১৬:৪৫:৩৭

সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসে জীবনরক্ষা এবং অর্থসাশ্রয় হয়

শুনুন /

স্পেনের ক্যাটালেনিয়ায় সড়কে নিরাপত্তার নীতিমালা জীবনরক্ষা এবং অর্থসাশ্রয় উভয়ক্ষেত্রেই সহায়ক হয়েছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – ডাব্লু এইচ ও'র সর্বসাম্প্রতিক বুলেটিনে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে।

দুই হাজার থেকে দুই হাজার দশ সাল পর্য্যন্ত সময়ে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপগুলো এই গবেষণায় পরীক্ষা করা হয়। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে বর্ধিত পুলিশী নজরদারী, জরিমানা এবং উন্নত সড়ক অবকাঠামো।

এসব ব্যবস্থার ফলে সড়কে যানবাহনের মধ্যে সংর্ঘষের ঘটনা কমেছে ছাব্বিশ হাজারেরও বেশী এবং মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে প্রায় ষাট শতাংশ।এসময়ে আনুমানিক ব্যয় কমেছে প্রায় এক কোটি আশি লাখ ইউরো।

এই সমীক্ষার অন্যতম রচয়িতা ডঃ আনা গার্সিয়া আলটেস বলছেন যে তাঁর বিশ্বাস বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

ডঃ গার্সিয়া আলটেস বলেন যে দূর্ভাগ্যজনকভাবে বহু দেশেই সড়ক দূর্ঘটনা মৃত্যুর একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ।সুতরাং, এই বিশ্লেষণে আমরা সমস্যাটি সম্পর্কে সচেতন করার জন্য একে আমরা টাকার হিসাবে রুপান্তরিত করেছি।সুতরাং, অন্যান্য দেশেও আপনারা এ থেকে শিক্ষা নিতে পারেন, এসব নানারকমের নীতি অনুসরণ করতে পারেন এবং এই সমস্যাটিকে সচেতনভাবে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিতে পারেন।

ডঃ গার্সিয়া আলটেস বলেন যে ক্যাটালোনিয়ায় এখন গাড়ী চালানোর ক্ষেত্রে লোকজন যে সাবধানতা অবলম্বন করেন সেটাই এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

দারিদ্র মোকাবেলায় পরিবেশবান্ধব পর্য্যটন উৎসাহিত করার আহ্বান

জাতিসংঘের বিশ্ব পর্য্যটন সংস্থা – ইউ এন ডাব্লু টি ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই , পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব পর্য্যটনের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে গৃহীত প্রস্তাবকে মাইলফলক হিসাবে অভিহিতি করে তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

সংস্থার মহাসচিব, তালেব রিফাই বলেছেন যে সবকটি অঞ্চল এবং উন্নয়নের সবধারা থেকে প্রস্তাবটির উল্লেখযোগ্য সমর্থন লাভের বিষয়টি স্পষ্টতই প্রমাণ দেয় যে সবার ন্যায়তর এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য পরিবেশসম্মত পর্য্যটনের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

দারিদ্র দূরীকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে পরিবেশবান্ধব পর্য্যটনের উন্নয়ন শীর্ষক এই প্রস্তাবে সাধারণ পরিষদ সদস্য দেশগুলোর প্রতি পরিবেশবান্ধব পর্য্যটনকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানায়।

সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ৬০,০০০ ছাড়িয়ে গেছে : জাতিসংঘ

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্য্যালয়ের পক্ষে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে সিরিয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে চলা সংঘাতে ষাট হাজারেরও বেশী লোকের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ই র্মাচ ২০০১ থেকে ৩০শে নভেম্বর ২০১২ পর্য্যন্ত সময়ে নিহত বলে কথিত এক লাখ পঁয়তাল্লিশ হাজার লোকের নামের সমন্বিত তালিকা ব্যবহার করে এই বিশ্লেষণ কাজ পরিচালিত হয়।

নিহতের নামের প্রথম এবং শেষ অংশ. মৃত্যুর তারিখ এবং ঘটনার স্থান পুরোপুরি চিহ্ণিত করার মাধ্যমে এই যাচাইকরণ সম্পন্ন করা হয়।

জেনিভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র রুর্পাট কলভিল বলেন যে এটি একটি বড় সংখ্যা। এটি অন্যান্য যেসব তালিকা আছে সেগুলোর চেয়ে অনেক বেশী। কারণ, আমরা একটি নয় সাতটি তালিকা দেখেছি। এবং এটা সত্যিই বিস্ময়কর। সবাই চল্লিশ হাজার, পঞ্চাশ হাজার সংখ্যা নিয়ে কাজ করছিলেন। কিন্তু, ষাট হাজার আমাদের সবার অনুমানকে ছাড়িয়ে গেছে। এবং বিশ্লেষকদের ধারণা এই সংখ্য আরো বাড়বে।

এই পর্য্যালোচনা সম্পন্ন করতে সময় লেগেছে পাঁচ মাস এবং সিরীয় সরকারসহ সাতটি সূত্র থেকে পাওয়া তালিকা সমন্বয় করে এই কাজটি করা হয়েছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর বলছে যে যদিও এটি হতাহতের সবচেয়ে বিশদ বিবরণ এবং ব্যাপকভিত্তিক তালিকা , তবুও কোনভাবেই তাকে নিশ্চিত একটি তালিকা বলা যাবে না, কারণ সিরিয়ায় অব্যাহত সংঘাতের কারণে প্রত্যেকটি মৃত্যুর যথাযথ বাস্তবতা যাচাই করা সম্ভব ছিলো না।

নারীর প্রতি সহিংসতারোধে ভারতে মৌলিক সংস্কারের আহ্বান

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, নাভি পিল্লাই তেইশবছর বয়েসী ভারতীয় এক তরুণী গত ষোলই ডিসেম্বর একটি বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

তিনি একইসাথে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন যে এই ভয়াবহ ঘটনার বিষয়টি ভারতে নারীদের ওপর সহিংসতার বিরুদ্ধে একটি মোড়ঘোরানো মুহুর্তে পরিণত হবে।

এক বিবৃতিতে মিস পিল্লাই বলেন যে এই জঘণ্য অপরাধের নিন্দায় তিনি ভারতের সর্বস্তরের জনগণের সাথে এক কাতারে শামিল হচ্ছেন এবং আশা করছেন যে ২০১৩ সাল ভারতে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ধারাকে উল্টে দিতে সক্ষম হবে এবং নারীরা সেখানে নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারবেন।

তিনি একইসাথে বলেন যে অপরাধ যতো ভয়াবহই হোক না কেন মৃত্যুদন্ড তার কোন প্রতিকার নয়, বরং, এজন্যে প্রয়োজন জনসচেতনতা এবং নারীদের স্বার্থে আরো কার্য্যকর এবং স্পর্শকাতর আইনের প্রয়োগ।

১৩৬ দিন জিম্মী থাকার পর দুজন শান্তিরক্ষীর মুক্তি

দার্ফুরে জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের যৌথ মিশন, ইউএনএএমআইডি'র দুজন শান্তিরক্ষীকে একশোদিনেরও বেশী সময় জিম্মী রাখার পর বুধবার মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

জর্ডনের এই দুই পুলিশসদস্যকে বিমানযোগে সুদানের রাজধানী খার্তুমে নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাঁরা অক্ষত ও সুস্থ রয়েছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

ইউএনএএমআইডি'র মুখপাত্র আইসা এলবাসরি বলেন যে যদিও এই শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যরা বিভিন্নসময়ে হামলা ও অপহরণের শিকার হয়েছেন , তবুও এই দুজনের ১৩৬ দিন জিম্মী থাকার রেকর্ডটি হচ্ছে সর্ব্বোচ্চ। তিনি জানান যে অপহরণকারীদের পরিচয় এখনও জানা যায় নি।

মিস এলবাসরি বলেন যে আমাদের কাছে এবিষয়ে কোন তথ্য নেই এবং সেকারণেই ইউএনএএমআইডি সুদান সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছে যাতে করে শুধু এই ঘটনার নেপথ্যে যাঁরা ছিলেন তাঁরা নন, এধরণের অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িতদেরও চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে এধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা যায়।

২০১২ সালের বিশে অগাষ্ট এই দুজন শান্তিরক্ষীকে অপহরণ করা হয়েছিলো।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন