১৬:৫৫:১৯

সিরীয় শান্তি আলোচনা অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি

শুনুন /

সিরীয় শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় দফা কোন অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। সিরিয়া বিষয়ে জাতিসংঘ এবং আরব লীগের বিশেষ দূত লাখদার ব্রাহিমী সংলাপ শুরুর বিষয়ে সরকার এবং বিরোধীপক্ষ একটি অভিন্ন অবস্থানে আসতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার জেনেভায় তাঁর বক্তব্যে মি ব্রাহিমী শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় সিরীয় জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে শান্তিপ্রক্রিয়া শুরু হোক বা না হোক সরকার এবং বিরোধীপক্ষকে বিষয়টি গভীরভাবে পর্য্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

মি ব্রাহিমী বলেন যে আমি খুবই দুঃখিত এবং সিরীয় জনগণের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, যাঁদের অনেক আশা ছিলো যে এখানে কিছু একটা ফল পাওয়া যাবে। আমার মনে হয় হমসের ক্ষেত্রে যে সামান্য অগ্রগতি হয়েছিলো তা তাঁরা যে ভয়ানক সংকটের মধ্যে পড়েছেন তা থেকে বেরিয়ে আসার সূচনা ঘটাবে বলে তাঁরা আরো বেশি আশান্বিত হয়েছিলেন।

মি ব্রাহিমী বলেন যে এই দুই দফা আলোচনায় আমরা যে তাঁদেরকে খুব একটা সাহায্য করতে পারলাম না সেজন্যে আমি তাঁদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি।

মি ব্রাহিমী বলেন যে আমি খুবই আশা করছি যে উভয়পক্ষই বিষয়গুলো আরেকটু ভালো করে ভেবে দেখবেন এবং জেনেভা ঘোষণা বাস্তবায়নে কিভাবে তাঁরা নিয়োজিত হতে পারেন তা নিয়ে আন্তরিকভাবে আলোচনার জন্য ফিরে আসবেন।

মি ব্রাহিমী বলেন যে উভয়পক্ষই সহিংসতার অবসান, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, অর্ন্তবর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা, জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলা এবং জাতীয় আপোষরফার বিষয়গুলিসহ তৃতিীয় দফা আলোচনার বিষয়গুলোতে একমত হয়েছিলেন।

মি ব্রাহিমী বলেন যে আমরা বলেছিলাম যে প্রথম দিন আলোচনা হোক সহিংসতার অবসান এবং সন্ত্রাস মোকাবেলার বিষয়ে আর দ্বিতীয় দিনটি সংরক্ষিত থাকবে অর্ন্তবর্তী প্রশাসনিক সংস্থা গঠনের বিষয়ে। এটা খুবই পরিষ্কার ছিলো যে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার বিষয়গুলো আলোচনার জন্য একটি দিন যথেষ্ট নয় এবং একইভাবে অর্ন্তবর্তী প্রশাসনিক সংস্থা গঠনের বিষয়টি আলোচনার জন্যও একদিন সময় যথেষ্ট হবে না।

মি ব্রাহিমী বলেন যে দূর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যাতে বিরোধীজোটের সন্দেহ হয় যে সরকার অর্ন্তবর্তী প্রশাসনিক সংস্থা গঠনের বিষয়টি আদৌ আলোচনা করতে চায় না।সুতরাং, আমি মনে করি উভয়পক্ষের উচিৎ ফিরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে ভাবা এবং দায়িত্বশীল হওয়া।

মি ব্রাহিমী বলেন যে তারা কি শান্তিপ্রক্রিয়া চায় না কি চায় না? আমিও বিষযগুলো পর্য্যালোচনা করবো। আমি মহাসিচিবের কাছে যাবো বিষয়গুলো ত্রিপক্ষীয় অংশীদারদের সাথে আলোচনা করবো এবং আমার মনে হয় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য এবং পুরো পরিষদের সাথে এগুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

শান্তি আলোচনার তৃতীয় দফা শুরুর কোন তারিখ ঠিক হয় নি।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন