১৬:৩০:১০

জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট সমাধানে বিশ্বনেতাদের প্রতি বানের আহ্বান

শুনুন /

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সুর্নিদিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার জন্য গ্রীণল্যান্ড সফরকালে মি বান বলেন যে আর্কটিক সার্কেলে জলবায়ু পরিবর্তনের যে প্রভাব তিনি দেখেছেন তার প্রতিক্রিয়া পুরো বিশ্বের ওপর পড়বে।

মি বান বলেন যে দ্রুত সরতে থাকা হিমবাহ এবং দ্রুত গলতে থাকা বরফের আবরণ যা সমুদ্রস্তর বৃদ্ধি করছে তাতে আমি শঙ্কিত এবং এটি পুরো আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের পরিবেশ ব্যবস্থার ক্ষতি করছে।

আগামী সেপ্টেম্বরে মহাসচিব নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের যে জলবায়ু সম্মেলন আহ্বান করেছেন তার প্রাক্কালে তিনি এই সফর করলেন।

যেসব কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঘটছে সেগুলো কমানোর লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কাঠামো বিষয়ক একটি জাতিসংঘ সনদ ২০১৫ সালে গৃহীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১২ সালে বায়ুদূষণে মারা গেছেন ৭০ লাখ লোক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডাব্লু এইচ ও জানিয়েছে যে ২০১২ সালে বিশ্বে বায়ু দূষণের কারণে প্রায় সত্তুর লাখ ব্যাক্তির প্রাণহানি ঘটেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে এই পরিসংখ্যান নিশ্চিত করছে যে বায়ুদূষণ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক পরিবেশগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

'প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকি হতে পারে'

জাতিসংঘের সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা, ইউনেস্কো হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

ইউনেস্কো বলছে যে র্সাচ ইঞ্জিন এবং সামাজিক যোগোযোগের মাধ্যমগুলোর মতো অনলাইনের বিভিন্ন বিষয়বস্তুর ওপর ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রণ তথ্যের অবাধপ্রবাহে স্বচ্ছতার প্রতি হুমকি সৃষ্টি করছে।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যম উন্নয়নের প্রবণতা র্শীষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশের সময় ইউনেস্কোর মহাপরিচালক, আইরিনা বোকোভা সংবামাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি অঙ্গীকার পুর্নব্যক্ত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মিস বোকোভা বলেন যে জাতীয়পর্য্যায়ে আইনগত কাঠামোগুলোকে শক্তিশালী করা ও সাংবাদিকদের সক্ষমতা বাড়ানোর পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি বলেন যে 'পেশাগত মান এবং স্বনিয়ন্ত্রণের' মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে জোরদার করা প্রয়োজন।

'তুরস্কের ইন্টারনেটে নিয়ন্ত্রণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি বাধা'

জাতিসংঘের একজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে তুরস্ক সরকার সামাজিক যোগাযোগের মা্ধ্যমগুলো বন্ধ করার মধ্য দিয়ে তুরস্কের জনগণের মৌলিক অধিকার বাধাগ্রস্ত করছে।

রোববারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাক্কালে সরকার ইউটিউব এবং টুইটারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। অবশ্য, আদালত টুইটারের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছে।

সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সমন্বয় এবং তা প্রচারের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্যবহারের বিষয়টি গতবছর সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলো। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার ফ্রাঙ্ক লা রু বলেন জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে উদ্বেগ আইনসম্মত হতে পারে, কিন্তু ইন্টারনেট সাইট বেআইনীভাবে বন্ধ করে দেওয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করে।

ইউক্রেনে ছোট্ট স্ফুলিঙ্গ বড় আগুনের জন্ম দিতে পারে: বান

জাতিসংঘ মহাসচিব ইউক্রেনের রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছেন যে ছোট্ট স্ফুলিঙ্গ তাঁর ভাষায় বড় আগুনের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

রাশিয়া একটি গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের স্বশাসিত অঞ্চল ক্রাইমিয়া দখল করে নেয় যে গণভোট আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় কতৃক ব্যাপকভাবে নিন্দিত হয়েছে।

ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ক্রাইমিয়া রাশিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে যে ভোট অনুষ্ঠিত হয় সেটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং সাধারণ পরিষদ উভয়েই প্রত্যাখ্যান করেছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ইউক্রেন বিষয়ে পরিষেদের এক বৈঠকের পর মি বান বলেন যে ওই অঞ্চলের ঘটনাবলীর কারণে অন্যান্য জরুরি বিষয়গুলো থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি সরে যাবে না।

মি বান বলেন যে এরকম উচ্চমাত্রার উত্তেজনার সময়ে ছোট ছোট স্ফুলিঙ্গ অনাকাঙ্খিত ফলাফলের বড় আগুনের জন্ম দিতে পারে।

মি বান বলেন যে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন অন্যান্য গুরুত্বর্পূণ বিষয়ে আমাদের সামর্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আমি উদ্বিগ্ন।

মি বান বলেন যে রুশ প্রেসিডেন্ট তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন যে কোন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।

শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধকালীন নৃশংসতার আর্ন্তজাতিক তদন্তের সিদ্ধান্ত

শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত নৃশংসতার ঘটনাগুলোর বিষয়ে একটি আর্ন্তজাতিক তদন্ত পরিচালনায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ সম্মতি দিয়েছে।

পরিষদে এবিষয়ে একটি প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর এই সম্মতি দেওয়া হয়।

ওই প্রস্তাবে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরকে ২০০৯ সালের মে মাসে সমাপ্ত গৃহযুদ্ধের সময় সরকার এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠী উভয়ের দ্বারা সংঘটিত মানবাধিকার লংঘনের ঘটনাগুলোর বিষয়ে একটি সমন্বিত তদন্ত অনুষ্ঠান ও তার অগ্রগতি পর্য্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন