৯:৩৩:৩৪

পূর্ব তিমুরে শান্তিরক্ষা মিশন এবছরেই শেষ হচ্ছে

শুনুন /

জাতিসংঘ মহাসচিব ব্যান কি মুন বলেছেন যে পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীবাহিনীর আর কোন প্রয়োজন নেই এবং চলতি বছরের পরের দিকে তাদের প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এশীয় এই দেশটিতে দু'দিনের এক সফরের শুরুতে মি ব্যান একথা বলেন।মি ব্যান বলেন যে ২০১১ সালের মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর থেকে পূর্ব তিমুর অনেকটা এগিয়েছে।

মি ব্যান বলেন যে এধরণের একটা ইতিবাচক পরিবেশের পটভূমিতেই এবছরের শেষ নাগাদ ইউ এন এম আই টিকে প্রত্যাহারের জন্য জাতিসংঘ প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তিনি বলেন যে ইউ এন এম আই টির প্রত্যাশিত বিদায়ের পটভূমিতে পূর্ব তিমুরে নতুন কি ধরণের ভুমিকা নেওয়া প্রয়োজন সেবিষয়ে দেশটির সহয়োগী সবার সাথে ব্যাপকভিত্তিক পরামর্শ করা হয়েছে।

মি ব্যান বলেন যে পূর্ব তিমুর তার স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে যে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে তাতে তারা জাতিসংঘের সমর্থন আশা করতে পারে।

শান্তিরক্ষীকে হত্যা দার্ফুরে জাতিসংঘ মিশনে বিচ্যূতি ঘটাবে না

একজন শান্তিরক্ষীর হত্যাকান্ড দার্ফুরের বাস্তুচ্যূত লোকজনকে রক্ষার দায়িত্ব থেকে দার্ফুরের জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের যৌথ মিশন ইউ এন এ এম ইউ ডিকে বিচ্যূত করতে পারবে না। সুদানের এই সংঘাতময় এলাকায় মিশনের কমিউনিটি পুলিশ কেন্দ্রে সোমবার একজন বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী নিহত হওয়ার পর ঐ মিশনের একজন মুখপাত্র একথা বলেছেন।

মুখপাত্র ক্রিষ্টোফার সিসমানিক জানান যে দক্ষিণ দার্ফুরের নায়লার ওটাশ পুলিশ ক্যাম্পে দুবৃত্তদের একটি দল গুলি ছুঁড়লে এই শান্তিরক্ষী নিহত হন এবং আরেকজন আহত হন। তিনি জানান যে ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে মোতায়েন হওয়ার পর থেকে এপর্যন্ত ইউ এন এ এম আই ডি'র ৩৮জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।

মি সিসমানিক বলেন যে আপনারা জানেন যে আমাদের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা আমাদের কাজ অব্যাহত রাখবো – গড়ে দৈনিক দুশোটি টহল দল দায়িত্ব পালন করে।

মি সিসমানিক বলেন যে একজন শান্তিরক্ষীকে হারানো মোটেও কোন স্বাভাবিক বিষয় নয়।সুতরাং, আমরা যে কাজটা ভালো করি – সেই টহল দেওয়ার কাজটা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন যে আমাদের ম্যান্ডেটের শর্ত অনুযায়ী দার্ফুরে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুহারা লোকজনসহ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে রক্ষায় আমাদের উপস্থিতি সেখানে অব্যাহত থাকবে।

মহাসাগর বিষয়ে জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ

মহাসাগর বিষয়ে জাতিসংঘের কার্যক্রমকে জোরদার করার লক্ষ্যে মহাসচিব ব্যান কি মুন ওশানস কমপ্যাক্ট নামে এক নতুন উদ্যোগের সূচনা করেছেন।

কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের ইওসুতে এক সমাবেশে মি ব্যান বলেন যে সাগর এবং মহাসাগরগুলো ধরিত্রীর জৈবপরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য জরুরী অনেক কিছুই ধারণ করে যেগুলো এখন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

এর জন্যে অপরাধমূলক কার্য্যকলাপের প্রসারকে দায়ী করে তিনি বলেন যে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে রিও প্লাস টোয়েন্টি সম্মেলনের ফলাফল হিসাবে ওশানস কমপ্যাক্ট সমৃদ্ধির জন্য মহাসাগরগুলো সংরক্ষণে সব সহযোগীদের মধ্যে সমন্বয়ের প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করবে।

অষ্ট্রেলিয়ায় ধূমপান বিরোধী রায়কে স্বাগত জানালো ডাব্লু এইচ ও

অষ্ট্রেলিয়ার হাইকোর্ট তামাক শিল্পের একটি আবেদন নাকচ করে দিয়ে যে রায় দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডাব্লু এইচ ও তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত পণ্য বাজারজাত করতে হলে কোনধরণের ব্রান্ডিং ছাড়া সাধারণ মোড়কে তা বিক্রি করার যে আইন অষ্ট্রেলিয়া প্রণয়ন করেছে তার বিরুদ্ধে প্রধান প্রধান তামাক কোম্পানীগুলোর বেশ কয়েকটি আদালতের দ্বারস্থ হয়।

অষ্ট্রেলিয়াই হচ্ছে প্রথম কোন দেশ যেখানে এবছরের ডিসেম্বর থেকে সিগারেট বেচা যাবে শুধুমাত্র জলপাই রঙ্গের সাদামাটা মোড়কে।ডাব্লু এইচ ও'র মুখপাত্র গ্লেন থমাস বলেন যে সাধারণ মোড়ক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা তামাক নিয়ন্ত্রণের একটা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

গ্লেন থমাস বলেন যে তামাক শিল্প এসব মোড়কে যেসব নির্দিষ্ট বার্তা তুলে ধরতে চায় সাধারণ মোড়ক সেই সুযোগকে সীমিত করে দেবে এবং সিগারেটের মোড়কে যেধরণের স্বাস্থ্যবিষয়ক হুঁশিয়ারি দেখতে চাই তার প্রভাবও বাড়বে।

মি থমাস বলেন যে সিগারেটের মোড়কে ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে যেসব ভিত্তিহীন এবং বিপথগামী করার মতো বার্তা দেওয়া হয় যে সেটি নিরাপদ এধরণের নিষ্প্রভ মোড়ক ব্যবহারের ফলে তার আকর্ষণ ক্ষমতা হ্রাস পাবে।

ডাব্লু এইচ ও'র হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর তামাকজাত পণ্যের কারণে ষাট লাখ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

শতকোটির কাছে মানবিকতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রচারাভিযান

উনিশে অগাষ্ট বিশ্ব মানবিকতা দিবসের আগেই একশো কোটি লোকের কাছে পৌঁছুনোর লক্ষ্য নিয়ে মানবিক বিষয়ে যে বৈশ্বিক প্রচার অভিযান শুরু হয়েছে তা ইতোমধ্যে দশ কোটি লোককে আকৃষ্ট করেছে।

মানবিক কর্মকান্ডের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিশ্বব্যাপী সবাই যেন অন্যের জন্যভালো কিছু করেন সেজন্য উৎসাহ দিতে জাতিসংঘ এবং মানবিক সহায়তাদানকারী সংস্থাগুলো এই প্রচার অভিযান পরিচালনা করছে।

শুক্রবার রাতে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে পপ তারকা বিয়ন্স এই উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে গান করেন যার ভিডিও সামাজিক যোগোযোগের নেটওয়ার্ক গুলোর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই দশ কোটিরও বেশি লোকের নজর কেড়েছে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন