১৫:৪৬:০৫

ইউক্রেন সংকটে অবনতির ঝুঁকি বিষয়ে মহাসচিব বানের হুঁশিয়ারী

শুনুন /

ইউক্রেন সংঘাতের সবপক্ষগুলো যদি তাঁদের অবস্থান আরও কঠোর করে এবং বাকযুদ্ধ তীব্রতর হয় তাহলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব, বান কি মুন।

মহাসচিব এক সংবাদ সম্মেলনে সবপক্ষকে উস্কানি এড়ানো এবং তাড়াহুড়ো করে কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি একটি কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ প্রশ্নে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য প্রত্যক্ষ আলোচনা শুরুর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মি বান বলেন যে বাকযুদ্ধ যদি তীব্রতর হতে থাকে এবং অবস্থানগুলো যদি দৃঢ়তর হয় তাহলে পরিস্থিতির বিপজ্জনক অবনতির গুরুতর আশংকা রয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদ বিষয়টি নিয়ে অনেকবার বৈঠকে বসলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনও পরিস্থিতির উত্তেজনা প্রশমনে সফল হয় নি।

এর আগে মহাসচিব ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী, আর্সেনি ইয়াতসেনিক এর সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন যেখানে আইনের প্রতি সবপক্ষের শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রয়োজনীয়তার বিষয় আলেচিত হয়।

মি বান টেলিফোনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সাথেও কথা বলেন।

ক্রাইমিয়ার গণভোট বিষয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাবে রাশিয়ার ভেটো

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ক্রাইমিয়ার গণভোটের অবৈধতার বিষয়ে একটি প্রস্তাবে শনিবার রাশিয়া ভেটো প্রয়োগ করেছে।

পরিষদের পনেরোটি সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে তেরোটি রাষ্ট্র প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় এবং চীন ভোটদানে বিরত থাকে। প্রস্তাবটি গ্রহণ ঠেকাতে একটি ভেটোই যথেষ্ট।

ক্রাইমিয়া ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রাশিয়ার সাথে যুক্ত হবে কিনা এবিষয়ে ১৬ই র্মাচ সেখানে গণভোট আয়োজন করে।

সিরীয় সংকট প্রশ্নে তৃতীয় দফা শান্তি আলোচনার আশাবাদ

সিরিয়ায় তিনবছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধ বন্ধে নিরাপত্তা পরিষদে জেনেভায় তৃতীয় দফা শান্তি আলোচনা শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই সংঘাতে এপর্য্যন্ত লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

নিরাপত্তা পরিষদকে এবিষয়ে অবহিত করার পর জাতিসংঘ ও আরব লীগের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত, লাখদার ব্রাহিমী বলেন যে তিনি আশা করছেন নতুন দফা আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব।

মি ব্রাহিমী বলেন যে আমরা জেনেভা প্রক্রিয়া শুরু করতে আগ্রহী। তবে, দ্বিতীয় দফা আলোচনার চেয়ে তৃতীয় দফা যাতে আরো বেশি ফলপ্রসু হয় সেজন্যে আমরা চাই নিরাপত্তা পরিষদ এবং অন্য যাঁরা সহায়তা করতে পারেন তাঁরা যেন সেই সহায়তা করেন।

বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব বলেছেন যে সিরিয়ায় সহিংসতা তাঁর ভাষায় ' অকল্পনীয় মাত্রায়' পৌঁছেছে।

তিনি বলেন যে বর্তমান বিশ্বে সিরিয়া সবচেয়ে বড় মানবিক এবং শান্তি ও নিরাপত্তা সংকটের রুপ নিয়েছে।

জিএমও'র কারণে খাদ্যশস্যের বাণিজ্য বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে : এফ এ ও

খাদ্যশস্যের জিনগত গঠনপ্রকৃতি পরিবর্তন বা  জিনেটিকালি মডিফাইড অর্গানিজমস (জিএমও)'র উপস্থিতি চিহ্নিত হওয়ায় বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্যশস্যসহ অন্যান্য ফসলের চালান তাদের দেশে ঢুকতে দিচ্ছে না এবং হয় সেগুলো ধ্বংস করছে নয়তো ফেরৎ পাঠিয়ে দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফ এ ও'র এক জরিপে দেখা যায় যে ছাব্বিশটি দেশ খাদ্যশস্য ও পশুখাদ্য পরীক্ষার পর তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

সংস্থা বলছে যে বিশ্বব্যাপী জিএম শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্যশস্য ও পশুখাদ্যের বাণিজ্যে নিম্নমাত্রায় জিএমও'র উপস্থিতি চিহ্নিত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে।

শিশুদের যৌনশোষণের ঝুঁকি এখন সর্ব্বোচ্চ: জাতিসংঘ

শিশু বিক্রি, শিশু পতিতাবৃত্তি এবং শিশুদের নিয়ে যৌনপ্রকাশনা বা পর্ণোগ্রাফি বিষয়ে জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যার্পোটিয়ার, নাজাত মাল্লা মজিদ বলেছেন যে শিশুরা এখন যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি যৌনশোষণের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে পেশ করা এক প্রতিবেদনে মজিদ বলেন যে শিশুদের যৌনশোষণের বিষয়টি প্রকাশ হওয়া বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ বালক-বালিকা এখনও যৌনশোষণের শিকার হচ্ছে।

তিনি বলেন যে অনলাইনে শিশুদের নিয়ে যৌনপ্রকাশনা বাড়ছে এবং এগুলোতে ক্রমশই কম বয়েসী শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে এবং তাদের প্রকাশিত ছবিগুলো ক্রমশই ভয়ংকর হয়ে উঠছে।

জাতিসংঘ দূত এবিষয়ে একটি বৈশ্বিক উদ্যোগগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে  বলেন যে সমস্যার গভীরতা বোঝা এবং তার সমাধান উদ্ভাবনে শিশুদেরও যুক্ত করা প্রয়োজন।

'মাদকপাচার মোকাবলায় সবারই দায়িত্ব আছে'

অবৈধ মাদকব্যবসার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবারই দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ইয়ান এলিয়াসেন।

কমিশন অন নারকোটিক ড্রাগস এর ৫৭তম অধিবেশন উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমানে অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সমবেত হয়েছেন। এই অধিবেশনে বিশ্বের প্রায় বত্রিশ হাজার কোটি ডলারের বেআইনী মাদকব্যবসা মোকাবেলার উপায় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

মি এলিয়োসেন বলেন যে মাদক পাচার অপরাধী চক্রগুলোর যোগসূত্র বাড়ায় এবং আইনের শাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন