৯:২৬:৪৮

জোটনিরপেক্ষ শীর্ষসম্মেলনে অংশ নেবেন বান কি মুন

শুনুন /

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন জানিয়েছেন যে তিনি আগামী সপ্তাহে ইরানে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন জোটনিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন।

এক বিবৃতিতে মি বান বলেন যে নিরস্ত্রীকরণ, সংঘাত ঠেকানো এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে রিও প্লাস টোয়েন্টি বাস্তবায়নের মতো বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য এই শীর্ষ সম্মেলন একটি সুযোগ এনে দিয়েছে।

এবিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র মার্টিন নেসরিকি বলেন যে ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্র সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ এবং প্রত্যাশার বিষয়গুলো মহাসচিব সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য এই সুযোগকে কাজে লাগাবেন – কেননা ইরানী জনগণের কল্যাণে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য এবিষয়ে সহযোগিতা এবং অগ্রগতি অর্জন করা জরুরি।

মি নেসরিকি বলছিলেন যে এসব বিষয়ের মধ্যে ইরানের পরমাণূ কর্মসূচি, সন্ত্রাসবাদ, মানবাধিকার এবং সিরিয়ার সংকটও অন্তর্ভূক্ত।

আগামী ২৯ থেকে ৩১ শে অগাষ্ট পর্যন্ত ইরানের রাজধানী তেহরানে জোটনিরপেক্ষ শীর্ষসম্মেলন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

খরা মোকাবেলায় নীতি প্রণয়নের আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খরার প্রকোপ আরো ব্যাপক, ঘন ঘন এবং দীর্ঘমেয়াদী হবে বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা, ডাব্লু এম ও ।সংস্থাটি বলেছে যে এর ফলে খাদ্য, পানি, স্বাস্থ্য এবং জ্বালানীসহ বহুক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে।

ডাব্লু এম ও বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর প্রতি খরা মোকাবেলায় জোরালো জাতীয় নীতি গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থা জানায় বিশ্বের বিভিন্ন অংশ এখন খরার কবলে এবং এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র যখন থেকে আবহাওয়ার রেকর্ড রাখা শুরু হয় সেই ১৮৯৫ সালের পর থেকে সবচেয়ে বেশী সময়- বারো মাস ধরে খরার মধ্যে রয়েছে। সংস্থা বলছে ভারতেও খরার কারণে খাদ্য উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ডাব্লু এম ও'র আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং প্রস্তুতি বিভাগের প্রধান ডঃ মানাভা শিভাকুমার বলেন যে ঝুঁকি নির্ণয় এবং আগাম সতর্কতার মতো বিষয়গুলো নীতিমালার অংশ হওয়া উচিৎ ।

ডঃ শিভাকুমার বলেন যে আমরা আশা করি যে এখন থেকে কয়েক বছর পর যদি আবারো একইধরণের খরা দেখা দেয় তাহলে সেখানে এমনসব নীতি কার্য্যকর থাকবে যাতে করে খরায় যেসব গোষ্ঠী সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হন তাঁরা প্রয়োজনীয় সাহায্য পেতে পারেন।

ডঃ শিভাকুমার বলেন যে খরায় সবচেয়ে ক্ষতির শিকার হন দরিদ্র জনগোষ্ঠী – যাঁদের অধিকাংশই শিক্ষিত নন এবং তাঁরা জানেন না যে কোথায় যাওয়া প্রয়োজন।এবং এধরণের একটা নীতি , আমাদের বিশ্বাস, এধরণের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে খুবই কার্য্যকর হবে।

জাতীয় খরা নীতি বিষয়ে আগামী বছরের মার্চ মাসে একটি উচ্চপর্য্যায়ের বৈঠকের পরিকল্পনার কথাও ডঃ শিভাকুমার ঘোষণা করেন।

অর্থনীতিতে নারীর ভূমিকা সীমিত থাকার কারণে ক্ষতি নয় হাজার কোটি ডলার

জাতিসংঘের এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন, এসক্যাপের প্রধান ডঃ নোয়লিন হেইযার মহিলা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণে আরো বেশী করে বিনিয়োগ করার জন্য ঐ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ক্যাম্বোডিয়ার রাজধানী প্নমপেনে উর্ধতন নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশ্যে এক বক্তৃতায় ডঃ নোয়লিন হেইযার এই আহ্বান জানান।

এসক্যাপের এক সমীক্ষা অনুযায়ী অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ সীমিত থাকার কারণে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষতি হচ্ছে বছরে প্রায় নয় হাজার কোটি ডলার।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হোল রাশিয়া এবং ভানুয়াতু

রাশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হয়েছে।রাশিয়ার পূর্ণ সদস্যপদ কার্যকর হয়েছে বুধবার আর ভানুয়াতু ডাব্লু টি ও'র ১৫৭ তম সদস্য হবে শুক্রবার।

ডাব্লু টি ও'র মুখপাত্র আনুশ দের বোঘোসিয়ান জানান যে প্রায় কুড়ি বছর ধরে আলাপ-আলোচনা চালানোর পর এই সদস্যপদ দেওয়ার পর্বটি সম্পণ্ন হচ্ছে ।

মি বোঘোসিয়ান বলেন যে নতুন এই সদস্য দেশের জন্য এটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি সমগ্র ডাব্লু টি ও'র জন্যও এটা গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এর ফলে শুধু নতুন এই দুই সদস্যরাষ্ট্র নয় বরং বিদ্যমান সব সদস্যরাষ্ট্রের জন্যই নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি হবে।

মি বোঘিাসিয়ান বলছিলেন যে এর ফলে এই দুটি দেশের সাথে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটা স্থিতিশীল এবং সহজে অনুমেয় একটা ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সমঝোতা করা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা একটি ফোরাম হিসাবে কাজ করে থাকে যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে।

সামুদ্রিক পরিবহন শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় নতুন সনদ

সামুদ্রিক পরিবহন শিল্পে নিয়োজিত নাবিক ও কর্মীদের অধিকার রক্ষায় নতুন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি আগামী এক বছরের মধ্যে কার্য্যকর হতে চলেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা , আই এল ও।

সংস্থা বলছে যে সামুদ্রিক পরিবহন শিল্পের শ্রম সনদে রাশিয়া এবং ফিলিপিন্স স্বাক্ষর করায় এটিতে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ত্রিশে দাঁড়ালো। এর ফলে এটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসাবে কার্য্যকর হবে।

বিশ্বব্যাপী এই শিল্পে কর্মরত প্রায় বারো লাখেরও বেশী শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় আই এল ও'র মেরিটাইম লেবার কনভেনশন গৃহীত হয় ২০০৬ সালে।

এই চুক্তিতে নাবিক বা সমুদ্রগামী কর্মীদের কাজের ঘন্টা, বিশ্রাম, আবাসন এবং বিনোদনের ব্যবস্থাসহ নিয়োগের ন্যূনতম শর্তগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে সামুদ্রিক পরিবহন শ্রমিকদের খাবার, স্বাস্থ্যরক্ষা, চিকিৎসা এবং সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন