১৫:১৭:০৯

'টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন নারীর ক্ষমতায়ন'

শুনুন /

২০১৫-উত্তর উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নারী ও শিশুদের ভূমিকা বিষয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এক উচ্চপর্য্যায়ের বিতর্কে  সাবেক ফিনিশ প্রেসিডেন্ট তাখা হ্যালোনেন বলেছেন যে টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে সফল করতে হলে নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী পুরুষের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করা দরকার।

২০১৫ তে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি কার্য্যক্রম সম্পণ্ন হওয়ার পর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা সাসটেইনেবল ডেভলেপমেন্ট গোলস (এসডিজি) কি হবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব পড়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের।

মিস হ্যালোনেন বলেন যে এসডিজি'র কেন্দ্রে রয়েছে নারীর ভূমিকা।

মিস হ্যালোনেন বলেন যে এটা স্পষ্ট যে নারীরা যদি সমাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে না পারেন তাহলে বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে একপাশে ফেলে রাখা হবে। সুতরাং, সমাজকে সফল হতে হলে আমাদের প্রয়োজন নারীর ক্ষমতায়ন, নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করা, নারীর যৌন ও প্রজনন অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়া।

মিস হ্যালোনেন বলেন যে এভাবেই টেকসই উন্নয়নের পর্য়্যায়ে উপনীতি হওয়া সম্ভব।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি'র একটি প্রস্তাবিত তালিকা এবছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করার কথা রয়েছে।

মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্য্যালোচনায় ইউক্রেন সফরে জাতিসংঘ প্রতিনিধি

ইউক্রেনে গতবছরের নভেম্বর মাস থেকে যেসব ঘটনাবলী ঘটছে তার পটভূমিতে সেখানকার পরিস্থিতির 'প্রাথমিক মূল্যায়ন'র জন্য জাতিসংঘের একজন পদস্থ মানবাধিকার কর্মকর্তা দেশটি সফর করছেন।

মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব, ইভান সিমোনোভিচ তাঁর আটদিনের সফরকালে কিয়েভ, এলভিভ, খারিকিভ এবং সিমফারোপোলে কর্তৃপক্ষ এবং নাগরিকসমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করবেন।

মি সিমোনোভিচ তাঁর সফর শেষে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে তাঁর সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কাছে পেশ করবেন।

খাবারে চিনির পরিমাণ কমাতে চান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডাব্লু এইচ ও মোটা হওয়া এবং দাঁতের ক্ষয়রোধসহ জনস্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলায় চিনি খাওয়া কমানোর নতুন প্রস্তাব নিয়ে বৈশ্বিক পর্য্যায়ে মতবিনিময়ের এক উদ্যোগ নিচ্ছে। চিনিগ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিদ্যমান হার হচ্ছে মোট শর্করার দশ শতাংশেরও কম।

সংস্থা তার নতুন খসড়া নির্দেশিকায় বলছে যে এই হার পাঁচ শতাংশের মতো নিম্নপর্য্যায়ে নামিয়ে আনলে তা জনস্বাস্থ্যে বাড়তি কল্যাণ বয়ে আনবে। খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারকরা যেসব খাদ্যপণ্য তৈরি করেন সেগুলি এবং মধূ, ফলের রসসহ প্রাকৃতিক সামগ্রীতেও চিনির মাত্রা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে এই নির্দেশনায়।

সংস্থা বলছে যে অধিকাংশ চিনিই প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে লুকানো থাকে।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে খাদ্য মূল্য বেড়েছে : এফ এ ও

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এফ এ ও বলছে যে প্রধান প্রধান খাদ্য উৎপাদনকারী দেশগুলোতে খারাপ আবহাওয়ার পাশাপাশি চাহিদা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বৈশ্বিক পর্য্যায়ে খাদ্য মূল্য ফেব্রুয়ারি মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্থা বলছে যে ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ের পর গত ফেব্রুয়ারির ২.৬ শতাংশ পরিমাণে মূল্যবৃদ্ধির হার ছিলো সবচেয়ে বেশি।জানুয়ারির পর থেকে সবচয়ে বেশি দাম বেড়েছে চিনি, তেল, খাদ্যশস্য এবং দুগ্ধজাত পণ্যে। আর, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যেকার সাম্প্রতিক সংকটের প্রতিক্রিয়ায় গম এবং ভুট্টার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

এফ এ ও বলছে যে সিরিয়া, ইয়েমেন, দক্ষিণ সুদান এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকসহ অনেকগুলো দেশে জরুরি পরিস্থিতির কারণে খাদ্য নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে পড়েছে।

এফ এ ও'র একজন পদস্থ অর্থনীতিবিদ কনসেপনিও কালপ বলছেন যে খুচরা পর্য্যায়ে এখনই মূল্যবৃদ্ধির আশংকা নেই।

কনসেপনিও কালপ বলেন যে আমদানীকারকদের ওপর এটা বেশি নির্ভরশীল। তাঁরা কি দামে কিনতে পারবেন, সরবরাহ পাওয়ার সময় কি দাম তাঁদেরকে দিতে হবে এবং সেসব পণ্য বিক্রির সময় তাঁরা কতোটা মুনাফা করতে চান এগুলোর ওপর বিষয়টি নির্ভরশীল। পাইকারি অথবা খুচরা পর্য্যায়ে এর প্রভাব প্রতিফলিত হতেও কিছুটা সময় লাগবে।

কনসেপনিও কালপ বলেন যে ২০১৩ সালে যে মজুত গড়া সম্ভব হয়েছিলো সেটিও ২০১৪ সালে যথেষ্ট সহায়ক হবে।

'সৈন্য নয়, শিশু'  বৈশ্বিক প্রচারাভিযানের সূচনা

২০১৬ সাল নাগাদ শিশুদের সৈন্য হিসাবে যেন আর ব্যবহার করা না হয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতিসংঘের সাথে কাজ করার জন্য বিশ্বের সব সরকার এবং সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৈন্য নয়, শিশু ( চিল্ড্রেন, নট সোলজারস) নামের এক কর্মসূচির সূচনায় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন এই আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের এই প্রচার কার্য্যক্রমের লক্ষ্য হচ্ছে ২০১৬ সালের মধ্যে বিশ্বে শিশুদের যুদ্ধের জন্য দলভুক্তি বন্ধ করা।

২২ কোটি নারী জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী থেকে বঞ্চিত: ডাব্লু এইচ ও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডাব্লু এইচ ও বলছে যে বিশ্বে বাইশ কোটিরও বেশি নারী ও বালিকা গর্ভধারণ করতে না চাইলেও তাঁরা গর্ভনিরোধক সেবাব্যবস্থার সুযোগ পান না।

অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ এড়ানোর জন্য নারী ও বালিকাদের কাছে সেবা এবং তথ্য পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশকে সহায়তার জন্য ডাব্লু এইচ ও একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে অভিভাবক বা বাবামায়ের অনুমতি ছাড়া কোন কিশোরী জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী বা সেবা চাইলে তার সেটা পাওয়া উচিৎ।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন