১২:২৮:২৯

রাখাইনে জাতিসংঘের খাদ্য সাহায্য বিতরণ শুরু

শুনুন /

জাতিসংঘ শুক্রবার বলেছে যে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ আবারও শুরু হয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, ওর্য়াল্ড ফুড প্রোগ্রাম, ডাব্লু এফ পি'র মুখপাত্র বেট্টিনা লুশার বলছেন যে বত্রিশ হাজার ব্যাক্তি খাদ্য সাহায্য পেয়েছেন এবং তাঁর সংস্থা আরও ছত্রিশ হাজার জনের কাছে সাহায্য পৌঁছানোর পরিকল্পনা করছে।

বেট্টিনা লুশার বলছিলেন যে আমরা গত কয়েক সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে বত্রিশ হাজার মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। আমরা স্থানীয় সরকার, স্থানীয় বেসরকারী সংস্থা বা এনজিওর সঙ্গে কাজ করছি এবং মাঠ পর্যায়ে ডাব্লু এফ পি'র কর্মীরাও নিজস্ব বিতরণব্যবস্থায় খাদ্য সরবরাহ করছে। আমরা খাদ্যবহনকারী প্রতিটি চালানের সঙ্গে যাচ্ছি এবং প্রতিটি বিতরণ কার্য্যক্রমে উপস্থিত থাকছি যাতে এটি নিশ্চিত করা যায় যে খাদ্যসামগ্রী মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে।

ডাব্লু এফ পি'র মুখপাত্র বলেন খাদ্য বিতরণ এখনও চলছে এবং সংস্থা আশা করছে উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনে চলতি মাসে এই কার্য্যক্রম চলবে।

গত অগাস্টে কয়েকটি পুলিশ চৌকিতে হামলার পর পরিচালিত নিরাপত্তা অভিযানে ঐ রাজ্য থেকেই সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাড়ীঘর ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্যয় নিয়েছে।এই সংখ্যাটি জানিয়েছে আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা, আইওএম।

জাতিসংঘ উদ্বাস্তু সংস্থা, ইউএনএইচসিআর বলছে গত মাসেও বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে কুড়ি হাজারেরও বেশি আশ্রয়প্রার্থী আশ্রয় নিয়েছে এবং রাখাইন রাজ্য থেকে এখনও মানুষ আসছে।

এদিকে, বাংলাদেশে আশ্রয় শিবিরে প্রাণঘাতি ডিপথেরিয়া রোগের প্রার্দূভাব ঘটেছে যা মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডাব্লু এইচ ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে। এই সংক্রামক রোগে এপর্য্যন্ত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একশো দশজনের অসুস্থতায় এই রোগের সংক্রমণ সন্দেহ করা হচ্ছে।

বায়ু দূষণে শিশু মৃত্যুর র্শীষে দক্ষিণ এশিয়া

বিশ্বে এক বছরের কমবয়েসী প্রায় এক কোটি সত্তুর লাখ শিশু এমন এলাকায় বাস করছে যেখানে বায়ু দূষণের পরিমাণ আর্ন্তজাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি যার ফলে ঐসব শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এদের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রায় এক কোটি কুড়ি লাখই অবশ্য দক্ষিণ এশিয়ায়।

গত ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউনিসেফ এর প্রকাশিত এক গবেষণায় একথা বলা হয়েছে।

বায়ুদূষণকে শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে নিউমোনিয়াতেই মৃত্যু হয় নয় লাখ কুড়ি হাজার শিশুর।

বায়ু দূষণই অ্যজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য সংক্রমণ এবং রোগের কারণ।

২০৫০ সালে বিশ্বে ডিমেনশিয়া রোগীর সংখ্যা তিনগুণ হবে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ওর্য়াল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বলছে যে বিশ্বে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০৫০ সাল নাগাদ তিনগুণ হয়ে পনেরো কোটিতে দাঁড়াবে।

ডিমেনশিয়ার কারণে স্মৃতিনাশ এবং মানসিক সামর্থ্য হ্রাসসহ নানাধরণের সমস্যা দেখা দেয়।

ডিমেনশিয়ার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই প্রথমবারের মত সরকারসমূহের প্রতি এবিষয়ে পরিসংখ্যান তৈরি ও তা সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছে।

বৈশ্বিক ডিমেনশিয়া অবজারভেটরি নামে সংস্থার পরিচালিত উদ্যোগে এপর্য্যন্ত একুশটি দেশ অংশ নিয়েছে।

সংস্থার একজন মুখপাত্র ড: তরুণ দুয়া বলেছেন যে আগামী বছরের শেষ নাগাদ পঞ্চাশটিরও বেশি দেশ এই উদ্যোগে শামিল হবে বলে তিনি আশা করছেন।

জেরুজালেম প্রশ্নে একতরফা সিদ্ধান্ত শান্তিপ্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর

ইজরায়েলী এবং ফিলিস্তিনীদের মধ্যে শান্তির সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি গুরুত্বর্পূণ বলে শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের একজন জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা।

মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ সমন্বয়কারী নিকোলাই ম্লাদেনভ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পটভূমিতে সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিরাপত্তা পরিষদে কূটনীতিকদের অবহিত করেন।

তিনি জানান যে ঐ সিদ্ধান্তের পর ব্যাপকভিত্তিক প্রতিবাদ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে এবং অন্তত একজন ফিলিস্তিনী নিহত এবং একশো চল্লিশ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

জেরুজালেম ইজরায়েলী এবং ফিলিস্তিনী উভয়ের জাতীয় পরিচয়ের অংশ এবং তা সবসময়েই বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করে মি ম্লাদেনভ তাঁর বক্তব্য শুরু করেন।

তিনি বলেন জাতিসংঘ সবসময়েই বলে এসেছে যে শহরটির অবস্থান এবং চরিত্র বদলে দেওয়ার যেকোন একতরফা চেষ্টা শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং পুরো অঞ্চল জুড়ে তার বিরুপ প্রতিক্রিয়ার আশংকা রয়েছে।

মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ান প্রচারিভযান শুরু

মানবাধিকার সবার, কিন্তু ১৯৪৮ সালে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় সব মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার অঙ্গীকার করা হলেও বিশ্বব্যাপী তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

১০ ডিসেম্বর আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার দিবসের প্রাক্কালে এক বাণীতে একথা বলেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যেইদ রাদ আল হুসেইন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস বলেছেন জাতিসংঘের তিনটি স্তম্ভের একটি হচ্ছে মানবাধিকার এবং অন্য দুটি হচ্ছে শান্তি ও উন্নয়ন।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন