৯:০৩:২৩

ইউক্রেন পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় মহাসচিব বানের গভীর উদ্বেগ

শুনুন /

ইউক্রেনের ক্রাইমিয়া অঞ্চলের পরিস্থিতির অবনতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে শনিবার তাঁর মুখপাত্র মার্টিন নেসরিকি জানিয়েছেন।

মুখপাত্র বলেন যে মি বান ইউক্রেনের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছেন।

মি নেসরিকি বলেন যে মহাসচিব ইউক্রেনের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগোলিক অখন্ডতা অক্ষুণ্ন রাখা ও তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য পুনরায় আহ্বান জানিয়েছেন।

মি নেসরিকি বলেন যে মি বান চলমান সংকট সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের প্রতি সরাসরি সংলাপ এবং অবিলম্বে সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, মহাসচিব ইউরোপের পথে থাকায় তাঁর পক্ষে উপমহাসচিব ইয়ান এলিয়াসেন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন যে পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। তবে, তিনি বলেন যে মনে হচ্ছে ইউক্রেনের ভিতরে এবং বাইরে উভয়ক্ষেত্রেই সংলাপের আহ্বান প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিষদ শনিবার পরপর দ্বিতীয় দিনের মতো ইউক্রেন পরিস্থিতি আলোচনার জন্য জরুরি বৈঠকে বসে।

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ চলছে

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা, ইউ এন এইচ সি আর বলছে যে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ( সি এ আর) এর উত্তর এবং পশ্চিমাঞ্চলে ব্রিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো দায়মুক্তির সাথে জাতিগত নিধনযজ্ঞ পরিচালনা করায় সেখানকার বেসামরিক লোকজন চরম সহিংসতার মুখোমুখি হয়েছেন।

সংস্থা বলছে প্রধানত: খৃষ্টানসমর্থিত বলাকাবিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পরিচালিত সহিংসতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য হাজার হাজার মুসলমান নাগরিক দেশটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন।

ইউ এন এইচ সি আর বলছে যে দেশটিতে আফ্রিকান ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক যেসব শান্তিরক্ষী রয়েছেন তাদের সংখ্যা এতো অল্প যে সেখানকার বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য তা যথেষ্ট নয়।

শূণ্য বৈষম্য দিবসে একে অন্যের প্রতি সহনশীলতা ও সমবেদনা চর্চার আহ্বান

পহেলা র্মাচ শূণ্য বৈষম্য দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী একে অন্যের প্রতি সহনশীলতা ও সমবেদনা চর্চার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের এইডস বিষয়ক সংস্থা, ইউ এন এইডসের নির্বাহী পরিচালক, মিশেল সিদিবে চীনের বেইজিংয়ে চায়না রেড রিবন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দিবসটির কার্য্যক্রম সূচনা করতে গেয়ে এই আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পঞ্চাশটিরও বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এক অঙ্গীকারনামায় কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের অবসান ঘটানোর শপথ করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একইধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

ইউ এন এইডসের ভাষ্য অনুযাযী এইচ আই ভি'র জন্য পরীক্ষা, তার চিকিৎসা এবং পরিচর্য্যার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে বৈষম্যের শিকার হওয়ার ভয়, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে।

চীনে এইচ আই ভি আক্রান্তরা সরকারী চাকরিসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত।

সিরীয় সংঘাতে সংঘটিত অপরাধ আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে পাঠানোর আহ্বান

সিরীয় সংকটে সংঘটিত অপরাধসমূহ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ( আইসিসি)'র কাছে পাঠানোর জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আবারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার নাভি পিল্লাই মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর বক্তব্যে এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন যে শান্তি আলোচনা সত্ত্বেও সিরিয়ায় সহিংসতা অব্যাহত আছে এবং এই বিরোধে লিপ্ত পক্ষগুলো এটি মেনে নিতে পারছে না যে এই সংকটের কোন সামরিক সমাধান নেই।

টাইফুন হাইয়ানে ক্ষতিগ্রস্ত ফিলিপিনোদের জন্য বিপুল সহায়তা প্রয়োজন

জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী, ভ্যালেরি অ্যামোস বলেছেন যে ফিলিপিন্সে টাইফুন হাইয়ানে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হলেও এখনও বিপুল চাহিদা রয়ে গেছে।

রের্কডের সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুনগুলির অন্যতম হাইয়ানের আঘাতে গত নভেম্বরে প্রায় ছয়হাজার লোক নিহত হন এবং চল্লিশ লাখ মানুষ গৃহহারা হন।

মিস অ্যামোস বলেন যে  জরুরি আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর নির্মাণে সহায়তার ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রগতি অর্জনে আমরা যে সক্ষম তা আমরা প্রমাণ করেছি, কিন্তু অস্থায়ী আশ্রয় এবং স্থায়ী ঘরবাড়ির চাহিদা ব্যাপক।

মিস অ্যামোস বলেন যে চলতিবছরে আরো আগের দিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ওপর দিয়ে আরো দুটো ঝড় বয়ে যাওয়ায় যেসব তাঁবু ও আশ্রয়কেন্দ্র ধসে পড়েছিলো সেখান থেকে লোকজনকে নিরাপদস্থানে সরিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

ফিলিপিন্সের জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য যে আশি কোটি ডলার তহবিলের আবেদন জানানো হয়েছিলো এপর্য্যন্ত তার প্রায় অর্ধেক সংগৃহীত হয়েছে।

ইরাকের আনবার প্রদেশে সংঘাতে বাস্তুচ্যূত মানুষের সংখ্যা চার লাখে পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা, আই ও এম হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছে যে ইরাকের আনবার প্রদেশে সরকারী বাহিনী এবং সুন্নীসমর্থিত বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াইয়ের কারণে বাস্তুচ্যূত মানুষের সংখ্যা বেড়ে চার লাখে দাঁড়িয়েছে।

সংস্থা বলছে যে এসব বাস্তুচ্যূতদের অনেকেরই জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। সংঘাত প্রধানত আনবার প্রদেশে কেন্দ্রীভূত থাকলেও নতুন খবরে জানা যাচ্ছে তা দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে।

গত সপ্তাহে সরকারী বাহিনীর গোলানিক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়ে ফালুজায় শত শত লোক বিক্ষোভ করেছেন।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন