১৪:০৮:৫১

যক্ষা অবসানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের নয়া অঙ্গীকার

শুনুন /

টেকসই উন্নয়নের যুগে যক্ষার অবসান ঘটাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন, ডাব্লুএইচও'র আহ্বানে বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা মস্কোয় এক বৈঠকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়েছেন।

দুদিনের বৈঠকের শেষদিন শুক্রবার, সতেরোই নভেম্বর, সংস্থার মহাপরিচালক, ড: টেড্রস অ্যাধানম ঘেব্রেইসুস বলেন যে যক্ষার অবসান ঘটানোয় আজকের দিনটি একটি গুরুত্বর্পূণ মাইলফলক। প্রাচীনকালের এই ঘাতকব্যাধির দূর্ভোগ এবং মৃত্যু বন্ধে দীর্ঘপ্রত্যাশিত বৈশ্বিক অঙ্গীকারের ইঙ্গিত মিলেছে এই দিনে।

সম্মেলনে গৃহীত মস্কো ঘোষণায় ২০১৮ সালে রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছ থেকে আরও অঙ্গীকারের আশা করা হচ্ছে।

যক্ষা প্রতিরোধযোগ্য হলেও বিশ্বে র্শীষ যে দশটি রোগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটে থাকে এটি তার অন্যতম।

রাশিয়ায় সংস্থার মুখপাত্র হলেন মেলিতা ভুজনোভিচ।

মেলিতা ভুজনোভিচ বলছিলেন যে আরেকটি গুরুত্বর্পূণ ক্ষেত্র হচ্ছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং উদ্ভাবন। বহু যুগ ধরেই আমরা যক্ষার জন্য নতুন কার্য্যকর কোনো ওষুধ পাইনি এবং যক্ষার জীবাণু ক্রমশই ওষুধপ্রতিরোধী হয়ে উঠছে। আমাদের রোগচিহ্নিতকরণের নতুন ব্যবস্থা প্রয়োজন, আমাদের নতুন প্রতিষেধক দরকার যা সারাজীবনের জন্য কার্য্যকর থাকবে।

বিশ্বে শিশু শ্রমিক ১৫ কোটি, বলছেন আইএলও প্রধান

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, আইএলও'র প্রধান ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্ব থেকে শিশু শ্রম অবসানের জন্য সব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি জানান বিশ্বে বর্তমানে প্রায় পনেরো কোটি কুড়ি লাখ শিশু শ্রমিক রয়েছে।

শিশু শ্রম দূরীকরণে টেকসই ব্যবস্থা বিষয়ক চর্তূথ বৈশ্বিক সম্মেলনে আইএলও'র মহাপরিচালক গাই রাইডার আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ার্সে মঙ্গলবার চৌদ্দই নভেম্বর বলেন যে প্রতি দশটি শিশুর মধ্যে একজন শ্রমে নিয়োজিত রয়েছে এবং শিশুশ্রমিকদের অর্ধেকই ঝুঁকির্পূণ কাজ করছে।

মি রাইডার বলেন যে শিশুশ্রম বন্ধে একটি সমন্বিত কৌশল প্রয়োজন, যাতে এর কারণগুলোর দিকে নজর দিতে হবে, শুধু উপসর্গে নয়।

এই কৌশলের অংশ হচ্ছে শিশুশ্রম বিষয়ে আন্তর্জাতিক মান, দারিদ্রের বিরুদ্ধে সামাজিক সুরক্ষা এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা।

ধরিত্রীর সবুজায়নে বাণিজ্যও গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা রাখতে পারে

জাতিসংঘের একজন জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা বলেছেন যে ধরিত্রীর সবুজায়ন বা তাকে আরও পরিবেশবান্ধব করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য একটি গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা, আংকটাড এর উপ-মহাসচিব ইসাবেল ডুরান্ড জার্মানির বনে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে বলেন যে ক্ষতিকর র্কাবন গ্যাসের ছাপ ফেলার কারণে প্রায়শই বৈশ্বিক বাণিজ্যকে ক্ষতিকর হিসাবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

শুক্রবার, সতেরোই নভেম্বর তিনি বলেন যে  বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হার কমানোতেও বাণিজ্য সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

মি ডুরান্ড বলছিলেন যে একথা সত্য যে আমাদের র্কাবন গ্যাসের ছাপ কমাতে হবে। কিন্তু, বাণিজ্য সমাধানেরও অংশ হতে পারে। কেননা, আপনি যদি দেশগুলোর সম্পদের স্থানীয় বা অঞ্চলভিত্তিক বাণিজ্যের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেন  তাহলে দেশগুলোর সামনে নতুন পথ বা সুযোগ বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।নবায়নযোগ্য জ্বালানি কিম্বা নতুন প্রযুক্তি অনুন্নত দেশগুলোর আইনগত সমস্যা এড়াতেও কাজে লাগানো সম্ভব এবং আমরা অতীতে তা করেছি।

মি ডুরান্ড উন্নয়নশীল দেশগুলোতে উন্নত ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান যাতে শিল্পোন্নত দেশগুলো অনেকটাই সফল হয়েছে – বিশেষ করে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে।

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে উদ্বাস্তু ঘনত্ব বিপজ্জনক মাত্রায়: ইউএনএইচসিআর

বাংলাদেশের অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরগুলোতে জড়ো হতে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঘনত্ব বেড়েই চলেছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক সংস্থা, ইউএনএইচসিআর। সংস্থা শুক্রবার সতেরোই নভেম্বর এই হুঁশিয়ারি দেয়।

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে গত অগাষ্টের শেষদিকে শুরু হওয়া সহিংসতার পর থেকে আনুমানিক প্রায় ছয় লাখ কুড়ি হাজার শরণার্থী তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

অনেকগুলো সংস্থার সমন্বয়ে প্রণীত রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার পরিকল্পনা, রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্ল্যান এপর্য্যন্ত প্রায় চৌদ্দ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা লাভ করেছে, যা উদ্ভুত মানবিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় চাহিদার মাত্র এক – তৃতীয়াংশ।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় মানবাধিকার ও আইনের শাসন গুরুত্বর্পূণ

মানবাধিকারের স্বীকৃতি এবং আইনের শাসন সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় খুবই গুরুত্বর্পূণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যন্টোনিও গুতেরেস।

মি গুতেরেস গত বৃহস্পতিবার ষোলোই নভেম্বর যুক্তরাজ্যের রাজধানীতে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে এক বক্তৃতায় একথা বলেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব জানান গত বছর বিশ্বে সন্ত্রাসবাদী হামলায় পঁচিশ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন আরো তেত্রিশ হাজার।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন