১৪:২৫:০৩

ডেঙ্গু জ্বরের মহামারীর হুশিয়ারী দিলো ডাব্লু এইচ ও

শুনুন /

মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, ডেঙ্গু নগরায়ন এবং অভিবাসনের কারণে বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা , ডাব্লুএইচ ও।

গত পঞ্চাশ বছরে এর বৃদ্ধি ঘটেছে প্রায় ত্রিশ গুণ উল্লেখ করে সংস্থা বলছে প্রতিবছর দশ কোটির মতো সংক্রমণের ঘটনা নথিভূক্ত হচ্ছে। বিশ্বের অর্ধেক লোক যেসব দেশে বাস করেন, ডেঙ্গু সেসব দেশের আঞ্চলিক রোগ।

ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি নতুন বৈশ্বিক নীতিকৌশল প্রকাশ করেছে যাতে আগামী আট বছরে ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

সংস্থার বিজ্ঞানী রমন ভেলাউধান বলেন যে এই রোগ মোকাবেলায় এখন পর্য্যন্ত খুব কমই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মি ভেলাউধান বলেন যে বিশ্বের যে দুটি এলাকায় এটি খুব ব্যপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে সে দুটো হোললাতিন আমেরিকা এবং দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মগাসাগরীয় এলাকা।

মি ভেলাউধান বলেন যে আফ্রিকার বাইশটি দেশ থেকেও আমরা ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটার খবর পেয়েছি। এবং ২০১০ সাল থেকে ইউরোপেও স্থানীয় ভিত্তিতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটেছে।

তিনি বলেন যে এই সংক্রমণ রোধে সরকারগুলো এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোকে আরো বেশী মনোযোগী হতে হবে এবং এই খাতে সম্পদ বিনিয়োগ করতে হবে।

প্যারা অলিম্পিককে প্রতিবন্ধীদের ক্ষমতায়ন অন্তর্ভূক্তির উৎসব

২০১২ লন্ডন প্যারা অলিম্পিককে প্রতিবন্ধীদের ক্ষমতায়ন এবং মূলধারায় অন্তর্ভূক্তির উৎসব হিসাবে অভিহিত করে তার প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য ক্রীড়া বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা, উইলফ্রেড লেমকে ।

লন্ডনের অলিম্পিক পল্লীতে প্যারা অলিম্পিক প্রাচীর উদ্বোধনের সময় তিনি বলেন যে ক্রীড়া হচ্ছে সাম্য সৃষ্টির এক চমৎকার মাধ্যম এবং এটা সবাইকে প্রতিযোগীতার জন্য সমতল ভূমি তৈরি করে দেয়।

চর্তূদশ এই প্যারা অলিম্পিকে ১৬৬টি দেশের ৪২০০ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন।

পানির নিরাপত্তা ছাড়া খাদ্যে নিরাপত্তা অসম্ভব : এফ এ ও

খাদ্য উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়ায় অপচয় এড়িয়ে পানি ব্যবহারে আরো দক্ষতা প্রয়োজন বলে বলছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা , এফ এ ও।

সোমবার সুইডেনের ষ্টকহোমে বিশ্ব পানি সপ্তাহের শুরুতে এফ এ ও' র প্রধান জোসে গ্রাযিয়ানো ডি সিলভা বলেন যে পানির নিরাপত্তা ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করা অসম্ভব।

এফ এ ও বলছে যে ২০০৭ সাল থেকে কোন কোন অঞ্চলে উপুর্যপুরি খরার কারণে বিশ্বের খাদ্য উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পরিণতিতে খাদ্যের দাম উর্ধ্বমুখী হয়েছে।

এফ এ ও প্রধান হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন যে পানির অভাব এবং পরিবেশ দূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদনের প্রধান প্রধান ব্যবস্থা হমকির মুখে পড়ছে।

তিনি বলেন যে বিশ্বে বিশুদ্ধ পানির সত্তুর ভাগই ব্যবহৃত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদনে ।

বাংলাদেশে উন্নয়ন সহায়তায় বহুভাষিক শিক্ষা কার্যক্রম

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রায় পনেরো লাখ বৈচিত্রপূর্ণ আদিবাসী অধ্যূষিত অঞ্চলের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ঐ অঞ্চলে মৌলিক শিক্ষা কার্যক্রমে ২০০৩ সাল থেকে সহায়তা করে আসছে জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা , ইউ এন ডি পি।

এই শিক্ষা কার্যক্রমের মূলে রয়েছে সেটিকে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের কাছে সহজলভ্য এবং প্রাসঙ্গিক করে তোলা । যেকারণে সেখানে প্রায় দেড়শোটি স্কুলে পরিচালিত হচ্ছে বহুভাষিক শিক্ষা কার্যক্রম।

বাংলাদেশে ইউএনডিপির সেবা প্রদান বিভাগের প্রধান প্রশান্ত ত্রিপুরা জানান যে এই অঞ্চলের শিশুরা শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাষাগত বাধার সম্মুখীন হন এবং সেকারণে মাতৃভাষাভিত্তিক বহুভাষিক কার্য্যক্রমের মাধ্যমে এসব শিশুদের শিক্ষা দেবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ।

মি ত্রিপুরা বলেন যে, মূলত ধারণাটা হচ্ছে এই যে আস্তে আস্তে তাদের মধ্যে বাংলার প্রচলন করা যাতে করে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার সময় তারা বাংলা রপ্ত করতে পারে এবং শিক্ষার মাধ্যম হিসাবে তারা বাংলায় জাতীয় শিক্ষা পাঠক্রম অনুসরণে সক্ষম হয়।

স্কুলে ভর্তির হার যেখানে খুব কম এবং ক্লাশ থেকে ঝরে পড়ার হার বেশী সেই অঞ্চলে কৌশলটি ভালোই কাজ করছে। বহুভাষিক শিক্ষক সুচিত্রা ত্রিপুরা বলেন যে এই কার্য্যক্রমের গুরুত্ব সবাই উপলব্ধি করছেন।

সুচিত্রা ত্রিপুরা বলেন যে ইউ এন ডি পির কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে এবং ঐ অঞ্চলের শিশুরা এখন মাতৃভাষা শিখতে পারার কারণে নিয়মিত স্কুলে আসতে আগ্রহী হচ্ছে।

২০১৫ এর মধ্যে বিশ্বে সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করার যে লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ কাজ করছে তার অংশ হিসাবেই বাংলাদেশে ইউ এন ডি পি এই কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের দুজন কর্মীর কারাদন্ড

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত জুন মাসের সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় জড়িত থাকার কথিত অভিযোগে জাতিসংঘের দুজন কর্মী এবং তাদের একজন সহযোগীকে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের মুখপত্র, মার্টিন নেসরিকি বলেন যে এবিষয়ে মিয়ানমার সরকারের তরফ থেকে জাতিসংঘকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয় নি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে কতৃপক্ষের এধরণের ব্যবস্থা নেবার আগে জাতিসংঘকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত অভিযোগ জানানো প্রয়োজন ছিলো।জাতিসংঘ মুখপত্র বলেন যে আন্তর্জাতিক সনদ অনুযায়ী আটক কর্মীদের প্রতি যথাযথ আচরণ করা উচিৎ এবং তাদের দায়মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলে তাদেরকে তা দিতে হবে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন