২৩:৩৫:৪৭

সংঘাত গাযার শিশুদের ভয়ানক ক্ষতি করেছে: ইউনিসেফ

শুনুন /

জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউনিসেফ এর গাযাস্থ কার্য্যালয়ের প্রধান বলছেন যে গাযার সংঘাতে শিশুদের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে।

পার্নিল আয়রনসাইড বলছেন যে  ৮ জুলাই  ইজরায়েলী সেনাবাহিনী অপারেশন প্রোটেক্টিভ এজ সামরিক অভিযান শুরু করার ফলে পুরো অঞ্চলটিতে যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে গাযার শিশুরা তাতে ভোগান্তির শিকার হয়েছে।

ইজরায়েল বলেছে যে হামাসের রকেট হামলার জবাবে তারা এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

মিস আয়রনসাইড বলেন যে গাযার শিশুরা যে শুধু সহিংসতা প্রত্যক্ষ করেছে তাই না তারা নিজেরাও এর শিকার হয়েছে।

মিস আয়রনসাইড বলেন যে গাযায় শিশুদের ওপর এই সংঘাতের প্রভাব হয়েছে ভয়াবহ। তাদের অনেকেই নিহত হয়েছে। আমরা এখন জানতে পারছি যে ৪৫৭ টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রায় তিন হাজার শিশু আহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার পরিবার তাঁদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, সেগুলো হয় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, নয়তো আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মিস আয়রনসাইড জানান যে গাযার শিশুদের সহায়তার জন্য ইউনিসেফ তার কার্য্যক্রম বাড়াতে এক কোটি পঁয়তাল্লিশ লাখ ডলার তহবিলের জন্য আবেদন জানিয়েছে।

শিক্ষার অভাব সন্ত্রাসবাদ বিস্তারের ক্ষেত্র তৈরি করছে: বান

শিক্ষার অভাব চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদ বিস্তারের ক্ষেত্র তৈরি করছে এবং সেকারণে শিক্ষার প্রসার ঘটানো প্রয়োজন। জাতিসংঘের সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা শেষ হতে আর পাঁচশো দিন বাকি থাকা উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মহাসচিব বান কি মুন একথা বলেন।

বিশ্বব্যাপী প্রায় পাঁচ কোটি শিশু স্কুলের বাইরে থাকায় দু:খপ্রকাশ করে মি বান বলেন যে জাতিসংঘের লক্ষ্য হচ্ছে এসব শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যে সহস্রাব্দের যেসব উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা  বা মিলেনিয়াম ডেভলেপমেন্ট গোলস, এমডিজি নির্ধারিত হয়েছে সেগুলো অর্জনের সময়সীমা হচ্ছে ২০১৫ সাল।

শ্রীলংকা থেকে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরৎ পাঠানোয় ইউএনএইচসিআর এর উদ্বেগ

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, ইউ এন এইচ সি আর জানিয়েছে যে জীবন যেখানে বিপন্ন হতে পারে এমন জায়গায় রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরৎ না পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান  সত্ত্বেও শ্রীলংকার কতৃপক্ষ তাদেরকে জোর করে ফেরৎ পাঠানো অব্যাহত রেখেছে।

সংস্থা বলছে যে হারে তাদেরকে ফেরৎ পাঠানো হচ্ছে তাতে তারা উদ্বিগ্ন। গত ১লা অগাষ্ট থেকে দেশটি ৮৮ জন পাকিস্তানীকে জোর করে স্বদেশে ফেরৎ পাঠিয়েছে।

ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র এড্রিয়ান এডওর্য়াডস বলছেন যে প্রত্যাবাসনকৃতরা সবাই পুরুষ এবং তাদেরকে এতোদিন আটকশিবিরে অন্তরীণ রাখা হয়েছিলো।

কিন্তু, এখন তাদের পুরো পরিবারকেই জোর করে ফেরৎ পাঠানো হচ্ছে।

ইউএনএইচসিআর এই আশ্রয়প্রার্থীদের জোর করে ফেরৎ পাঠানো অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য শ্রীলংকা সরকারের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানিয়েছে।

সিরিয়া ও ইরাকের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা

সিরিয়া এবং ইরাকের ইসলামী জঙ্গী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার এক সর্বস্ম্মত প্রস্তাবে সিরিয়া এবং ইরাকের অংশবিশেষের নিয়ন্ত্রণ ইসলামিক ষ্টেট ইন ইরাক এন্ড দ্য লিভেন্ট ( আই এস আই এল) এবং আল নুসরাহ ফ্রন্টের হাতে চলে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে।

পরিষদ এসব গোষ্ঠীর নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে তাদের উপস্থিতি, সহিংস উগ্রপন্থী কর্মকান্ড ও আর্দশে ঐ দুই দেশ এবং অঞ্চলটির স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অগাষ্ট মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত, র্মাক লায়াল গ্রান্ট বলেন যে এই প্রস্তাবে একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক র্বাতা পাঠানো হয়েছে যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আইএসআইএলকে মোকাবেলা করায় ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

রাষ্ট্রদূত লায়াল গ্রান্ট বলেন যে বিদেশী যোদ্ধাদের আকৃষ্ট করার ধারাকে বন্ধ করার পদক্ষেপ এতে রয়েছে। এতে সন্ত্রাসবাদী কার্য্যক্রমের অর্থায়ন মোকাবেলার কথা রয়েছে যাতে আইএস আই এল ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা পরিচালনায় সহায়ক হতে পারে এমন সবধরণের বাণিজ্য ও পণ্য সরবরাহ অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদের এই প্রস্তাবে আই এস আই এল এবং এ এন এফ এর ছজন ব্যাক্তির ওপরও জাতিসংঘের আল-কায়েদা বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইবোলা চিকিৎসায় অপরীক্ষিত ওষুধ ব্যবহার নৈতিক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – ওর্য়াল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন , ডাব্লু এইচ ও বলছে যে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় অপরীক্ষিত ওষুধ ব্যবহার নৈতিকভাবে সিদ্ধ

সংস্থা বলছে যে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা মহামারির প্রার্দুভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হওয়া এবং উচ্চহারের মৃত্যুর কারণে রোগীদের জীবন বাঁচানো এবং এর বিস্তার রোধে অপরীক্ষিত চিকিৎসাপদ্ধতি প্রয়োগের দাবি উঠেছে।

জেনেভায় অনুষ্ঠিত এক সভায় একদল চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ অপরীক্ষিত কোন চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের আগে সিদ্ধান্তগ্রহণে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, রোগী এবং তার পরিবারের সচেতন সম্মতি, সিদ্ধান্তগ্রহণের স্বাধীনতা এবং ব্যাক্তির গোপনীয়তা বজায় রাখাসহ কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণের নৈতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলার সুপারিশ করেছেন।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন