১২:৩৭:২৬

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ড্যাগের মৃত্যুর তদন্ত চালানোর আহ্বান

শুনুন /

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ড্যাগ হ্যামারশোল্ড

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ড্যাগ হ্যামারশোল্ডকে বহনকারী বিমানটি বাইরের কোনো আক্রমণের শিকার হয়ে ভূপতিত হওয়ায় তাঁর এবং তাঁর সহযাত্রীদের মৃত্যু হয়েছিল এমন সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়া যায় না।

ঐ বিমান ভূপতিত হওয়ার বিষয়ে নতুন পাওয়া তথ্যগুলো পর্যালোচনার জন্য জাতিসংঘের গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস গত বুধবার পঁচিশে অক্টোবর সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাছে হস্তান্তর করেছেন।

প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন তাঞ্জানিয়ার একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ শাঁদ ওথমান।

বিশেষজ্ঞরা এবিষয়ে একমত যে মি হ্যামারশোল্ড এবং তাঁর সফরসঙ্গীদেরকে বিমান অবতরণের পর হত্যা করা হয়নি এবং তাঁদের মৃত্যুর কারণ বিমানটি ভূপতিত হওয়ার সময়ে বা তার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁরা যে আঘাত পেয়েছেন সেসব ক্ষত থেকেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।

জাতিসংঘের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক বলেন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই পাইলটের ভুলের কারণে বিমানটি দূর্ঘটনায় নিপতিত হয় এটি যেমন সম্ভব, তেমনি অন্য মানবীয় কারণেও তা নিপতিত হওয়ার বিষয়টিও বিশ্বাসযোগ্য। এসব মানবীয় কারণের মধ্যে বৈমানিকের অবসাদগ্রস্ততার সম্ভাবনাও রয়েছে।

মি হক বলছিলেন যে বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে মহাসচিব মনে করেন যে এখনো পর্য্যন্ত জাতিসংঘের কাছে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে তা ঐ বিমান দূর্ঘটনার কারণ বা কারণসমূহ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।মহাসচিব আরও মনে করেন যে গুরুত্বর্পূণ আরও অতিরিক্ত তথ্য থেকে যাওয়া খুবই সম্ভব।

প্রতিবেদনে মহাসচিবকে এই বিমান ভূপতিত হওয়ার বিষয়ে আরও তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে প্রমাণ দেওয়ার ভার এখন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর, যাদের কাছে এখনও এমন স্বাক্ষ্য-প্রমাণ থেকে থাকতে পারে যা একেবারেই অজানা।

সুইডিশ নাগরিক ড্যাগ হ্যামারশোল্ড ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব নিযুক্ত হন।

তিনি তৎকালীন কঙ্গোতে একটি শান্তি মিশনে যাওয়ার সময়ে ১৯৬১ সালের ১৭'র মধ্যরাত থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের ভোরের মধ্যে কোনো একসময়ে বিমান দূর্ঘটনায় নিহত হন।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন