা – এম ডি জি–উত্তর উন্নয়ন কৌশল ঠিক করার জন্য গঠিত জাতিসংঘ প্যানেলের কো-চেয়ারম্যান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ডেভিড ক্যামেরন বুধবার নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেছেন যে চলতি প্রজন্মেই চরম দারিদ্রের অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।</p>
<p>সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আটটি বিষয় দরিদ্রদের পক্ষে বৈশ্বিক কার্য্যক্রমকে সমৃদ্ধ করলেও মি ক্যামেরন বলেন যে প্যানেল মনে করে যে দৃঢ় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, আইনের শাসন এবং সংঘাত ও সহিংসতার প্রভাবগুলোর গুরুত্ব উপেক্ষিত হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন যে এমাসের আরো পরের দিকে প্যানেলের যে প্রতিবেদন পেশ করা হবে তাতে দারিদ্রের উপর্সগ নয়, বরং, এর কারণগুলো মোকাবেলায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।</p>
<p>মি ক্যামেরন বলেন যে সর্বোপরি দারিদ্র থেকে জনগোষ্ঠীকে বের করে আনার জন্য অথর্নৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে জোরালো বেসরকারী খাতকে সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিন হিসাবে বিবেচনার দিকে নজর দিতে হবে।</p>
<p>মি ক্যামেরন বলেন যে পৃথিবীর উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদে যে টেকসই হতে হবে সেটির স্বীকৃতি প্রয়োজন। কেননা, সংঘাত এড়াতে, আইনের শাসন সুরক্ষায়, দূর্নীতি এবং নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটাতে এবং সরকারগুলোর জবাবদিহিতার জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং সুশাসনের প্রতি নতুন করে অঙ্গীকার করা প্রয়োজন।</p>
<p>মি ক্যামেরন বলেন যে আমার বিশ্বাস এটা সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নতুন সংযোজন। সুশাসন এবং দূর্নীতি থেকে মুক্তিকে আমি উন্নয়নের 'সোনালী সূতা' বলে মনে করি।</p>
<p>জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন ২০১৫-উত্তর উন্নয়ন এজেন্ডা বিষয়ে এই উচ্চপর্য্যায়ের প্যানেলটি গঠন করেন গতবছরের জুলাই মাসে। প্যানেলের অপর দুই কো-চেয়ারম্যান হলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুসিলো ব্যামব্যাং ইয়োধোইয়োনো এবং লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আইলিন জনসন সারলিফ।</p>
<p><strong>বিশ্ব পরিবার দিবসে নবীন ও প্রবীণের বন্ধন জোরদারের আহ্বান</strong></p>
<p>একটি সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য সব প্রজন্মের মধ্যে সংহতি সৃষ্টির উদ্যোগগুলোর প্রসারে সেগুলোর প্রতি সাহায্য বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন।<br />
পনেরোই মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে বান কি মুন নবীন এবং প্রবীণদের মধ্যে বন্ধন গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দেয় যেসব উদ্যোগ সেগুলোর উপকারিতা তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি বলেন যে পরিবার সমাজকে বন্ধনে ধরে রাখে এবং প্রজন্মগুলোর মধ্যেকার সম্পর্ক টিকে থাকে। সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রবণতাগুলো যেভাবে পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলে সেগুলোর প্রতি আলোকপাত করেন মি বান।</p>
<p>উদাহরণ হিসাবে তিনি যুব বেকারত্ব, সামর্থ্যের মধ্যে উন্নত শিশু পরিচর্য্যা সেবার দুষ্প্রাপ্যতা, এবং বয়স্কদের জন্য পর্য্যাপ্ত পেনশন সুবিধার ব্রবস্থা না থাকার কথা উল্লেখ করেন।<br />
তিনি বলেন যে এসব সমস্যা পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা দেবার বিষয়টিকে আরো গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1037/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শান্তি, উন্নয়ন ও মানবাধিকার মানব নিরাপত্তার অংশ : বান</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1025</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1025#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 09 May 2013 21:08:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=1025</guid>
		<description><![CDATA[মানব নিরাপত্তাবিষয়ে উচ্চপর্য্যায়ের এক অনুষ্ঠানে বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে আমরা এখন এমন এক সময় পার করছি যখন বড়ধরণের রুপান্তর ঘটছে এবং তোলপাড় চলছে। একইসময়ে বিশ্বজুড়ে নাগরিকরা ন্যায়বিচারের জন্য সোচ্চার হচ্ছেন। মহাসচিব বলেন যে বিশ্বব্যাপী অনেক বেশী সংখ্যক লোক এখন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। তবে তিনি বলেন যে আমাদের লক্ষ্য সবসময়েই জনগণের ক্ষমতায়ন, প্রধান [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1025/high-level-event-on-human-security" rel="attachment wp-att-1039"><img class="alignleft size-medium wp-image-1039" title="High-Level Event on Human Security" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/05/human-security-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>মানব নিরাপত্তাবিষয়ে উচ্চপর্য্যায়ের এক অনুষ্ঠানে বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে আমরা এখন এমন এক সময় পার করছি যখন বড়ধরণের রুপান্তর ঘটছে এবং তোলপাড় চলছে। একইসময়ে বিশ্বজুড়ে নাগরিকরা ন্যায়বিচারের জন্য সোচ্চার হচ্ছেন।</p>
<p>মহাসচিব বলেন যে বিশ্বব্যাপী অনেক বেশী সংখ্যক লোক এখন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি।</p>
<p>তবে তিনি বলেন যে আমাদের লক্ষ্য সবসময়েই জনগণের ক্ষমতায়ন, প্রধান প্রধান চরিত্রদেরকে একজায়গায় নিয়ে আসা এবং জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ।</p>
<p>মি বান বলেন যে শান্তি, উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের যোগসূত্রগুলোকে মানব নিরাপত্তার কৌশলে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এই তহবিলের প্রকল্পগুলো বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের ধারায় উত্তরণে সহায়তা করেছে।</p>
<p>মি বান বলেন যে তাঁরা সফল হয়েছেন কেননা তাঁরা জনগণের চাহিদার দিকে নজর দিয়েছেন। তাঁরা বিভিন্ন সংস্থা ও বিভিন্ন পেশার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়েছেন। আমরা যেগুলোকে প্রথাগত মানবিক বা উন্নয়ন কার্য্যক্রম বলে ভেবে থাকি তাঁরা সেগুলোকে ছাপিয়ে গেছেন।</p>
<p>সাম্প্রতিক বছরগুলোর নাটকীয় ঘটনাবলী থেকে মানব নিরাপত্তার বিষয়ে দুটো শিক্ষা পাওয়া যায় – প্রথমত: বিশ্বের পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত সমস্যাগুলোর একটি সমন্বিত সমাধান খোঁজা এখন সবচেয়ে বেশী জরুরী এবং দ্বিতীয়ত আমাদের সমন্বিত কৌশলকে অবশ্যই ব্যাপকভিত্তিক হতে হবে।</p>
<p>মহাসচিব বলেন যে মানব নিরাপত্তার কৌশলে নাগরিকদের রক্ষায় সরকারের ক্ষমতা সম্পর্কে গত সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মত মানব নিরাপত্তা বিষয়ে সাধারণ পরিষদে যে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিলো তা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ।</p>
<p><strong> ২০১৩ সালে শস্যের ফলন ভালো হবে : এফ এ ও</strong></p>
<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কুষি সংস্থা – এফ এ ও বলেছে যে ২০১৩ সালে গম ও চালের বৈশ্বিক উৎপাদন বেশ ভালো হবে।</p>
<p>সংস্থার প্রকাশিত মাসিক শস্য চাহিদা ও সরবরাহ প্রকাশনার মে সংখ্যায় এই প্রাথমিক পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সংস্থা বলছে যে ২০১৩ সালে বিশ্বে গম উৎপাদনের পরিমাণ সাড়ে উনষাট কোটি টনে পৌঁছুবে বলে আশা করা হচ্ছে যা গতবছরের তুলনায় পাঁচ দশমিক চার শতাংশ পরিমাণে বেশী। অবশ্য, এক্ষেত্রে ২০১২ সালের তুলনায় আবহাওয়া কিছুটা ভালো থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>জাতিসংঘের খাদ্য বিষয়ক সংস্থা বলছে যে বিশ্বে মোটা দানার শস্য উৎপাদন এবছরে একশো ছাবিবশ কোটি ষাট লাখ টনে পৌঁছুবে – যা এর আগের সর্বে্বাচ্চ রেকর্ড ২০১১ সালের চেয়েও নয় দশমিক তিন শতাংশ বেশী।</p>
<p>এফএও'র হিসাবে ২০১৩ মৌসুমে ধান উৎপাদনের পরিমাণ পঞ্চাশ কোটি টনের কাছাকাছি হবে – যার প্রধান কারণ হিসাবে সংস্থা আশা করছে যে ভারত এবং ইন্দোনেশিয়ায় এর বড় আকারে উ্ৎপাদন বৃদ্ধি ঘটবে।</p>
<p><strong> বিশ্ব বাণিজ্যকে পরিবেশবান্ধব করার জন্য জাতিসংঘের আহ্বান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/05/Achim-Steiner-12.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি – ইউ এন ই পি'র এক নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ব বাণিজ্যকে পরিবেশবান্ধব করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।</p>
<p>এই রুপান্তরে উন্নয়নশীল দেশগুলো অনুঘটকের ভূমিকা রাখতে পারে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়্।</p>
<p>গ্রীণ ইকোনমি এন্ড ট্রেড – ট্রেন্ডস, চ্যালেঞ্জেস এন্ড অপারচুনিটিস শীর্ষক এই রিপোর্টে শিল্পপণ্য, ভ্রমণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানীসহ মোট ছয়টি অর্থনৈতিক খাতকে চিহ্নিত করে বলা হয় যে এসব ক্ষেত্রে বাণিজ্যে রুপান্তরের সুযোগ রয়েছে।</p>
<p>জ্বালানী বিষয়ে সংস্থাটি বলছে উন্নয়নশীল দেশগুলো সৌরবিদ্যূৎের প্যানেলের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানীর নানা উপকরণ, উইন্ড টারবাইন, এবং সৌরতাপে পানি গরম করার চুল্লির রপ্তানী উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়াতে পেরেছে এবং তারা নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যূৎ রপ্তানীর সম্ভাবনা পর্য্যন্ত তা বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।</p>
<p>ইউ এন ই পি'র নির্বাহী পরিচালক, আখিম ষ্টেইনার এই অগ্রগতিতে তাঁর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>মি ষ্টেইনার বলেন যে দূষণমুক্ত জ্বালানী প্রযুক্তির বৈশ্বিক বাজারে গত দশ বছরে যেটা আমরা ঘটতে দেখেছি তাকে সংখ্যার বিবেচনায় নাটকীয় বলা চলে। এমনকি, গত কয়েকবছরের আর্থিক সংকট এবং অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দুষণমুক্ত জ্বালানী প্রযুক্তির প্রসার ঘটেই চলেছে।</p>
<p>মি ষ্টেইনার বলেন যে ২০১২ সালে দূষণমুক্ত জ্বালানী প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ হয়েছে চব্বিশ হাজার কোটি ডলার।</p>
<p><strong> ২০১৩ সালে ৭ কোটি ৩০ লাখ তরুণ বেকার থাকার আশঙ্কা</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – আই এল ও বলছে যে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার গতি শ্লথ হওয়ায় বিশ্বব্যাপী তরুণরা কাজ পেতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।</p>
<p>গ্লোবাল এমপ্লয়মেন্ট ট্রেন্ডস ফর ইয়ূথ ২০১৩ শীর্ষক রিপোর্টে আই এল ও বলছে যে তাদের অনুমান ২০১৩ সালে বিশ্বে প্রায় সাত কোটি চল্লিশ লাখ তরুণ বেকার থাকবে যা মোট জনসংখ্যার প্রায় বারো দশমিক ছয় শতাংশ।</p>
<p>সংস্থা বলছে যে ২০০৯ সালে বিশ্বমন্দা যখন তুঙ্গে তখন যুববেকারত্ব যে শীর্ষে পৌঁছেছিলো এই সংখ্যা তার প্রায় কাছাকাছি।</p>
<p><strong> মিশরের প্রস্তাবিত আইনে জাতিসংঘের উদ্বেগ</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2011/12/egypt.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, নাভি পিল্লাই মিশরের সুশীল সমাজ বিষয়ক আইনের বর্তমান খসড়া সম্পর্কে তাঁর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রস্তাবিত আইনের বিধানগুলো আন্তর্জাতিক মানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।</p>
<p>মিস পিল্লাই হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন যে এই আইন অনুমোদিত হলে বেসরকারী সংস্থাগুলোর কার্য্যকলাপ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।</p>
<p>এসব সংগঠনের গঠনমূলক ভূমিকা একটি অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের ভবিষ্যত দিকনিদর্দেশনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন ২০১১'র মিশরীয় বিপ্লবের সময় যে আশা-আকাঙ্খার জাগরণ ঘটেছিলো তার প্রতি এটি আঘাত হিসাবে বিবেচিত হবে।</p>
<p>হাই কমিশনারের মুখপত্র, রুপার্ট কলভিল বলেন যে একটি অধিকতর সাম্যভিত্তিক এবং গণতান্ত্রিক নতুন মিশর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>মি কলভিল বলেন যে আমরা আশা করবো যে তাঁরা এটি ঠিক করে নেবেন কেননা তার একটা কল্যাণকর প্রভাব রয়েছে। কিন্তু, এপর্য্যন্ত আমরা যে খসড়া দেখেছি তাতে সমস্যা সৃষ্টিকারী বেশ কিছু উপাদান রয়েছে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে তদারকি ক্ষমতা দেওয়া। একইভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়কে এতে যুক্ত করা।</p>
<p>মি কলভিল বলেন যে এটা খুবই সমস্যাজনক , কেননা, এসব মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মিশরীয় কত্তৃপক্ষের ক্ষমতা অপব্যবহারের সবচেয়ে খারাপ কিছু ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি অনেকটা শেয়ালের কাছে মুরগি রাখতে দেওয়ার মতো।</p>
<p>মিস পিল্লাই বেশ কিছু বিষয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকার পটভূমিতে একে একটি সংকটকালীন মুহূর্ত হিসাবে অভিহিত করেন।</p>
<p><strong> প্রায় ৭০ লাখ সিরীয় নাগরিকের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন : জাতিসংঘ</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/05/refugees_nizip.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘের মানবিক কার্য্যক্রম সমন্বয় এর দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর, ও সি এইচ এ বলছে যে সিরিয়ার ভিতরে প্রায় সত্তুর লাখ লোকের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন এবং এদের অর্ধেকই শিশু।</p>
<p>সংস্থা বলছে যে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যূত লোকজনের সংখ্যা বেড়েই চলেছে এবং তাদের অবস্থা অনিশ্চিতকর, কেননা অনেককেই একাধিকবার তাঁদের অবস্থান বদলাতে হয়েছে।</p>
<p>গত কয়েকমাসে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যূত লোকের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশী পরিমাণে বেড়ে েবিয়াল্লিশ লাথে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>ও সি এইচ এ'র জেনস লীয়ার্ক বলছেন নিরাপত্তা পরিস্থিতির জটিলতা সত্ত্বেও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বিভিন্নসংস্থার মাধ্যমে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের কাজ সংগঠিত করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।</p>
<p>জেনস লীয়ার্ক বলেন যে সামগ্রিকভাবে জানুযারী থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেসব এলাকায় যোগাযোগ কঠিন সেরকম এলাকাগুলোতে ত্রাণ সরবরাহ মোট সাত লাখ চৌষট্টি হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যে দশটি ত্রাণবহর পাঠানো হয়েছে তার পাঁচটি গেছে বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় এবং অপর পাঁচটি বিরোধপূর্ণ এলাকায়। আমলাতান্ত্রিক বাধা অপসারণে তেমন একটা অগ্রগতি ঘটেনি। এখনও প্রত্যেকটি ত্রাণবহরের জন্য বিভিন্ন পর্য্যায়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এবিষয়ে আমরা এখনও সিরীয় সরকারের সাথে কাজ করে যাচ্ছি।</p>
<p>জাতিসংঘ জানায় সিরিয়া থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে যাওয়া শরণার্থীর সংখ্যা বেড়ে এখন প্রায় সাড়ে আট লাখে পৌঁছেছে।</p>
<p>এদিকে, জাতিসংখ্যা জনসংখ্যা তহবিলের নির্বাহী পরিচালক, বাবাটুন্ডে অসোতিমেইন বলেছেন যে সিরীয় সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য এবং কল্যাণের জন্য আরো অনেক কিছু করা দরকার। সম্প্রতি তুরস্কে নিযিপের একটি শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের পর তিনি একথা বলেন। সেখানে দশ হাজার শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>তিনি তুরস্কের প্রশংসা করে বলেন যে তাঁর এই সফরের উদ্দেশ্য হোল গর্ভবতী এবং প্রসূতি মায়েদের চাহিদা এবং যাঁরা যৌন সহিংসতার শিকার তাঁদের জরুরী সাহায্যের বিষয়টিতে আলোকপাত করা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1025/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সাংবাদিকদের নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ প্রয়োজন : বান</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1016</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1016#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 03 May 2013 02:03:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=1016</guid>
		<description><![CDATA[জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে সব সাংবাদিকের নিরাপদে তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিৎ, কেননা যখন নিরাপদে কথা বলা যায় তখন পুরো বিশ্বই উপকৃত হয়। বৃহস্পতিবার বিংশতি বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস পালন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে 'কথা বলা নিরাপদ: সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ' শীর্ষক এক সভায় মহাসচিব এসব কথা বলেন। তিনি বলেন যে সাংবাদিকরা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1016/wpfd-hr-banner-english" rel="attachment wp-att-1027"><img class="alignleft size-medium wp-image-1027" title="WPFD-HR-banner-english" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/05/WPFD-HR-banner-english-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে সব সাংবাদিকের নিরাপদে তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিৎ, কেননা যখন নিরাপদে কথা বলা যায় তখন পুরো বিশ্বই উপকৃত হয়।</p>
<p>বৃহস্পতিবার বিংশতি বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস পালন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে 'কথা বলা নিরাপদ: সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ' শীর্ষক এক সভায় মহাসচিব এসব কথা বলেন।</p>
<p>তিনি বলেন যে সাংবাদিকরা সরকার, কর্পোরেশন, অপরাধী চক্র, মিলিশিয়া এবং অন্য যারা তাদের অনুসন্ধানকাজকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় তাদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।</p>
<p>সারাবিশ্বে সাংবাদিকদের আক্রমণের লক্ষবস্তু করা হয় বলে মহাসটিব দুঃখপ্রকাশ করেন।</p>
<p>মি বান বলেন যে এই আক্রমণের লক্ষ্য এখন প্রথাগত রেডিও, প্রিন্ট এবং টেলিভিশনকে ছাড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, ব্লগ এবং নাগরিক-সাংবাদকতাতেও বিস্তৃত হয়েছে। এবং এই হুমকি এখন আর শুধু শারীরিক নয়, সাইবার আক্রমণ, আইনগত ক্ষমতা ব্যবহারের চেষ্টা ইত্যাদি এখন ভয় দেখানোর হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>মি বান বলেন যে যারা এর চরম মূল্য দিচ্ছেন তাঁদের পাশাপাশি শত শত সাংবাদিককে আটক করা হচ্ছে। প্রহসনের বিচার অথবা সাজানো অভিযোগের ফল হিসাবে অনেককেই নিষ্ঠুর পরিস্থিতির মধ্যে দীর্ঘদিন জেলে থাকতে হচ্ছে।</p>
<p>সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম কর্মীদের দূর্ভোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে ইউনেস্কোর সুপারিশে ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত এক প্রস্তাব অনযায়ী প্রতিবছর তেসরা মে বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে থাকে।</p>
<p><strong> গুয়ানতানামোয় আন্তর্জাতিক আইন লংঘিত হচ্ছে : জাতিসংঘ</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা গুয়ানতানামো নৌঘাঁটিতে আটক বন্দীদের জীবন, স্বাস্থ্য এবং ব্যাক্তিগত ভাবনার প্রতি শ্রদ্ধা ও তা সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p>ঐ বন্দীশিবিরে ১৬৬ জনের মধ্যে একশোজন বন্দী অনশন করতে থাকার পটভূমিতে একুশজনকে নাকের মধ্যে টিউব ঢুকিয়ে জোর করে খাওয়ানোর কথিত সংবাদ প্রকাশের পর এসব বিশেষজ্ঞ এই আহ্বান জানান।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলেন যে এসব বন্দীদের জীবনের মৌলিক দিকগুলোকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে তাদের যে মারাত্মক এবং প্রলম্বিত শারীরিক এবং মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে সেবিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্য এসেছে।</p>
<p>জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার মুখপত্র রুর্পাট কলভিল বলেন যে যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার বিষয়ে তাঁদের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা লংঘন করছে।</p>
<p>মি কলভিল বলেন যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো হোল কার্য্যত একতরফা আটকাদেশ। কিছু ব্যাক্তি কোন অভিযোগ ছাড়াই , তাদেরকে কোন আদালতের সামনে হাজির না করে এবং তারা কোনধরণের অপরাধী হিসাবে সাব্যস্ত না হওয়া সত্ত্বেও সেখানে আটক আছেন সাত, আট, নয়, দশ এগারো বছর ধরে এবং যেকোন সংজ্ঞাতেই তা একতরফা আটকাদেশ বা আর্বিট্রারি ডিটেনশন এবং তা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লংঘন।</p>
<p>মি কলভিল বলেন যে বিষয়টা অবশ্য এতোটা সাধাসিধে নয়।সেখানে বেশ কিছু জটিলতা আছে। স্পষ্টতই সেখানে কিছু বিপজ্জনক ব্যাক্তি আছেন যাদেরকে এখনও আটক রাখা হয়েছে , কিন্তু শুধু এধরণের একটি বন্দীশিবির প্রতিষ্ঠা করে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বহাল রাখা যায় না।</p>
<p>মি কলভিল বলেন যে গুয়ানতানামোর সামরিক বন্দীশিবিরে অর্নিদিষ্টকালের জন্য আটক রাখার বিধান করে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস এবছরের গোড়ার দিকে যে আইন করেছে তা সংশোধন করা প্রয়োজন।</p>
<p><strong> ২০১২ ছিলো নবম উষ্ণতম বছর : ডাব্লু এম ও</strong></p>
<p>বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা, ডাব্লু এম ও নিশ্চিত করেছে যে ২০১২ সাল ছিলো উষ্ণতর একটি বছর এবং বছরটির গোড়ার দিকে লা নিনার শীতলীকরণের প্রভাব সত্ত্বেও বছরটি রেকর্ডের অন্যতম একটি উষ্ণতম বছর।</p>
<p>ডাব্লুএমওর হিসাবে ১৮৫০ সাল থেকে রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে এটি ছিলো নবম উষ্ণতম বছর এবং পরপর সাতাশতম বছর হিসাবে বিশ্বের ভূমি ও সমুদ্রের তাপমাত্রা এবছর ১৯৬১ থেকে ১৯৯০এর গড় তাপমাত্রার উপরে ছিলো। ২০০১ থেকে ২০১২ সালের প্রত্যেকটিই রেকর্ডের তেরোটি উষ্ণতম বছরে স্থান করে নিয়েছে।</p>
<p>সংস্থা বলছে যে ক্ষতিকর গ্যাসের ঘনীভূত স্তর বায়ূমন্ডলে উর্ধ্বমূখী হতে থাকায় বিকিরণগত শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর ফলে বিশ্বের উষ্ণায়ন অব্যাহত থাকবে।</p>
<p><strong> এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দূর্যোগ মোকাবেলায় বিনিয়োগের আহ্বান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/05/china.jpg" alt="" width="350" height="300" />এশিয়া প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চল হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দূর্যোগপ্রবণ এলাকা যেখানে ১৯৭০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে বিভিন্ন দূর্যোগে প্রায় কুড়ি লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।</p>
<p>বুধবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রাকৃতিক দূর্যোগ এবং বড়ধরণের অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়ে এক আলোচনায় জাতিসংঘের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন এসক্যাপের প্রধান ডঃ সোয়েলিন হেইযার এই তথ্য জানিয়ে বলেন যে দূর্যোগ মোকাবেলায় সরকারগুলোকে ভূমিকা নিতে হবে।</p>
<p>ডঃ হেইযার বলেন যে সরকারগুলোকে অবশ্যই পুনরুজ্জীবনের চেয়ে প্রতিকার এবং প্রস্তুতিকাজে বিনিয়োগ করতে হবে , কেননা, তার খরচ কম এবং কোন কোন ক্ষেত্রে তা খুবই সাধারণ।</p>
<p>ডঃ হেইযার উদাহরণ হিসাবে ভবন নির্মাণের বিধিমালা এবং ঝুঁকির্পূণ ভবনেগুলোর ত্রুটি দূর করা এবং আঞ্চলিক অর্থব্যবস্থাপনার নীতিতে সমন্বয় সাধন ও আন্ত-সীমান্তে প্রবাহিত নদীগুলোর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদার করার কথা উল্লেখ করেন।</p>
<p>ডঃ হেইযার দরিদ্রতম এবং সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন – যাতে দুর্যোগের ধাক্কায় ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়।</p>
<p><strong>সামাজিক সুরক্ষা কার্য্যক্রম শিশুশ্রম দূর করায় গুরুত্বর্পূণ</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – আই এল ও'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সামাজিক সুরক্ষার নীতি শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা রাখতে পারে যা বিশ্বে প্রায় সাড়ে একুশ কোটি শিশুর জীবনে প্রভাব ফেলছে।</p>
<p>শিশুশ্রম মোকাবেলায় অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে আইএলও'র এক নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে বিভিন্নধরণের সামাজিক সুরক্ষা পদ্ধতি কীধরণের ফল দিচ্ছে তা পর্য্যালোচনা করে দেখেছে।</p>
<p>এতে দৃষ্টান্ত হিসাবে ব্রাজিলের বলসা পারিবারিক নগদ র্অথ সহায়তা কার্য্যক্রমের উল্লেখ করে বলা হয় যে তা শহর এবং গ্রাম – উভয় এলাকাতেই শিশুশ্রম কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা পালন করেছে। এধরণের আরো কয়েকটি দেশের একইধরণের কার্য্যক্রমের দৃষ্টান্ত দিয়ে আইএলও শিশুশ্রম নির্মূল কর্মসূচির পরিচালক কনষ্টান্স থমাস বলেন যে এই প্রতিবেদনে স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে যে জাতীয়পর্যায়ে সুরক্ষার ন্যূনতম মান ঠিক করে এধরণের সামাজিক সুরক্ষা কার্য্যক্রম পরিচালনা করলে তা শিশুশ্রম দূর করায় গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p><strong> এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষুধাশূণ্যতার চ্যালেঞ্জ</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2012/03/Jan-Eliasson.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘ এশিয়ার সরকারগুলো, কৃষক, বিজ্ঞানী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান , নাগরিক গোষ্ঠী এবং ভোক্তাদের প্রতি ঐ অঞ্চলে ক্ষুধার অবসান ঘটানোর জন্য একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p>থাইল্যান্ডের ব্যাংককে সোমবার ঐ অঞ্চলের নেতাদের উপস্থিতিতে 'ক্ষুধা শূণ্যতার চ্যালেঞ্জ' বা জিরো হাঙ্গার চ্যালেঞ্জ কার্য্যক্রমের সূচনায় এই আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p>জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব, ইয়ান এলিয়াসেন বলেন যে এশিয়া প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের বহুরাষ্ট্র খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্ব্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।</p>
<p>মি এলিয়াসেন বলেন যে ক্ষুধাকে পরাস্ত করা আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব এবং কর্তব্য। যে বিশ্বে সবার জন্য পর্য্যাপ্ত খাদ্য আছে সেই বিশ্বে এতো বিপুলসংখ্যক লোককে ক্ষুর্ধাত রেখে বসে থাকার অবকাশ নেই। এটা খুবই সোজাসাপটা বিষয়। সেজন্যই মহাসচিব বান কি মুন রিওতে ক্ষুধাশূণ্যতার চ্যালেঞ্জ সূচনা করেছেন এবং সেকারণেই আজ এশিয়া প্রশান্ত-মহাসাগরীয় এলাকায় আজ এই উদ্যোগ শুরু হচ্ছে।</p>
<p>মি এলিয়িাসেন বলেন যে সবার সবজায়গায় সবদিন পুষ্টিকর খাদ্য পাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে তা সে কিনে হোক, উৎপাদন করে হোক অথবা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমেই হোক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1016/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>২০১৮ নাগাদ পোলিওমুক্ত বিশ্ব গড়ার পরিকল্পনা</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1005</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1005#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 25 Apr 2013 22:40:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=1005</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও এবং জাতিসংঘ শিশু তহবিল &#8211; ইউনিসেফ বিশ্বকে পোলিওমুক্ত করার লক্ষ্যে ছ'বছর মেয়াদী এক নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। পোলিওর প্রার্দুভাব প্রকট এরকম দেশগুলিতে বিশেষ করে &#8211; আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ায় পোলিও নিরোধক টিকা সেবনের কার্য্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই পরিকল্পনায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে পোলিও আক্রান্ত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1005/polio-300x257" rel="attachment wp-att-1017"><img class="alignleft size-full wp-image-1017" title="polio-300x257" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/04/polio-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও এবং জাতিসংঘ শিশু তহবিল &#8211; ইউনিসেফ বিশ্বকে পোলিওমুক্ত করার লক্ষ্যে ছ'বছর মেয়াদী এক নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।</p>
<p>পোলিওর প্রার্দুভাব প্রকট এরকম দেশগুলিতে বিশেষ করে &#8211; আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ায় পোলিও নিরোধক টিকা সেবনের কার্য্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই পরিকল্পনায়।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে পোলিও আক্রান্ত হয়ে শারীরিকভাবে পঙ্গু হওয়ার সংখ্যা ২০১৩তে সবচেয়ে নীচে নেমে এসে উনিশে দাঁড়িয়েছে।গতবছরে এই সংখ্যা ছিলো ২২৩।</p>
<p>জাতিসংঘের এই দুটি সংস্থা বলছে যে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল মেয়াদকালের এই পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজন হবে সাড়ে পাঁচশো কোটি ডলার &#8211; যার মধ্যে দাতা এবং বৈশ্বিক পোলিও নির্মূল কার্য্যক্রমের শরীকরা প্রায় চারশো কোটি ডলারের অঙ্গীকার করেছেন।</p>
<p>আবুধাবিতে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক টিকাদান শীর্ষসম্মেলনে বিশ্বনেতারা ২০১৮ সালের মধ্যে বিশ্বকে পোলিওমুক্ত করার এই পরিকল্পনার প্রতি তাঁদের আস্থা প্রকাশ করেন।</p>
<p>বৈশ্বিক পোলিও নির্মূলকরণ উদ্যোগের একজন মুখপত্র  সোনা বারি বলেন যে গত দুবছরের অগ্রগতির কারণেই এই পরিকল্পনা তৈরি সম্ভব হয়েছে : ভারত পোলিওমুক্ত হয়েছে।এই দেশটি থেকে পোলিও দূর করা সবচেয়ে কঠিন বলে সবাই বিবেচনা করতেন এবং যে তিনটি দেশে এই রোগের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি সেসব দেশেও অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।</p>
<p>সোনা বারি বলেন যে আমাদেরকে ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে। পঁচিশ বছর আগে পোলিও কারণে কমপক্ষে সাড়ে তিনলাখ শিশু পঙ্গু হয়ে গিয়েছিলো। চলতি বছরে পোলিওতে পঙ্গু হয়েছে উনিশজন।</p>
<p>সোনা বারি বলেন অবশ্য আমাদেরকে এই রোগ নির্মূলের মাধ্যমে সংখ্যাটি শূণ্যে নামিয়ে আনতে হবে।সুতরাং, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আগামী দুই বছরের মধ্যে এই রোগের ভাইরাসের সংক্রমণ বন্ধ করতে হবে। এরপর পরের তিনবছর বিশ্বের সবজায়গায় আমাদেরকে নজর রাখতে হবে যাতে কোথাও পোলিও না থাকে এবং নিশ্চিত করা যায় যে ভাইরাসটি নিশ্চিহ্ণ হয়েছে।</p>
<p>পোলিও যেকোন বয়সেই সংক্রমিত হতে পারে তবে পাঁচ বছরের কম বয়েসী শিশুদের মধ্যেই এই রোগের বিস্তার ঘটে বেশি।</p>
<p><strong> বৈশ্বিক মন্দার কারণে হুমকিতে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/WMD2013logo.jpg" alt="" width="350" height="300" />বিশ্বে ম্যালেরিয়ার কারণে মৃত্যু গত দশকে প্রায় পঁচিশ শতাংশ পরিমাণে কমলেও সাম্প্রতিক বৈশ্বিক মন্দার কারণে ঐ অর্জন হুমকির মুখে পড়েছে।</p>
<p>পঁচিশে এপ্রিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস উপলক্ষ্যে রোল ব্যাক ম্যালেরিয়া পার্টনারশিপ এই তথ্য জানিয়ে সব দেশের প্রতি ম্যালেরিয়াকে পরাস্ত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p>ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের এই বৈশ্বিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে বলা হয় যে বিশ্বব্যাপী ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য যেখানে পাঁচশো কোটি ডলার প্রয়োজন সেখানে তহবিল পাওয়া যাচ্ছে এর অর্ধেকেরও কম।</p>
<p>রোল ব্যাক ম্যালেরিয়া পার্টনারশিপ এর মুখপত্র ডঃ থমাস ট্যুশার বলেন যে ম্যালেরিয়া থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বিনিয়োগ দেশগুলোর অর্থনৈতিক কার্য্যক্রমকে সমৃদ্ধ করবে এবং অর্থনৈতিক কার্য্যক্রম বাড়লে আরো কর্মসংস্থান হবে, জীবনযাত্রার মান বাড়বে এবং তাতে আশা করা যায় যে সমাজে বৈষম্য কমবে।সুতরাং, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ মানে শুধু ম্যালেরিয়া নির্মূলের জন্য বিনিয়োগ নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিনিয়োগ।</p>
<p>রোল ব্যাক ম্যালেরিয়া পার্টনারশিপ বলছে যে এই রোগের নিয়ন্ত্রণে ভূমিকাগ্রহণ শুধু ব্যয়ের নিরিখে যর্থাথ তাই নয় বরং এর মাধ্যমে মা ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনেও তা সহায়ক হবে।</p>
<p>নতুন পরিসংখ্যানে দেখা যায় আফ্রিকায় ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচিতে প্রতিটি ডলার ব্যয়ের বিপরীতে অর্থনীতিতে সুফল আসে পঞ্চাশ ডলার।</p>
<p><strong> বিশ্ব পরিবেশ দিবসে খাদ্যের অপচয় কমানোর উদ্যোগ</strong></p>
<p>ভাবুন, খান, সাশ্রয় করুন। আপনার খাদ্যের চিহ্ন যেন পড়ে না থাকে।এটাই হোল ২০১৩'র বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল ভাবনা।আগামী পাঁচই জুন মঙ্গোলিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদযাপিত হবে।</p>
<p>জাতিসংঘের পরিবেশ কার্য্যক্রম -ইউ এন ই পি বলছে যে খাদ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত এই নতুন বৈশ্বিক প্রচারাভিযানে প্রধানত নজর দেওয়া হবে যে বিষয়টির ওপর তাহোল প্রতিবছর বিশ্বে একশো কোটি টন খাদ্য নষ্ট অথবা অপচয় হচ্ছে।</p>
<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা &#8211; এফ এ ও এবং অন্যদের সহায়তায় এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন থেকে ভোগ পর্য্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিতে অপচয় কমানো বিশেষ করে ভোক্তা, খুচরা বিক্রেতা এবং সেবাখাতে যেসব খাবারের অপচয় ঘটে সেবিষয়টি।</p>
<p>ইউ এন ই পি'র নির্বাহী পরিচালক আখিম ষ্টেইনার বলছেন যে সাতশো কোটি মানুষের বিশ্বে যেখানে ২০৫০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা পৌঁছুবে নশো কোটিতে সেখানে অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং নৈতিকভাবে অপচয়ের কোন অর্থ হয়না।</p>
<p><strong> বন্যপ্রাণী ও বনজ পণ্যের বাণিজ্য গুরুতর অপরাধ</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/wildlife_crime.jpg" alt="" width="350" height="300" />বন্যপ্রাণী এবং বনজ পণ্যের বাণিজ্যকে গুরুতর সংগঠিত অপরাধ হিসাবে বিবেচনার জন্য সবদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের দুটি সংস্থার প্রধানগণ।<br />
সংস্থা দুটি হলো &#8211; মাদক এবং অপরাধ দপ্তর &#8211; ইউ এন ও ডি সি এবং কনভেনশন অন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইন এনডেঞ্জারড স্পেসিস অব ওয়াইল্ড ফনা এন্ড ফ্লোরা &#8211; সি আই টি ই এস।</p>
<p>তাঁরা বলেন যে পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে ধরিত্রীর জীববৈচিত্রের ওপর এসব অপরাধের প্রভাব হয় ধ্বংসাত্মক।উদাহরণ হিসাবে তাঁরা বলেন যে পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্তমহাসাগরীয় এলাকায় কাঠনির্ভর পণ্যের বেআইনী বাণিজ্য হয় প্রায় সতেরোশ কোটি ডলার।</p>
<p>ইউ এন ও ডি সি'র নির্বাহী পরিচালক  ইউরি ফেডোটভ বলেন যে চাহিদা কমানোর জন্য আমাদের পদক্ষেপ নেওয়া প্রযোজন এবং আইন প্রণয়ন, আইন প্রয়োগ, বিচারব্যবস্থা এবং তথ্য সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণের সমস্যাগুলো আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে।</p>
<p>মি ফেডোটভ বলেন যে বেআইনী পাচার চিহ্ণিত করা এবং অপরাধীদের বিচার করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি এবং দেশগুলোর মধ্যে এবিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় প্রয়োজন। অপরাধীদের অর্থের উৎস এবং অপরাধের আয় খুঁজে বের করার বিষয়েও কাজ করা প্রয়োজন।</p>
<p>মি ফেডোটভ বলেন যে বন্যপ্রাণী এবং বনকে ঘিরে সংঘটিত অপরাধ থেকে অপরাধীচক্রগুলোকে মুনাফা করতে দেওয়া যায় না।</p>
<p>ভিয়েনায় অপরাধ দমন এবং অপরাধের বিচার বিষয়ক কমিশনের এক সভায় ইউ এন ও ডি সি'র প্রধান মঙ্গলবার তাঁর বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন।</p>
<p><strong> তথ্যপ্রবাহে প্রথাগত বই এখনও গুরুত্বপূর্ণ: ইউনেস্কো প্রধান</strong></p>
<p>জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা &#8211; ইউনেস্কোর প্রধান বলেছেন যে জ্ঞান অর্জনে ডিজিটাল বই নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করলেও প্রথাগত বই এখনও একটি শক্তিশালী মাধ্যম।</p>
<p>ইউনেস্কোর মহাপরিচালক, আইরিনা বকোভা বলেন যে বই এবং তার সম্পাদকীয় বৈচিত্র্য বা গ্রন্থসম্ভারের বৈচিত্র্য সমৃদ্ধির একটি উৎস এবং তাকে অবশ্যই রক্ষা ও সমর্থন করা প্রয়োজন।</p>
<p>তেবশে এপ্রিল বিশ্ব গ্রন্থ ও মেধাস্বত্ত্ব দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মিস বকোভা তাঁর বার্তায় বিশ্বব্যাপী শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও তথ্যের প্রসার ঘটানোয় বইকে বন্ধু হিসাবে বর্ণনা করেন।</p>
<p><strong> ভারতে 'টয়লেট নেই, তো কনেও নেই' প্রচারাভিযান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/india-wedding.jpg" alt="" width="350" height="300" />ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের একটি গ্রামে তেইশ বছর বয়েসী মনীষ কুমার বিয়ে করছেন কুড়ি বছর বয়েসী কনে ববিতা রাণীকে।</p>
<p>ববিতা রাণী বলেন যে তাঁর বাবা-মা যখন বিয়ের বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত নেন তখন তাঁরা প্রথম যে সিদ্ধান্তটি নেন তাহোল বরের ঘরে টয়লেট আছে কীনা। সুতরাং, বিয়ের জন্য বরপক্ষকে টয়লেট তৈরি করাতে হয়েছে।</p>
<p>ভারতে একশো কুড়ি কোটি জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের জন্যেই কোন টয়লেটের ব্যবস্থা নেই।মূলত ভারতে যতো মানুষের কাছে মোবাইল ফোন আছে ততোজনের টয়লেট ব্যবহারের সুযোগ নেই। প্রতি দশজনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণ পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাব।শত শত বছর ধরে ভারতের বহু গ্রামে লোকজন রাস্তার পাশে তাদের প্রাতকর্ম করে থাকেন।</p>
<p>তবে, এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা অসম্ভব নয়। কেননা, এখন কম খরচেই টয়লেট বানানো সম্ভব হচ্ছে। সমস্যাটি মোকাবেলায় দেশটির সরকার এখন বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গ্রামবাসীদের শিক্ষা দিতে 'টয়লেট নেই তো, কনেও নেই' কার্য্যক্রম শুরু করেছে।</p>
<p>হিমাচল প্রদেশের একটি গ্রামের গ্রামপ্রধান রেবা কাশিয়া বলেন যে তাঁর গ্রামে যদি কাউকে কোন প্রকাশ্য জায়গায় প্রাকৃতিক কর্ম করতে দেখা যায় তাহলে তাকে জরিমানা করা হবে এক হাজার রুপি।এই জরিমানার টাকায় পোর্সেলিনের তৈরি চারটি টয়লেট বসানো সম্ভব।</p>
<p>এধরণের কঠোর ব্যবস্থায় রেবা কাশিয়ার গ্রামে কাজ হয়েছে এবং প্রত্যেকের ঘরেই এখন টয়লেট বসেছে। কিন্তু, পুরো দেশকে এই স্বাস্থ্যঝুঁকিমুক্ত করতে এখনও অনেক বাকি।২০১১'র পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশটির ৫৩ শতাংশ মানুষ এখনও টয়লেট ব্যবহারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/1005/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>টিকাদান সপ্তাহের প্রাক্কালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা: ঝুঁকিতে ২ কোটিরও বেশি শিশু</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/994</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/994#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 18 Apr 2013 20:18:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=994</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও জানিয়েছে যে সাধারণ কিছু টিকা না দেওয়ায় প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রায় দুই কোটি কুড়ি লাখ শিশু গুরুতর কিছু রোগ থেকে সুরক্ষা পাচ্ছে না। যেসব শিশুর প্রয়োজন তাদেরকে উপযুক্ত সময়ে টিকা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা যেসব প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অদক্ষতা, সংঘাত এবং দারিদ্র। [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/994/vaccineweekbrazil" rel="attachment wp-att-1007"><img class="alignleft size-medium wp-image-1007" title="vaccineweekbrazil" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/04/vaccineweekbrazil-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও জানিয়েছে যে সাধারণ কিছু টিকা না দেওয়ায় প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রায় দুই কোটি কুড়ি লাখ শিশু গুরুতর কিছু রোগ থেকে সুরক্ষা পাচ্ছে না।</p>
<p>যেসব শিশুর প্রয়োজন তাদেরকে উপযুক্ত সময়ে টিকা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা যেসব প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অদক্ষতা, সংঘাত এবং দারিদ্র।</p>
<p>বিশে এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহের প্রাক্কালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রতিষেধক টিকার উপকার এবং প্রতিষেধক না দেবার বিপদ সম্পর্কে সবাইকে জানানোর জন্য আরো উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষেধক বিভাগের প্রধান ডঃ জাঁ মেরি ওকোবেলে বলছেন যে ডিপথেরিয়া, হাম, হুপিং কাশি, নিউমোনিয়া, পোলিও রোটাভাইরাস, ডায়রিয়া, রুবেলা এবং টিটেনাসের মতো রোগের বিরুদ্ধে প্রতিষেধক টিকাদানের মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ত্রিশ লাখ মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হয়।</p>
<p>ডঃ ওকোবেলে বলেন যে বিশ্বব্যাপী নবজাতকদের প্রায় আশি শতাংশকেই এসব মৌলিক প্রতিষেধক টিকা পূর্ণমাত্রায় দেওয়া হয়েছে যেটার হার অন্য অনেক জনস্বাস্থ্য কার্য্যক্রমের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু, সর্বজনীন মাত্রা অর্জনে আমরা এখনও পিছিয়ে আছে প্রায় কুড়ি শতাংশ &#8211; এই কুড়ি শতাংশটা অনেক বেশি। এবং সেটাই ব্যাখ্যা করে কেন আমরা বিশ্বকে এখনও পোলিওমুক্ত করতে পারি নি।</p>
<p>ডঃ ওকোবেলে বলেন যে আমরা দেখছি জীবনরক্ষাকারী টিকা দিতে গেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রাণ হারাচ্ছেন।</p>
<p>ডঃ ওকেবেলে বলেন যে আমার মনে হয় এগুলোর নিন্দা জানানোর মতো এবং সেগুলো বন্ধ করার আবেদন জানানোর যথেষ্ট দৃঢ়তা আমাদের আছে ।</p>
<p>ডঃ ওকোবেলে বলেন যে আত্মতুষ্টি এবং টিকায় কাজ হয় না এমন ভিত্তিহীন ধারণার কারণে ফ্রান্স, ইটালী, স্পেন এবং যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশেও হামের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে।</p>
<p><strong> সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করতে নাগরিকদের নিবন্ধন প্রয়োজন</strong></p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন পদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার পরিকল্পনার জন্য নাগরিকদের নিবন্ধন এবং মৌলিক পরিসংখ্যান খুবই জরুরি। কিন্তু, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে বিশ্বের আশিটি দেশে জন্ম ও মৃত্যুর সনদসহ নাগরিকদের নিবন্ধনের কোন কার্য্যকর ব্যবস্থা নেই।</p>
<p>থাইল্যান্ডের ব্যাংককে নাগরিকদের নিবন্ধীকরণের বিষয়ে প্রায় দু'শতাধিক সরকারী &#8211; বেসরকারী প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং অন্যান্য অংশীদারদের এক সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহকারী পরিচালক, ডঃ মেরি পল কিয়েনি একথা বলেন।</p>
<p>তিনি বলেন যে কতোজন শিশুর জন্ম হচ্ছে তা জানা না গেলে কতোগুলো প্রতিষেধক টিকার প্রয়োজন হবে তা জানা সম্ভব নয়। সম্তান-ধারণে সক্ষম নারীর সংখ্যা না জানা গেলে কতোজন ধাত্রীর প্রয়োজন তাও ঠিক করা সম্ভব নয়। এসব কারণেই তিনি নাগরিকদের নিবন্ধন এবং তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য কিছু তথ্য একটি কার্য্যকর ব্যবস্থার মধ্যে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।</p>
<p><strong> সিরিয়ায় রাজনৈতিক সমাধান এখনও সম্ভব: বান কি মুন</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2012/10/ban-ki-moon.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘ মহাসচিব, বান কি মুন বলেছেন যে সিরিয়ায় যদিও প্রতিদিনই দূর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে তবুও এখনো একটি রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব।</p>
<p>বুধবার বিশ্বের নানা বিষয় নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন যে সিরিয়ার সামরিক গতিবিধি দেশটিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং ঐ অঞ্চলকে বিপন্ন করে তুলছে।</p>
<p>মি বান বলেন যে বেসামরিক নাগরিকদেরকে এর মূল্য দিতে হচ্ছে এবং তাদেরকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।</p>
<p>মি বান বলেন যে সিরিয়ার প্রতিবেশীদের ওপর যে দশ লাখেরও বেশি শরণার্থীর চাপ তৈরি হয়েছে তাদের সমর্থনে জাতিসংঘ তার সাধ্যমতো প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।</p>
<p>মি বান বলেন যে সম্ভাবনা ক্ষীণ মনে হলেও আমি এখনও মনে করি যে রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব। এটাই রক্তপাত বন্ধ এবং একটি গণতান্ত্রিক নতুন সিরিয়ার যাত্রা সূচনার একমাত্র পথ।</p>
<p>মহাসচিব বলেন যে সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য জাতিসংঘ তার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।</p>
<p>তিনি বলেন যে সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের যে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্তের বিষয়ে তাঁর অনুসন্ধানী দলের তদন্তের বিষয়টিতে তিনি মনোযোগী রয়েছেন। তাঁর মনোনীত বিশেষজ্ঞ দল সিরীয় সরকারের সম্মতির অপেক্ষায় আছে।</p>
<p><strong> ২০১২ সালে পণ্য রপ্তানী স্থবির ছিলো : আঙ্কটাড</strong></p>
<p>জাতিসংঘের বাণিজ্য বিষেয়ক সংস্থা &#8211; ইউ এন সি টি এ ডি বা আঙ্কটাড এর প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে যে ২০১২ সালে বিশ্বে পণ্য রপ্তানীর মাত্রা স্থবির ছিলো। ২০১০ এবং ২০১১ সালে পণ্য রপ্তানী উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেলেও গতবছরে তা বেড়েছে মাত্র শূণ্য দশমিক দুই শতাংশ।</p>
<p>আঙ্কটাডের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানী বেড়েছে তিন দশমিক ছয় শতাংশ হারে তবে তা প্রধানত সীমিত ছিলো পেট্রোলিয়াম এবং গ্যাসের ক্ষেত্রে। এতে আরো দেখা যাচ্ছে যে জ্বালানী ছাড়া প্রাথমিক পণ্য রপ্তানী করে থাকে যেসব দেশ তাদের রপ্তানী এসময়ে কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ হারে।উন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই রপ্তানী সংকোচনের হার পৌণে তিন শতাংশ।</p>
<p>আঙ্কটাডের হিসাবে দেখা যাচ্ছে যে বিশ্ববাণিজ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অংশীদারিত্ব বাড়ছে এবং ২০১২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চুয়াল্লিশ দশমিক চার শতাংশে।</p>
<p><strong> পরিবেশবান্ধব নগর নির্মাণ বিষয়ে ইউ এন ই পি'র সমীক্ষা</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2012/01/UNEP_logo-298x3001.jpg" alt="" width="350" height="300" />২০৫০ সাল নাগাদ পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রায় ন'শো কোটি মানুষের চাহিদা মেটাতে সক্ষম এমন নগর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ব এক বড়ধরণের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।</p>
<p>জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি &#8211; ইউ এন ই পি'র প্রধান আচিম ষ্টেইনার কেনিয়ার নাইরোবিতে নগরায়নের চ্যালেঞ্জ বিষয়ক এক সমীক্ষা কার্য্যক্রমের সূচনায় একথা বলেন।</p>
<p>আচিম ষ্টেইনার বলেন যে ২০৫০ সাল নাগাদ যেসব অবকাঠামো প্রয়োজন হবে তার ষাট শতাংশই এখনও নির্মিত হয়নি। যে বিপুল পরিমাণে নির্মাণ কাজ করতে হবে তার মাত্রাটি কল্পনা করুন। এর সাথে আরো যেটি ভাবনার বিষয় তাহোল নগর মানে শুধু অবকাঠামো নয়, বিভিন্ন পরিষেবা, সম্পদ, খাদ্য, পানি, জ্বালানি সরবরাহের প্রশ্ন আসবে।</p>
<p>আচিম ষ্টেইনার বলেন যে আমরা দূষণ ঘটাবো। আমাদের বর্জ্য পানি থাকবে, পয়ঃনিষ্কাশণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে, আমাদের ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।</p>
<p>ইউ এন ই পি'র নির্বাহী পরিচালক বলেন যে এই পটভূমিতেই তাঁর সংস্থা জাতিসংঘের আরেকটি সংস্থা ই্উ এন হ্যাবিট্যাটের সাথে একজোট হয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মাধ্যমে কাজ করছে।</p>
<p><strong> সংঘাতে যৌন সহিংসতারোধ কার্য্যক্রমে সম্পদ যোগানোর আহ্বান</strong></p>
<p>জাতিসংঘ মহাসচিব, বান কি মুন সংঘাতের সময় যৌন সহিংসতা ঠেকাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য পর্য্যাপ্ত সম্পদ যোগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p>নিরাপত্তা পরিষদে সংঘাতকালে যৌন সহিংসতার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে শান্তি ও নিরাপত্তায় নারী প্রসঙ্গ আলোচনার সময়ে মি বান একথা বলেন।</p>
<p>মহাসিচিব বান বলেন যে সংঘাতের সময় যৌন সহিংসতা রোধ এবং দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করার প্রশ্নে জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নানাধরণের কার্য্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।<br />
এক্ষেত্রে তিনি উদাহরণ হিসাবে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র &#8211; ডি আর সিতে জাতিসংঘ মিশনের সহায়তায় সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রসিকউশন সহায়তা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেন।</p>
<p>মি বান বলেন যে দক্ষিণ সুদানে এখন আমরা আটজন মহিলা সুরক্ষা পরামর্শক মোতায়েন করেছি। দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ মিশন &#8211; ইউএনমিস হচ্ছে প্রথম কোন শান্তিমিশন যেখানে মহিলা সুরক্ষা পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে এবং তার জন্য বাজেটেও বরাদ্দ রাখা হয়েছে।</p>
<p>মি বান বলেন যে আমরা ডিআরসি, কোট ডি ভোয়া এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকা রিপাবলিকের জন্যও মহিলা সুরক্ষা পরামর্শক নিয়োগ করছি।</p>
<p>মি বান বলেন যে এসব জায়গায় এবং অন্যান্য যেসব স্থানের ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ রয়েছে সেসব জায়গায় অতিরিক্ত মহিলা সুরক্ষা পরামর্শক নিয়োগের জন্য পর্য্যাপ্ত সম্পদের যোগান দেওয়ার জন্য আমি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিাচ্ছি। পরিকল্পনা এবং বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে আমাদেরকে অবশ্যই এই বিষয়টিকে একটি নিয়মিত শর্ত হিসাবে গ্রহণ করতে হবে।</p>
<p>মহাসচিব একইসাথে জাতীয় পর্য্যায়ে আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞ দলের কার্য্যক্রম বজায় রাখার জন্যও তহবিল অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/994/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মধ্যপ্রাচ্যে অভিবাসী শ্রমিকরা জবরদস্তির শিকার : আইএলও</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/984</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/984#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 12 Apr 2013 22:16:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=984</guid>
		<description><![CDATA[আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা &#8211; আই এল ও জানিয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত প্রায় ছয় লাখ অভিবাসী শ্রমিক জবরদস্তিমূলক শ্রম আদায়ের শিকার হচ্ছেন। বুধবার প্রকাশিত ঐ অঞ্চলের অভিবাসী শ্রমিকদের অবস্থা সম্পর্কে আই এল ও'র সর্বসাম্প্রতিক রিপোর্টটিতে বলা হয় যে প্রায়শ:ই এসব শ্রমিকরা শঠতার শিকার হয়ে ফাঁদে পড়ে জবরদস্তি শ্রম ও যৌন শোষণের শিকার হন এবং তাঁদেরকে সেখান [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/984/migrant_constructionworkers_iraq" rel="attachment wp-att-996"><img class="alignleft size-medium wp-image-996" title="migrant_constructionworkers_iraq" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/04/migrant_constructionworkers_iraq-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা &#8211; আই এল ও জানিয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত প্রায় ছয় লাখ অভিবাসী শ্রমিক জবরদস্তিমূলক শ্রম আদায়ের শিকার হচ্ছেন।</p>
<p>বুধবার প্রকাশিত ঐ অঞ্চলের অভিবাসী শ্রমিকদের অবস্থা সম্পর্কে আই এল ও'র সর্বসাম্প্রতিক রিপোর্টটিতে বলা হয় যে প্রায়শ:ই এসব শ্রমিকরা শঠতার শিকার হয়ে ফাঁদে পড়ে জবরদস্তি শ্রম ও যৌন শোষণের শিকার হন এবং তাঁদেরকে সেখান থেকে যেতে দেওয়া হয় না।</p>
<p>রিপোর্টে বলা হয় যে মধ্যপ্রাচ্যে যদিও অভিবাসী শ্রমিকদের উপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি তবুও সেখানকার শ্রম আইনের দূর্বলতার কারণে এসব শ্রমিকরা শোষণের ঝুঁকির মুখে পড়েন।</p>
<p>আই এল ও বলছে যে অভিবাসী শ্রমিকরা চুক্তি বাতিল অথবা অন্যকোন চাকরি নিতে চাইলে তাঁদেরকে আটক করা অথবা দেশে ফেরৎ পাঠানোর হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।</p>
<p>আই এল ও'র হেলেন হ্যারফ-ট্যাভেল বলছেন যে আরব দেশগুলোর অনেকজায়গায় সংগঠন করার অধিকার না থাকায় শ্রমিকদের অভিযোগ তুলে ধরার সুযোগ নেই।</p>
<p>হেলেন হ্যারফ-ট্যাভেল বলেন যে মধ্যপ্রাচ্যে যাঁরা পাচার হচ্ছেন তাঁদেরকে অপহরণ করা হয় না। কিন্তু, তাঁরা হলেন কম দক্ষ অভিবাসী শ্রমিক যাঁরা একটা ভালো কাজ খুঁজছেন।</p>
<p>তিনি বলেন যে তাঁদেরকে একটা নির্দিষ্ট চাকরি কিম্বা কাজের এবং থাকার পরিবেশের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় কিন্তু সেই দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাঁরা বুঝতে পারেন যে তাঁদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। তাঁরা তখন এমন এক ফাঁদে আটকে যান যেখানে তাঁরা শ্রম দিতে বাধ্য হন এবং চাইলেও সেখান থেকে চলে যেতে পারেন না।</p>
<p>হেলেন হ্যারফ-ট্যাভেল বলেন যে আমরা যদি গৃহস্থালী কাজের দিকে নজর দেই তাহলে দেখা যায় যে গৃহকর্মীদেরকে শ্রম আইনের আওতায় স্বীকৃতি দিয়েছে একমাত্র জর্ডান।</p>
<p>তিনি বলেন যে অন্যরা যেসব খসড়া করেছে এবং সেগুলো নিয়ে আলোচনা করছে তাতে গৃহকর্ম বা কৃষিকাজের মতো বিষয়গুলোকে শ্রম আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে গেছে।</p>
<p>আই এল ও ঐ অঞ্চলে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া তদারকি, দুর্ব্যবহারসহ অভিবাসী এবং নিয়োগকর্তাদের অভিযোগ তদন্ত এবং নিষ্পত্তির ক্ষমতা শ্রম মন্ত্রণালয়গুলোকে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।</p>
<p><strong> আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার আহ্বান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/sg10.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়েছেন।</p>
<p>বুধবার আপোষরফার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারব্যবস্থার ভূমিকা বিষয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এক বিতর্কের সূচনায় মি বান একথা বলেন।</p>
<p>একটি সমাজ ঠিক কখন তার সংঘাতের উৎস পর্য্যাপ্ত পরিমাণে অনুসন্ধান করে জনগণের অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারবে তা জানা কঠিন হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p>মি বান সাধারণ পরিষদকে বলেন যে সংঘাত অবসানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সময় ব্যয় এবং চেষ্টার পরও প্রায়শই দেখা যায় যে তখনও টান টান আবেগ ও উত্তেজনা বজায় রয়েছে যা সামান্য উস্কানিতেই জ্বলে উঠতে পারে।</p>
<p>মি বান বলেন যে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের ব্যবস্থার উন্নয়ন ও তাকে সমর্থন করা ছাড়া শান্তি, উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের মর্য্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জনের আশা করা যায় না।</p>
<p>মি বান বলেন যে আমি এই কক্ষে উপস্থিত সবাই এবং বিশ্বব্যাপী আমাদের সহযোগীদের সবার প্রতি এই ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।</p>
<p>মি বান বলেন যে সেটা আমাদের সবার দায়িত্ব , সেটাতেই আমাদের সবার স্বার্থ ।</p>
<p>মহাসচিব বলেন যে সংঘাতের সময় সংঘটিত অপরাধের বিচারের জন্যই ট্রাইব্যুনাল এবং আদালত গঠিত হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন যে বিচারের এসব উপকরণকে সমর্থনের অর্থ হচ্ছে সেগুলোকে মর্য্যাদা দেওয়া এবং তাদের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও সততার বিষয়কে প্রশ্নবিদ্ধ না করা।</p>
<p><strong> বিশ্ব খাদ্য মূল্য সূচক এক শতাংশ বেড়েছে</strong></p>
<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা &#8211; এফ এ ও বলছে যে মার্চ মাসে বিশ্বে খাদ্য দ্রব্যের মূল্যসূচক এক শতাংশ পরিমাণে বেড়েছে।</p>
<p>সংস্থা বলছে যে প্রধানত দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্য এগারো শতাংশ বেড়ে যাওয়ার কারণেই সূচকের এই বৃদ্ধি।</p>
<p>খাদ্যমূল্যের সূচকে বিভিন্নধরণের পণ্যের মধ্যে দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের প্রভাব প্রায় সতেরো শতাংশ।</p>
<p>এফ এ ও'র খাদ্য মূল্য সূচকে শষ্যদানা, চিনি, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য এবং মাংসসহ কিছু খাদ্যদ্রব্যের মূল্য পরিবর্তনকে হিসাবে নেওয়া হয়।</p>
<p>এফ এ ও বলছে যে ফেব্রুয়ারী মাসে খাদ্যশস্যের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।</p>
<p><strong> মানব উন্নয়নে বনায়নের অবদান বাড়ছে : এফ এ ও</strong></p>
<p>তুরস্কের ইস্তান্বুলে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া জাতিসংঘ বন ফোরামে মানব উন্নয়নে বনাঞ্চলের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবদানের উন্নততর রেকর্ড সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।</p>
<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা &#8211; এফ এ ও'র বনবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী মহাপরিচালক এবং বনবিষয়ে সহযোগিতার ফোরাম কোলাবোরেটিভ পার্টনারশিপ অন ফরেষ্টস এর চেয়ারম্যান, ডোয়ার্ডো রোহাস-ব্রিয়ালেস বলেন যে বন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ব্যাবস্থা পর্য্যালোচনার পথ এই ফোরামে উন্মোচিত হবে।</p>
<p>মি রোহাস ব্রিয়ালেস বলেন যে কার্য্যত বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র দুরীকরণ এবং টেকসই উন্নয়নে বন এবং বনায়নের অবদান ক্রমশই তার স্বীকৃতি লাভ করছে। তারপরও আমাদের উন্নততর রেকর্ড সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে করে মানব উন্নয়নে বনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবদানকে আরো দক্ষতার সাথে ছড়িয়েদেওয়া যায়।</p>
<p><strong> নাগরিকত্বহীন ব্যাক্তির মর্য্যাদা নির্ধারণে যুক্তরাজ্যের নতুন পদ্ধতির প্রশংসায় ইউএনএইচসিআর</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/interview1.jpg" alt="" width="350" height="300" />নাগরিকত্বহীন ব্যাক্তির মর্য্যাদা নির্ধারণে যুক্তরাজ্য যে নতুন পদ্ধতি চালু করেছে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা &#8211; ইউ এন এইচ সি আর তাকে স্বাগত জানিয়েছে।</p>
<p>গত ছয়ই এপ্রিল থেকে কার্য্যকর হওয়া এই পদ্ধতিটি দেশটিতে অবস্থানরত নাগরিকত্বহীন লোকেদের জন্য কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করেন ইউ এন এইচ সি আরের মুখপাত্র মেলিসা ফ্লেমিং।</p>
<p>মেলিসা ফ্লেমিং বলেন যে যে বা যাঁরা কোন নথিপত্র ছাড়া , স্বীকৃতি ছাড়া, আইনগতভাবে একটা সংকটের মধ্যে পড়ে সমাজের প্রান্তিক অবস্থানে অবস্থান করছেন যুক্তরাজ্যে তাঁদের উপস্থিতি এর মধ্য দিয়ে বৈধতা পাবে।</p>
<p>এটিকে একটি যুগান্তকারিী পদক্ষেপ অভিহিত করে মিস ফ্লেমিং বলেন যে বিশ্বে এখন এধরণের রাষ্ট্রহীন লোকের সংখ্যা এক কোটি কুড়ি লাখ। নাগরিকত্বহীন লোকেরা যেসব দেশে বাস করছেন তাঁরা সাধারণত সেখানেই থেকে যান &#8211; যদিও কেউ কেউ অভিবাসন করে থাকেন।</p>
<p>মিস ফ্লেমিং বলেন যে নাগরিকত্বহীন ব্যাক্তি কোন দেশে অভিবাসন করতে চাইলে দেখা যায় যে তার আশ্রয়প্রার্থনার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে কেননা তিনি যুদ্ধরত কোন দেশ থেকে আসেননি।</p>
<p>তিনি বলেন যে দেখা যায় এসব লোকজন রাস্তায় জীবনযাপন করছেন অথবা তাদেরকে কোন শিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি জানান যে অনেক দেশ যুক্তরাজ্যের মতো ব্যবস্থা অনুসরণের অঙ্গীকার করেছে।</p>
<p><strong> এইডস, যক্ষা ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ১৫০০ কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ</strong></p>
<p>এইডস, যক্ষা এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে গঠিত বৈশ্বিক তহবিল জানিয়েছে যে যেসব দেশ এই সব সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করছে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল সময়ে তাদেরকে কার্য্যকর সহায়তা দেওয়ার জন্য তারা দেড় হাজার কোটি ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।</p>
<p>সরকার, নাগরিক সমাজ এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভূক্তভোগী জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করার কাজে নিয়োজিত এই তহবিলের পক্ষে সোমবার ব্রাসেলসে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।</p>
<p>এই তহবিলের পক্ষ থেকে বলা হয় যে এইডস, যক্ষা এবং ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেটুকু অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে তাতে গতিসঞ্চার করতে তাঁরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।</p>
<p>অনেক দেশ আর্থিক সংকটের সম্মুখীন এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে তহবিলের পক্ষ থেকে বলা হয় স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের মূল্য অনেক বেশি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/984/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের আহ্বান: আপনার রক্তচাপ জানুন, ঝুঁকি কমান</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/972</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/972#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 04 Apr 2013 20:56:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=972</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও জানিয়েছে যে বিশ্বে একশো কোটিরও বেশি লোক রক্তের উচ্চচাপ বা হাইপারটেনশনের শিকার। সংস্থা জানায় রক্তের উচ্চচাপে ভোগার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আফ্রিকায় যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এর হার হচ্ছে প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ। সাতই এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রাক্কালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রক্তের উচ্চচাপজনিত রোগ প্রতিরোধের কার্য্যক্রম জোরদার করার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/972/who-hq1" rel="attachment wp-att-985"><img class="alignleft size-medium wp-image-985" title="WHO-HQ1" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/04/WHO-HQ1-300x258.jpg" alt="" width="300" height="258" /></a>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও জানিয়েছে যে বিশ্বে একশো কোটিরও বেশি লোক রক্তের উচ্চচাপ বা হাইপারটেনশনের শিকার।</p>
<p>সংস্থা জানায় রক্তের উচ্চচাপে ভোগার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আফ্রিকায় যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এর হার হচ্ছে প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ।</p>
<p>সাতই এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রাক্কালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রক্তের উচ্চচাপজনিত রোগ প্রতিরোধের কার্য্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে।হৃদরোগ, কিডনি অচল হয়ে যাওয়া এবং অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে রক্তের উচ্চচাপ।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মানুষ যখন তার রক্তচাপের মাত্রা সম্পর্কে সচেতন থাকে তখন সে তা নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা নিতে পারে।</p>
<p>উঁচু রক্তচাপের ঝুঁকি কীভাবে কমানো যায় তা ব্যাখ্যা করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডঃ শান্তি মেন্ডিজ।</p>
<p>ডঃ মেন্ডিজ বলেন যে অধিকাংশ সময়েই পরিস্থিতি জটিল না হওয়া পর্য্যন্ত কোন উপসর্গ দেখা যায় না।এবং এর অর্থ হচ্ছে আপনাকে আপনার সংখ্যাগুলো জানতে হবে।</p>
<p>ডঃ মেন্ডিজ বলেন যে সবাইকেই নিজেদের রক্তচাপের মাপ নিতে হবে, বিশেষ করে, যাঁদের বয়স চল্লিশের ওপর কেননা ঐ বয়সের পর রক্তচাপ বৃদ্ধির একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।</p>
<p>ডঃ মেন্ডিজ বলেন যে কতোগুলো ঝুঁকির উৎস সম্পর্কে আপনার জীবনধারায় সঠিক ব্যবস্থা নিলে &#8211; বিশেষ করে লবণ খাওয়া কমানো, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও পটাশিয়ামসমৃদ্ধ ফল এবং সবজি খাওয়া, অ্যালকোহলের ক্ষতিকর ব্যবহার কমানো, ওজন ঠিক রাখার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং বাড়তি আহার না করা &#8211; যেগুলোর সবই রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।</p>
<p>২০১১'র সেপ্টেম্বরে সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের শীর্ষসম্মেলনে গৃহীত সংক্রমণ ঘটে না এমন সব রোগের বিষয়ে জাতিসংঘ ঘোষণার আলোকে সবাইকে রক্তচাপের মাপ জানতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই প্রচারাভিযান শুরু করেছে।</p>
<p><strong> নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তার প্রাথমিক দায়িত্ব সরকারের : এফ এ ও প্রধান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/sudan.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থা, এফ এ ও'র মহাপরিচালক হোসে গ্রাজিয়ানো ডি সিলভা বলেছেন যে নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের এবং সেক্ষেত্রে জাতীয় নেতৃত্ব এবং তাদের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>জাতিসংঘের সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা ২০১৫ সাল পার হওয়ার পর বিশ্বে ক্ষুধা মোকাবেলায় কৌশল কি হওয়া উচিৎ সেবিষয়ে বৃহস্পতিবার এক উচ্চপর্য্যায়ের বৈঠকে মি ডি সিলভা এই মন্তব্য করেন।</p>
<p>তিনি বলেন যে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা আমাদেরকে সামনে এগিয়ে দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু, এখনও বিশ্বে সাতাশি কোট লোক ক্ষুধার শিকার। ক্ষুধার বিরুদ্ধে সংগ্রাম শেষ হতে এখনও অনেক বাকি।</p>
<p>মি ডি সিলভা বলেন যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে একমাত্র কার্য্যকর জবাব হচ্ছে জাতীয় পর্য্যায়ে রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্য্যায়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং দাতাদের সমর্থনে সেই অঙ্গীকারকে সুদৃঢ়করণ।</p>
<p>এফ এ ও মহাপরিচালক বলেন যে যেহেতু বিশ্বে সবাইকে খাওয়ানোর মতো পর্য্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদিত হয় সেহেতু এখন প্রয়োজন সবার খাদ্যপ্রাপ্তি এবং স্থানীয়ভাবে সবার পর্য্যাপ্ত পুষ্টির ব্যবস্থা করা।</p>
<p><strong> জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্য সনদ পাশ</strong></p>
<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ প্রথাগত অস্ত্রের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার একটি বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্য সনদ অনুমোদন করেছে। যেসব অস্ত্র এই সনদের আওতায় পড়বে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে রণক্ষেত্রের ট্যাংক, যুদ্ধে ব্যবহার্য্য সশস্ত্র যান, বড়-ক্যালিবারের গোলা নিক্ষেপে সক্ষম পদ্ধতি, যুদ্ধবিমান, হামলা চালাতে সক্ষম হেলিকপ্টার, যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক , ক্ষুদ্র অস্ত্র এবং হালকা অস্ত্র।</p>
<p>প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট পড়ে ১৫৪টি। বিপক্ষে ভোট দেয় তিনটি দেশ &#8211; গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া, ইরান এবং সিরিয়া। তেইশটি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।</p>
<p>দুই সপ্তাহ ধরে আলাপ-আলোচনার পরও অস্ত্র বাণিজ্য বিষয়ে জাতিসংঘ সম্মেলনের চূড়ান্ত অধিবেশনে গত শুক্রবার ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কোন মতৈক্য না হওয়ায় সাধারণ পরিষদে বিষয়টিতে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।</p>
<p>সাধারণ পরিষদের সভাপতি, ভূক জেরেমিচ, অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের বলেন যে সনদের ভাষা জোরালো এবং বাস্তবায়নযোগ্য।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত জেরেমিচ বলেন যে বহুদিক থেকেই এটি ভিত্তিস্থাপনকারী।এই সনদ বলছে যে অস্ত্র রপ্তানীকারীদেশগুলো তাদের অস্ত্র বিক্রি এবং স্থানান্তরের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে আইনগতভাবে বাধ্য থাকবে। যেসব অস্ত্র তাঁরা বিক্রি করছেন সেসব অস্ত্র মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করা এবং মানবাধিকার আইন লংঘনে ব্যবহৃত হবে কিনা তার একটি সমীক্ষা চালাতেও তাঁরা বাধ্য থাকবেন।</p>
<p>দেশের ভিতরে বা আন্তর্জাতিক পরিসরে অস্ত্র কেনা বা বেচার ক্ষেত্রে এই সনদের স্বাক্ষরদাতাদের নিয়ন্ত্রণমূলক অধিকার এতে রক্ষা করা হয়েছে।</p>
<p>কোন পরিস্থিতিতে কোন রাষ্ট্রের নাগরিকরা অস্ত্র রাখতে পারবে বা তা ব্যবহার করতে পারবে সেটা নির্ধারণেও রাষ্ট্রের অধিকার এই সনদে রক্ষিত হয়েছে।</p>
<p><strong> মাইনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে জাতিসংঘ অঙ্গীকারাবদ্ধ</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2012/03/landmines_UN-PHOTO.jpg" alt="" width="350" height="300" />মাইন এবং যুদ্ধে ব্যবহৃত বিস্ফোরক-অবশিষ্টের ঝুঁকি দূর করা শান্তিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন।<br />
চৌঠা এপ্রিল মাইন কার্য্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ , মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।</p>
<p>জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন যে মাইন এবং যুদ্ধের অন্যান্য বিস্ফোরক-অবশিষ্টের বিপদ থেকে বিশ্বকে মুক্ত করার লক্ষ্যে এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে জাতিসংঘ অঙ্গীকারাবদ্ধ।</p>
<p>জাতিসংঘের মাইন অপসারণ কার্য্যক্রম, ইউ এন এম এ এস এর পরিচালক, অ্যাগ্নিস মারসাইলু বলেন যে এই দিবসটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে পৃথিবীতে এই ঝুঁকির দূষণ কতোটা বিস্তৃত।</p>
<p>অ্যাগ্নিস মারসাইলু বলেন যে বিশ্বব্যাপী বহু দেশে অনেকেই পানি আনতে যেতে পারেন না অথবা পানি আনতে গেলে অঙ্গহানির ঝুঁকি নিতে হয়। বাচ্চারা খেলতে পারে না অথবা মায়েরা ঘুমাতে পারেন না &#8211; কারণ তাঁদের বাচ্চারা জায়গাটা নিরাপদ কিনা সেটা না জেনেই বাইরে খেলতে যায়।</p>
<p>১৯৯৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক মাইন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।</p>
<p><strong> ছেলেদের অটিজমের ঝুঁকি চারগুণ বেশি</strong></p>
<p>দোসরা এপ্রিল জাতিসংঘে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে অটিজমের ওপর আলোকপাত করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও অটিজমের বনর্ণায় বলেছে যে এটা এমন একটি অবস্থা যা জীবনের প্রথমদিককার বছরগুলোতেই স্পষ্ট হতে থাকে।এটা একধরণের স্নায়বিক বৈকল্যের কারণে ঘটে থাকে যা মস্তিষ্কের কার্য্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।</p>
<p>জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সব অঞ্চলেই অটিজমের হার অনেক বেশি এবং এটা শিশুদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে &#8211; যার প্রতিফলন পরিবার, জনগোষ্ঠী এবং সমাজেরও ওপর পড়ছে।</p>
<p>জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবুল কালাম আব্দুল মোমেন বলছেন যে প্রতি অষ্টাশি জন শিশুর মধ্যে একজন এবং প্রতি চুয়ান্ন জন ছেলের মধ্যে একজন এই অটিজমের শিকার।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন যে ছেলেদের অটিজমের শিকার হওয়ার আশঙ্কা চার গুণ বেশি। অটিজমের কারণে বছরে ব্যয় হচ্ছে তেরো হাজার সাতশো কোটি ডলার এবং এটা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। দুঃখজনকভাবে, গবেষণা বাজেটের পাঁচ শতাংশেরও কম পেয়ে থাকে এই বিষয়টি এবং অনেকেই মনে করেন যে এই রোগ থেকে কোন মুক্তি নেই।</p>
<p>মহাসচিব বান কি মুনের মতে বর্তমান গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে রোগের প্রাথমিক পর্য্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া গেলে অটিষ্টিক ব্যাক্তির ক্ষমতা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।</p>
<p><strong> বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেন চীনারা</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/04/unwto_logo_1.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘের বিশ্ব পর্য্যটন সংস্থা &#8211; ইউ এন ডাব্লু টি ও বলছে যে চীনারা হলেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী।</p>
<p>সংস্থা বলছে বিশ্ব পর্য্যটন বাজারের এক নম্বর উৎস এখন চীন।</p>
<p>২০১২ সালে বিদেশ ভ্রমণে চীনের ব্যয় দশ হাজার দুশো কোটি ডলারে পৌঁছেছে।</p>
<p>দুই হাজার সালে বিদেশে চীনা ভ্রমণকারীর সংখ্যা যেখানে ছিলো এক কোটি সেখানে ২০১২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট কোটি ত্রিশ লাখে।</p>
<p>বিদেশে চীনা পর্য্যটকদের ব্যয়ও দুই হাজার সালের তুলনায় বেড়েছে আটগুণ।</p>
<p>সংস্থাটি বলছে যে দ্রুত নগরায়ণ, আয়ের উদ্বৃত্ত এবং বিদেশ সফরের ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়াই চীনা ভ্রমণকারীদের এই প্রবৃদ্ধির কারণ ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/972/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের প্রতি সাধারণ পরিষদের শ্রদ্ধার্ঘ্য</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/943</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/943#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 28 Mar 2013 21:58:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=943</guid>
		<description><![CDATA[জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মঙ্গলবার ছাব্বিশে মার্চ বাংলাদেশের মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লূর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। রাষ্ট্রপতি রহমান গতসপ্তাহে মৃত্যুবরণ করেন। স্মরণসভায় মি রহমান তাঁর দেশ এবং জনগণের প্রতি পঞ্চাশ বছর ধরে যে সেবা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন তার প্রশংসা করেন। মহাসচিব বান বলেন যে রাষ্ট্রপতি রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন।তিনি এই স্বাধীনতার জন্য কাজ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/943/opening-of-the-general-debate-of-the-66th-general-assembly-session" rel="attachment wp-att-974"><img class="alignleft size-medium wp-image-974" title="Opening of the General Debate of the 66th General Assembly Session" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/03/sg-ga-podium-67-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মঙ্গলবার ছাব্বিশে মার্চ বাংলাদেশের মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লূর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। রাষ্ট্রপতি রহমান গতসপ্তাহে মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<p>স্মরণসভায় মি রহমান তাঁর দেশ এবং জনগণের প্রতি পঞ্চাশ বছর ধরে যে সেবা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন তার প্রশংসা করেন।</p>
<p>মহাসচিব বান বলেন যে রাষ্ট্রপতি রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন।তিনি এই স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন এবং তিনি ছিলেন দেশটির নেতৃস্থানীয় রাজনীতিকদের অন্যতম। শেষজীবনে রাষ্ট্রপতির পদ ছিলো তাঁর পুরষ্কার &#8211; তাঁর সারাজীবনের নিষ্ঠার স্বীকৃতি। আমরা আজ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি, কিন্তু একইসাথে আমরা এই ভেবে কিছুটা স্বান্তনা পেতে পারি যে যেদেশটি প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ভূমিকা রেখেছেন সেই দেশটি দিনে দিনে শক্তিশালী হয়ে উঠছে।</p>
<p>মহাসচিব একইসাথে গত শুক্রবারে বাংলাদেশে টর্ণেডোতে নিহতদের জন্য শোকপ্রকাশ করে বলেন যে এই দুর্যোগ দেশটি জলবায়ূ পরিবর্তনের যে ঝুঁকির মুখে রয়েছে সেকথাটিই স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন যে দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং তার ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে যেসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বাংলাদেশ গড়ে তুলছে তাতে দেশটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে এবং টেকসই উন্নয়নে নেতৃত্বের স্থান করে নিয়েছে। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা অর্জনেও দেশটি বড়ধরণের সাফল্য অর্জন করেছে।</p>
<p><strong> ডিজিটাল বিভেদ দূরে সহায়তার জন্য তরুণদের প্রতি মহাসচিবের আহ্বান</strong></p>
<p>জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে রুপান্তর এবং তোলপাড়ের সময় বিশ্ব নাগরিকের ভূমিকা গ্রহণ করে তরুণরা বিশ্বকে সহায়তা করতে পারে।</p>
<p>বুধবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বিশ্বের তরুণদের জন্য বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও সংস্কৃতিকে কাজে লাগানোর বিষয়ে এক ফোরামে মি বান বলেন যে তরুণরা সবসময়েই আদর্শবাদী এবং তারা পরিবর্তনের দাবিতে সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোকে কাজে লাগাতে পারে।</p>
<p>মি বান বলেন যে আমি আজ এখানে এতোসব ট্যাবলেট এবং ফোন দেখে খুবই আনন্দিত। তবে, অনেক তরুণই এসব প্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত। এই ডিজিটাল বৈষম্য দূর করার জন্য আপনাদেরকে অবশ্যই উদ্যোগী হতে হবে। আমাদেরকে নারী এবং বালিকাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের প্রতিভাও যেকোন পুরুষ এবং বালকের সমান। স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকেই পরীক্ষাগারের কোট গায়ে চড়াতে পারে &#8211; যে কেউই অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে দেখতে পারে।</p>
<p>মি বান তরুণদেরকে তাদের নিজস্ব উপায়ে জীবন গড়ে নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করে বলেন যে জাতিসংঘের আদর্শগুলো অর্থাৎ, শান্তি, উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের বিষয়গুলো তাদেরকে কখনোই ভুললে চলবে না।</p>
<p><strong> কেনিয়ায় গবাদি পশুর জন্য মশারি</strong></p>
<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/943/03-26-2012livestock" rel="attachment wp-att-975"><img class="alignleft size-medium wp-image-975" title="03-26-2012livestock" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/03/03-26-2012livestock-300x199.jpg" alt="" width="300" height="199" /></a>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা &#8211; এফ এ ও জানিয়েছে যে কেনিয়ার ক্ষুদ্র আকারের পশু খামারগুলোতে কীটনাশক-পরিশোধিত মশারি ব্যবহারের ফলে পশু এবং জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সুফল পাওয়া গেছে।</p>
<p>সংস্থা জানায় যে মশারি গৃহপালিত পশুকে মশা-মাছি এবং অন্যান্য কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার মাধ্যমে যখন রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করছে তখন তাদের দুধের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে।কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে কিসি শহরে কিছু কৃষক এই সুফল পেয়েছেন।</p>
<p>এফ এ ও বলছে যে কৃষকরা জানিয়েছে যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে মাছির মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে স্তনপ্রদাহের মতো যে রোগের বিস্তার দেখা যায় মশারির ব্যবহারে তা অর্ধেক কমে গেছে এবং তাদের পরিবারগুলোতেও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ কমেছে চল্লিশ শতাংশ।</p>
<p>ঐসব কৃষকদের একজন মেরি ওয়েন্ডো বলেন যে তাঁর গাভীগুলোর ওপর মাছির উৎপাতের কারণে তাঁর অনেক ভোগান্তি হচ্ছিলো। গরুর দুধ দোয়ানোর সময় সেগুলো সারাক্ষণ লাথি মারতো এবং দুধ ধরে রাখতো।</p>
<p>মেরি ওয়ান্ডো বলেন যে মশারি দেওয়ার পর থেকে আমি এখন সহজেই দুধ দোয়াতে পারছি এবং গাভীগুলোও সহজেই দুধ দিচ্ছে। দুধ দোয়ানোর সময় গাভীগুলো এখন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে এবং আমাকে আর ঝামেলা করে না।</p>
<p>এফ এ ও বলছে যে যেসব কীটনাশক মশারি পরিশোধনে ব্যবহার করা হয় তা পরিবেশবান্ধব এবং পোষা জীবজন্তুর গলার কলারে যেসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হয় এখানেও সেই একই পদার্থ ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সংস্থা জানায় আফ্রিকার অন্যান্য দেশ থেকেও প্রশিক্ষণার্থীরা এখন এবিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।</p>
<p><strong> প্রযুক্তি বিষয়ক বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যয়বহুল : ডাব্লু আই পি ও</strong></p>
<p>বিশ্ব মেধাস্বত্ত্ব সংস্থা &#8211; ডাব্লু আই পি ও বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে জানিয়েছে যে বিশ্বে প্রযুক্তিগত বিরোধের সংখ্যা কম হলেও সাধারণত তা নিষ্পত্তির বিষয়টি ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ।</p>
<p>ডাব্লুআইপিও বিশ্বের ষাটটি দেশের চারশোজনের মধ্যে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখেছে প্রযুক্তি বিষয়ক চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে বিরোধ দেখা দেওয়ার পরিমাণ দুই শতাংশেরও কম এবং এসব বিরোধ সাধারণত লাইসেন্স, গবেষণা এবং উন্নয়নের বিষয়গুলোতে যথেষ্ট তথ্য প্রকাশ না করার বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে।</p>
<p>তবে, বিরোধ দেখা দিলে তার আইনগত নিষ্পত্তির বিষয়টি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। স্বদেশে মামলায় গড়ে খরচ হয় চার লাখ পঁচাত্তর হাজার ডলার, আর বিদেশে এই খরচ দাঁড়ায় সাড়ে আট লাখ ডলার। এছাড়া, পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লাগে তিন বছরেরও বেশি।</p>
<p><strong> জাতিসংঘ কর্মকর্তার মিয়ানমারের দাঙ্গাপীড়িত অঞ্চল সফর</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2012/09/vijay-nambiar-myanmar-advisor.jpg" alt="" width="350" height="300" />মিয়ানমারের যে কেন্দ্রীয় শহর মেইকটিলায় বৌদ্ধ এবং মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গায় ত্রিশজনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন জাতিসংঘের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সম্প্রতি সেই অঞ্চল সফর করেছেন।</p>
<p>মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত, বিজয় নাম্বিয়ার মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান যে সেখানে সহিংসতার সময় তিনি দেশটিতে ছিলেন। মি নাম্বিয়ার বলেন যে সরকারের অনুমতি নিয়ে সপ্তাহান্তে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের &#8211; যাঁরা প্রধানত মুসলমান এবং এখন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন &#8211; তাঁদের সাথে কথা বলেছেন।</p>
<p>মি নাম্বিয়ার থাইল্যান্ড থেকে টেলিফোনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।</p>
<p>মি নাম্বিয়ার বলেন যে অনেকদিক থেকেই সেখানকার পরিস্থিতি বিপর্য্যয়কর, লোকজন মানসিকভাবে বিপর্য্যস্ত। তবে, একটা বিষয় আমি লক্ষ্য করেছি যে তারা খুবই অবাক হয়েছে।অনেক প্রজন্ম ধরে তারা সেখানে বৌদ্ধ প্রতিবেশীদের সাথে বসবাস করে আসছে এবং সেকারণে এটা তারা বুঝতে পারছে না এধরণের ঘটনা কেন ঘটলো।</p>
<p>মি নাম্বিয়ার বলেন যে তিনি যাঁদের সাথে কথা বলেছেন তাঁরা এমন ধারণাই দিয়েছেন যে হামলাকারীরা ছিলো বহিরাগত এবং তাঁদেরকে চেনা যায়নি। এটা স্পষ্ট যে তাঁদেরকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়েছে এবং হামলার শিকার হয়েছেন প্রধানত মুসলমানরা।</p>
<p>মি নাম্বিয়ার বলেন যে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে বৌদ্ধরাও ছিলেন কিন্তু, হামলার শিকার হয়েছেন প্রধানত মুসলমানরা এবং এটা মনে হয়েছে অত্যন্ত নিষ্ঠুর পন্থায় এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে।</p>
<p>মি নাম্বিয়ার জানান যে মিয়ানমার কতৃপক্ষ প্রায় কুড়িজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত চলছে।তিনি জানান যে তিনি প্রেসিডেন্ট থান শোয়ের সাথে দেখা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন যে কঠোরভাবে এধরণের সহিংসতার বিস্তার রোধ করা হবে।</p>
<p><strong> মৃত্যুদন্ড বন্ধের জন্য ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান</strong></p>
<p>জাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ আর্জাতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী মৃত্যুদন্ড বন্ধ রাখার জন্য ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p>বিচারবহির্ভূত ফাঁসি বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ র্যা পোর্টিয়ার, ক্রিষ্টোফার হেইনস বলেছেন যে একটি দেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের বাধ্যবাধকতা পূরণ না করে কোন মৃত্যুদন্ড কার্য্যকর করলে তা বেআইনী হিসাবে গণ্য হবে।</p>
<p>ইন্দোনেশিয়া সম্প্রতি মাদকসম্পর্কিত অভিযোগে চারবছরের মধ্যে প্রথম একজনের মৃত্যুদন্ড কার্য্যকর করেছে।</p>
<p>মি হেইনস জানান যে এবছরেই আরো কুড়িজনের মৃত্যুদন্ড কার্য্যকর করার কথা রয়েছে বলে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন।</p>
<p>জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ বলেন যে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে মৃত্যুদন্ড হচ্ছে চরম শাস্তি এবং তা শুধু উদ্দেশ্যমূলক হত্যাকান্ডের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে এবং ন্যয়বিচারের ভিত্তিতেই দেওয়া যায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/943/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শ্রীলংকার মানবাধিকার পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের উদ্বেগ</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/959</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/959#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 21 Mar 2013 20:43:12 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=959</guid>
		<description><![CDATA[শ্রীলংকার মানবাধিকার রেকর্ডের সমালোচনা করে একটি প্রস্তাবের খসড়া জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে গৃহীত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত এই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লংঘনের অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য শ্রীলংকা সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইলিন চেম্বারলিন বলেন যে শ্রীলংকা যতোটুকু অগ্রগতি অর্জন করেছে এই প্রস্তাবে তার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তবে এখনও অনেক কিছু করতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/959/humanrights-2" rel="attachment wp-att-961"><img class="alignleft size-medium wp-image-961" title="humanrights" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/03/humanrights-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>শ্রীলংকার মানবাধিকার রেকর্ডের সমালোচনা করে একটি প্রস্তাবের খসড়া জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে গৃহীত হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত এই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লংঘনের অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের জন্য শ্রীলংকা সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইলিন চেম্বারলিন বলেন যে শ্রীলংকা যতোটুকু অগ্রগতি অর্জন করেছে এই প্রস্তাবে তার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তবে এখনও অনেক কিছু করতে হবে।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত চেম্বারলিন বলেন যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অবনতিশীল মানবাধিকার পরিস্থিতির কারণে যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে তা মোকাবেলায় শ্রীলংকাকে অবশ্যই কার্য্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।</p>
<p>শ্রীলংকায় মানবাধিকার লংঘনের যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, শান্তিপূর্ণ সভা ও সংগঠনের অধিকারে বাধা দেওয়া।</p>
<p>মানবাধিকার পরিষদে শ্রীলংকার দূত, মহিন্দা সামারাসিংহে এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানান।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত সামারাসিংহে বলেন যে শ্রীলংকার জনগণের কল্যাণ বিষয়ে যাঁরা আন্তরিকভাবে উদ্বিগ্ন তাঁদের উচিৎ হবে এই পরিষদে আলাদা করে বিষয়টিতে মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব না দিয়ে সমঝোতার প্রক্রিয়াকে উৎসাহ দেওয়া।প্রস্তাবের পক্ষে পঁচিশটি রাষ্ট্র ভোট দেয়এ বং তেরোটি বিপক্ষে এবং ভোটদানে বিরত থাকে আটটি রাষ্ট্র।</p>
<p>এর একদিন আগে, বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের পক্ষে এক রিপোর্টে শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধকালীন মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগগুলোর বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক তদন্তের জন্য পুনরায় আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p>জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদে রিপোর্টটি পেশ করার সময় বলা হয় যে শ্রীলংকা মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগগুলোর বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক উপ-হাইকমিশনার মিস কিউং-হোয়া ক্যাং বলেন যে সমঝোতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় অনেক কিছুই করণীয় আছে।</p>
<p>মিস কিউং-হোয়া ক্যাং বলেন যে মহাসচিবের নিয়োজিত শ্রীলংকায় জবাবদিহিতা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেল মানবাধিকারের যেসব গুরুতর লংঘনের ঘটনা চিহ্নিত করেছে সেগুলোর বিষয়ে কোন অর্থপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি। সরকার যেসব সামরিক আদালত গঠন করেছিলো সেগুলো প্রয়োজনীয় স্বাধীনতার অভাবে সশস্ত্রবাহিনীকে অব্যাহতি দিয়েছে। এছাড়া, ২০০৬ এ ত্রিণকোমালিতে পাঁচজন ছাত্র এবং মুত্তুরে সতোরোজন মানবিক সেবাকর্মীকে হত্যার মতো অনেকগুলো পুরোনো অভিযোগের এখনও কোন নিষ্পত্তি হয় নি।</p>
<p>মিস কিউং-হোয়া ক্যাং বলেন যে গতবছরে বিচারক এবং আইনজীবিদের ওপর হামলার মাধ্যমে আইনের শাসনকে দূর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং মুসলমান ও খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p>
<p><strong>নেপালে দায়মুক্তির আইন সংশোধনে জাতিসংঘের আহ্বান </strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2012/06/navi-pillay.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, নাভি পিল্লাই নেপালে গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের দায়ে অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা দিয়ে একটি ট্রুথ এন্ড রিকন্সিলিয়েশন কমিশন গঠনের আইন প্রণয়নের বিষয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>তিনি একইসাথে আন্তর্জাতিক মানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন বিধানগুলো বাতিল করার জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p>মিস পিল্লাই বলেন যে এধরণের ক্ষমাঘোষণা বা দায়মুক্তি শুধু যে আন্তর্জাতিক আইনের মূলনীতিগুলোর লংঘনই নয়, তা নেপালের স্থায়ী শান্তিপ্রতিষ্ঠার ভিত্তিমূলকেও দূর্বল করে দেবে।</p>
<p>তিনি বলেন যে যাঁদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাদেরকে দায়মুক্তি দেওয়ার অর্থ হোল হাজার হাজার নেপালীকে সত্য এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা &#8211; যা টেকসই শান্তিপ্রতিষ্ঠার পথ উন্মোচনে সহায়ক হবে না।</p>
<p>১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্য্যন্ত সময়ে ঘটা মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য এই কমিশন গঠনের লক্ষ্যে গতসপ্তাহে নেপালের সরকার একটি আইন পাশ করে।</p>
<p>এক দশক ধরা চলা ঐ সহিংসতায় কমপক্ষে তেরো হাজার ব্যাক্তির প্রাণহানি ঘটে এবং এখনও তেরোশো জনের বেশী লোক নিখোঁজ রয়েছেন।</p>
<p><strong>অর্থাভাবে</strong><strong> </strong><strong>যক্ষানিরোধ</strong><strong> </strong><strong>কার্য্যক্রম</strong><strong> </strong><strong>হুমকির</strong><strong> </strong><strong>মুখে</strong><strong> </strong></p>
<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/959/tb-2" rel="attachment wp-att-962"><img class="alignleft size-medium wp-image-962" title="TB" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/03/TB1-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লু এইচ ও এবং গ্লোবাল ফান্ডস টু ফাইট এইডস, টিবি এন্ড ম্যালেরিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে যে যক্ষা মোকাবেলায় ইতোমধ্যে যে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে তা অর্থের অভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।বিশেষ করে ওষুধের কার্য্যকারিতারোধক নতুন জাতের রোগ মোকাবেলার কার্য্যক্রম এই হুমকির সম্মুখীন।</p>
<p>তাঁরা বলছেন যে টিবি নিরোধ এবং তার চিকিৎসার জন্য বছরে অন্ততে একশো ষাট কোটি ডলার প্রয়োজন।</p>
<p>ডাব্লু এইচ ও'র মহাপরিচালক, মার্গারেট চ্যান বলেছেন যে ১৯৯১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে পাঁচ কোটি একুশ লাখ যক্ষারোগীর সফল চিকিৎসা সম্ভব হয়েছে এবং দুই কোটি একুশ লাখ জীবন রক্ষা পেয়েছে।</p>
<p>তবে, তিনি হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন একাধিক ওষুধের কার্য্যকারিতারোধক যক্ষার আর্বিভাবের কারণে রোগচিহ্ণিত করা এবং উন্নত প্রতিষেধকের ব্যবস্থা করা না গেলে তা মারাত্মক হুমকি তৈরি করবে।</p>
<p>ডঃ চ্যান বলেন যে বিশ্বব্যাপী যক্ষায় আক্রান্ত নতুন রোগীদের চার শতাংশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তাদের রোগ একাধিক ওষুধের কার্য্যকারিতারোধক। এবং এর অর্থ হচ্ছে এসব এমডিআর যক্ষা একজনের দেহ থেকে সরাসরি অন্য আরেকজনের দেহে সংক্রমিত হচ্ছে।</p>
<p>ডঃ চ্যান বলেন যে কোন কোন দেশে দেখা যাচ্ছে নতুন রোগীদের ৩৫ শতাংশই এমডিআর টিবির শিকার। এথেকে সবাই ধারণা করতে পারেন যে কীধরণের বিপদের ঝুঁকিতে আমরা রয়েছি।মি চ্যান বলছিলেন যে যেসব দেশ যক্ষা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে আমাদেরকে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ঐসব দেশকে সাহায্য করা দরকার যেখানে এমডিআর টিবি একটি নিত্যকার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>যে ব্যাকটেরিয়ার কারণে যক্ষা হয় সেটি ১৮৮২ সালে যেই দিনে জার্মান বিজ্ঞানী ডঃ রবার্ট কচ আবিষ্কার করেছিলেন সেই চব্বিশে মার্চ বিশ্ব যক্ষা দিবস পালন করা হয়ে থাকে।</p>
<p><strong>ভাগাভাগিতেই সুখ</strong></p>
<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/959/happy_081-2" rel="attachment wp-att-963"><img class="alignleft size-medium wp-image-963" title="happy_081" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/03/happy_0811-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>আন্তর্জাতিক সুখ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন তাঁর বাণীতে বলেছেন মানবিক উদ্যমের মূলে রয়েছে সুখ অন্বেষণের বিষয়টি। তিনি বলেন যে বিশ্বের সব প্রান্তেই মানুষ ভয় এবং অভাব থেকে মুক্ত থেকে প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে পরিপূর্ণ এবং সুখময় জীবন প্রত্যাশা করে। কিন্তু, চরম দারিদ্র, সামাজিক- অর্থনৈতিক সংকট, সহিংসতা এবং অপরাধ, পরিবেশগত অবক্ষয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অব্যাহত হুমকির কারণে মৌলিক বস্তুগত কল্যাণ অধরাই থেকে যায়।</p>
<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব অনুসারে এবছরই বিশে মার্চ প্রথম বিশ্ব সুখ দিবস পালিত হয়।</p>
<p>জাতিসংঘের সুখ এবং মানসম্পন্ন জীবন বিষয়ক দূত লিও বোরম্যান দ্য ওর্য়াল্ড বুক অব হ্যাপিনেস নামের একটি বইয়ের সম্পাদক। মি বোরম্যান বলেন যে কোন দেশে মানবাধিকার না থাকলে সেখানে সুখী হওয়া সম্ভব নয়।তবে, বিশ্বের অনেক দেশই আছে যেখানে মানবাধিকার থাকলেও মানুষ সুখী নয়।</p>
<p>মানুষ কিসে সুখী হয় এমন এক প্রশ্নের জবাবে মি বোরম্যান বলেন যে কেউ যদি বলে সে সুখের সমাধান পেয়েছে , সে জানে যাদুকরী ফর্মূলা &#8211; তাহলে তাকে বিশ্বাস করবেন না &#8211; সে মিথ্যা বলছে।এধরণের কোন যাদুকরী ফর্মূলা নেই। নিজের সুখ খুঁজে নেবার জন্য বহুরকমের উপায় আছে।</p>
<p>সুখের সংজ্ঞা সম্পর্কে লিও বোরম্যান জানান যে বিশ্বে প্রায় তিন হাজার অধ্যাপক সুখ সম্পর্কে গবেষণা করেছেন।এক হাজার শব্দের মধ্যে সুখ এর বর্ণনা তুলে ধরার জন্য বিশ্বের দেড়শোটি দেশ থেকে প্রস্তাব আহ্বানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন যে একজন প্রফেসর সুখ সম্পর্কে তিনি যা জানেন তার সারসংক্ষেপ মাত্র দুটি শব্দে সংকলন করে দেন। আমরা জানতাম না যে সুখ হচ্ছে অন্য লোকজন সম্পর্কে। সুখ শুধু নিজেকে নিয়ে নয়।এটা অন্য কেউ। 'সুখ ভাগাভাগি' করে নেওয়াই হচ্ছে সুখ।</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/959/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের এক ধাপ উন্নতি</title>
		<link>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/909</link>
		<comments>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/909#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 14 Mar 2013 22:14:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kamal</dc:creator>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/?p=909</guid>
		<description><![CDATA[জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান গতবছরে একধাপ উন্নীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটিতে প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৩ 'র মানব উন্নয়ন সূচকের শীর্ষে গতবছরের মতোই আছে নরওয়ে। তারপর ক্রমানুসারে রয়েছে অষ্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র। সূচকের সর্বনিম্নে আছে নিজের, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং মোজাম্বিক। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি &#8211; ইউ এন ডি পি প্রণীত এই সূচকে গড় আয়ূ, [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/909/hdr2013-copy" rel="attachment wp-att-939"><img class="alignleft size-medium wp-image-939" title="hdr2013-copy" src="http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/wp-content/uploads/2013/03/hdr2013-copy-300x257.jpg" alt="" width="300" height="257" /></a>জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান গতবছরে একধাপ উন্নীত হয়েছে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটিতে প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৩ 'র মানব উন্নয়ন সূচকের শীর্ষে গতবছরের মতোই আছে নরওয়ে। তারপর ক্রমানুসারে রয়েছে অষ্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র। সূচকের সর্বনিম্নে আছে নিজের, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং মোজাম্বিক।</p>
<p>জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি &#8211; ইউ এন ডি পি প্রণীত এই সূচকে গড় আয়ূ, স্বাক্ষরতা, স্কুলে ভর্তি এবং মাথাপ্রতি মোট জাতীয় উৎপাদনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়।</p>
<p>দি রাইজ অব দি সাউথ : হিউম্যান প্রগ্রেস ইন এ ডাইর্ভাস ওয়ার্ল্ড শীর্ষক এই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নজিরবিহীন প্রবৃদ্ধি কোটি কোটি লোককে দারিদ্র থেকে বের করে আনার মাধ্যমে বিশ্বব্যবস্থার নতুন রুপ দিচ্ছে।</p>
<p>রিপোর্টে বলা হয় যে ২০১০ সালে চীন জাপানকে অতিক্রম করে বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির অবস্থান গ্রহণ করেছে।রিপোর্টের রচয়িতা খালিদ মালিক বলছিলেন যে এটা বড়ধরণের একটা পরিবর্তন।</p>
<p>মি মালিক বলেন যে বিষয়গুলোতে কীধরণের নাটকীয় পরিবর্তন ঘটছে তা তুলে ধরার জন্য যেটা বলা যায় তাহোল উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে যতোটা বাণিজ্য হয়েছে তার চেয়ে বেশী বাণিজ্য হয়েছে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর মধ্যে।এটা একটা বড় পরিবর্তন যা গত এক দশকে &#8211; কার্য্যত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘটেছে।</p>
<p>মি মালিক বলেন যে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত এবং চীন বা ব্রিকস দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির কথা সবাই বলে থাকেন , কিন্তু এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ঘটেছে এই ব্রিকসের বাইরেও প্রায় চল্লিশটি দেশে এবং সেসব জায়গায় মানবসম্পদ উন্নয়নের ধারা গতিলাভ করেছে।</p>
<p><strong> সড়ক নিরাপত্তার ভালো আইন আছে মাত্র ২৮টি দেশে</strong></p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা &#8211; ডাব্লুএইচ ও বলছে যে সড়ক দূর্ঘটনার কারণ মৌলিক ঝুঁকিগুলো মোকাবেলায় সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন রয়েছে খুব কম দেশেই।</p>
<p>সংস্থা বলছে যে বিশ্বব্যাপী সড়ক দূর্ঘটনায় প্রতিবছর দশ লাখেরও বেশী মানুষের মৃত্যু ঘটছে।</p>
<p>বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সংস্থার এক প্রতিবেদনে দেখা যায় যে ৮৮টি দেশ যেখানে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে , সেখানে ৮৭টি দেশে এই মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে।</p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অন্যতম পরিচালক, ইতিয়েন ক্রুগ বলেন যে সড়ক দূর্ঘটনা মানুষের সৃষ্টি এবং তা মোকাবেলায় কী করা প্রয়োজন সেটাও সবাই জানেন।</p>
<p>ইতিয়েন ক্রুগ বলেন যে আমি মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ীচালনা, গতিসীমা না মানা, সিটবেল্ট এবং মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে হেলমেট না পরা , শিশুদের জন্য বিশেষ আসনের ব্যবস্থা না করার মতো বিষয়গুলোর কথা বলছি। এগুলো হোল মৌলিক পাঁচটি আচরণগত কারণ।আমরা দেখেছি এসব মৌলিক কারণগুলোর দিকে নজর দিয়ে উপযুক্ত আইন রয়েছে এমন দেশ রয়েছে মাত্র আঠাশটি। এটা হোল বিশ্বের মোট দেশগুলোর মাত্র পনেরো শতাংশ এবং বিশ্ব জনসংখ্যার দিক থেকে এরা মাত্র সাত শতাংশ জনগোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করে। এর অর্থ হোল বিশ্বের জনসংখ্যার তিরানব্বুই শতাংশের জন্যই পর্য্যাপ্ত আইনগত সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই।</p>
<p>ইতিয়েন ক্রগ বলেন যে শুধু ভালো আইন থাকাটাই জরুরী নয় , সেগুলো প্রয়োগেরও ব্যবস্থা থাকতে হবে।</p>
<p><strong> দুর্নীতি মৃত্যু ঘটায়: জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/03/corruption1.jpg" alt="" width="350" height="300" />জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, নাভি পিল্লাই বলেছেন যে সব মানবাধিকার বাস্তবায়নের পথে দূর্নীতি যে একটি বিরাট বাধা সেবিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।</p>
<p>বুধবার জেনেভায় মানবাধিকার ভোগ করার ক্ষেত্রে দূর্নীতির নেতিবাচক প্রভাব বিষয়ে এক প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে পিস পিল্লাই বলেন যে স্বচ্ছ্বতা, জবাবদিহিতা, বৈষম্যহীন এবং সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে সব সম্প্রদায়ের অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের বিষয়গুলোর মতো মানবাধিকারের মৌলিক নীতিগুলো লংঘন করে দূর্নীতি।</p>
<p>মিস পিল্লাই বলেন যে দূর্নীতি মৃত্যু ঘটায়। দূর্নীতির মাধ্যমে প্রতিবছর যে পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয় তা বিশ্বের সব ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের আশি গুণেরও বেশী।</p>
<p>মিস পিল্লাই বলেন যে প্রতিরাতে প্রায় সাতাশি কোটি লোক ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যায় &#8211; যাদের অনেকেই শিশু। দূর্নীতি তাদেরকে খাদ্যের অধিকার এবং কোন কোন ক্ষেত্রে জীবনধারণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে।</p>
<p>মিস পিল্লাই বলেন যে শুধু দূর্নীতি এবং চুরির কারণে বিশ্বব্যাপী নিরাপদ খাওয়ারর পানি সরবরাহ এবং পয়নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার প্রকল্পের ব্যয় চল্লিশ শতাংশ বেড়ে যায় ।</p>
<p>মিস পিল্লাই বলেন যে উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের ওপর দূর্নীতির প্রভাব বহুমাত্রিক এবং সেকারণে এর জবাবও বহুমাত্রিক হওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>২০০০ সাল থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে বেআইনীভাবে অর্থপাচার হয়েছে ৮৪ হাজার চারশো কোটি ডলার &#8211; যা ঐসব দেশের মোট প্রাপ্ত সাহায্যের দশগুণ।</p>
<p><strong> উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে অভিবাসীদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা &#8211; আই ও এম এর প্রধান, উইলিয়াম লুসি সুইং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একান্নটি দেশের সরকারী প্রতিনিধিদের এক সভায় বলেছেন যে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে অভিবাসীরা টাকা পাঠানোর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।</p>
<p>সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা ২০১৫'র পর কী হবে সেবিষয়ে জাতিসংঘ যে বিশ্বব্যাপী এগারোটি বিষয়ভিত্তিক পরামর্শসভা আয়োজন করেছে তার অংশ হিসাবে ঢাকায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>আই ও এম'র মুখপাত্র জুম্বে ওমর জুম্বে বলেন যে ২০১৫ সালের মধ্যে দৈনিক এক ডলারের নীচে জীবনযাপন করা দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনাসহ সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অনেক বিষয়ের ওপরই অভিবাসনের প্রভাব পড়ে থাকে।</p>
<p>জুম্বে ওমর জুম্বে বলেন যে আমরা যখন পরিসংখ্যান দেখি তখন দেখা যায় যে ২০১২ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আভবাসীরা যে টাকা পাঠিয়েছেন তার পরিমাণ চাল্লিশ হাজার ছশো কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে এবং এই পরিমাণটি উন্নত দেশগুলো থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যাওয়া প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং প্রত্যক্ষ সাহায্যের মোট অর্থের চেয়ে বেশী। এর মধ্যে শুধুমাত্র আফ্রিকার অংশই হচ্ছে ছয় হাজার কোটি ডলার।</p>
<p>জুম্বে ওমর জুম্বে বলেন যে এসব অর্থ শিশুশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা সহ সাধারণ কল্যাণমূলক খাতে কাজে লাগছে।</p>
<p><strong> দূর্যোগের ক্ষতি বেড়েই চলেছে : জাতিসংঘ</strong></p>
<p><img class="alignleft" src="http://www.unmultimedia.org/radio/english/wp-content/uploads/2013/03/disaster.jpg" alt="" width="350" height="300" />চরম দূর্যোগের কারণে শিল্প এবং ব্যাক্তিগত সম্পদের যে ক্ষতি হয়, ২০১২ সালে তা প্রথমবারের মতো পরপর তৃতীয় বছরে দশ হাজার শতকোটি ছাড়িয়ে গেছে। দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে জাতিসংঘ দপ্তর তার সর্বসাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য দিয়েছে।</p>
<p>দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে জাতিসংঘ দপ্তরের পরিচালক, এলিজাবেথ লংওয়ার্থ বলেন যে গত তেত্রিশ বছরের অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং নব্বুইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ক্ষয়ক্ষতির দিকে তাকালে দেখা যায় এটা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে গেছে এবং এর উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।</p>
<p>এলিজাবেথ লংওয়ার্থ বলেন যে আমরা যদি গতবছরের দিকে তাকাই যখন কোন শহর এলাকায় ব্যাপক আকারের ভূমিকম্প ঘটেনি &#8211; সেসময়েও আর্থিকক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক তেরো হাজার আটশো কোটি ডলার। দূর্ভাবনার বিষয় হোল গতবছর ছিলো অপেক্ষাকৃত কম দূর্যোগের বছর ।</p>
<p>দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে জাতিসংঘ দপ্তর জানায় যে গতবছর সবচেয়ে মারাত্মক দূর্যোগ ছিলো ডিসেম্বরে ফিলিপিন্সের টাইফুন ভোপা যাতে ১৯০০ জনের বেশী লোক মারা গেছেন।</p>
<p>সংস্থার হিসাবে ২০১২ তে বিশ্বে তিনশোর মতো দূর্যোগ ঘটেছে যাতে ৯৩০০ লোকের প্রাণহানি এবং ক্ষতি হয়েছে তেরো হাজার আটশো কোটি ডলার।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/909/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
