১৪:১৩:৪৬

যুব বেকারত্ব টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অজর্নের পথে বড় বাধা

শুনুন /

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা সাসটেইনেবল ডেভলেপমেন্ট গোলস , এসডিজির অন্যতম লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্রের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ অন্যান্য অনেক কিছুর মধ্যে 'ভীতিকর'  যুব বেকারত্বের কারণে বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন, আইএলও তার বিশ্ব কর্মসংস্থান ও সামাজিক ভবিষ্যত র্শীষক সর্বসাম্প্রতিক প্রতিবেদনে একথা বলেছে।

বুধবার ২৪শে অগাষ্ট প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয় যে বৈশ্বিক যুব বেকারত্বের হার গতবছরের চেয়ে সামান্য বেড়ে ১৩.১ শতাংশে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক যুব-বেকারত্বের প্রবণতার ক্ষেত্রে আইএলও'র পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে তিনবছরের মধ্যে এবারই প্রথম তা আরো পাঁচ লাখ বৃদ্ধি পাবে। ফলে, বিশ্বে বেকারদের সংখ্যা দাঁড়াবে সাত কোটি দশ লাখ।

আইএলও বলছে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে তরুণদের হার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে তরুণরা চাকরি করা সত্ত্বেও চরম অথবা মাঝারিধরণের দারিদ্রের মধ্যে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

এই অংশটি কর্মরত যুবকদের ৩৭ শতাংশ। কাজে সক্রিয় প্রাপ্তবয়স্কদের হারের চেয়ে তরুণদের হারটি দশ শতাংশ বেশি।

জেনেভায় আইএলও'র একজন জেষ্ঠ্য অর্থনীতিবিদ হলেন স্টিভেন টবিন।

মি টবিন বলছিলেন যে এই দুই-স্তরের সমস্যার একদিকে রয়েছে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, অন্যদিকে কর্মরতদের মধ্যে উচ্চহারের দারিদ্র। ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র নিরসনের যে লক্ষ্য আমরা ঠিক করেছি সেখানে পৌঁছানো আমাদের জন্য খুবই কঠিন হবে। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তরুণদের সহ সবার জন্য মানসম্পন্ন কাজের ব্যবস্থা করার জন্য আমাদের চেষ্টা দ্বিগুণ না করলে তা সম্ভব হবে না।

আইএলও আরও বলছে যে শ্রমবাজারে পুরুষ এবং নারী যুবাদের মধ্যে যে বৈষম্য সেটিও উদ্বেগজনক। সদস্য দেশগুলো এবং নীতিনির্ধারণের অংশীদারদের তাই উচিত হবে এবিষয়টিতে জরুরিভিত্তিতে নজর দেওয়া।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন