৭:২৮:২৮

মৎস্যবাণিজ্যে র্রেকড হলেও ক্ষুদ্র মৎস্যচাষীদের লাভ নেই: এফ এ ও

শুনুন /

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, এফ এ ও শুক্রবার বলেছে যে বিশ্বে মৎস্য বাণিজ্য অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সম্পদ তৈরি করলেও ছোট আকারের মৎস্যজীবি ও মৎস্যচাষীরা বাজার থেকে উপকৃত হচ্ছেন না এবং তাঁদের সাহায্য প্রয়োজন।

সংস্থা বলছে যে ২০১৩ সালে বিশ্বে র্রেকড ষোল কোটি টন মৎস্যজাত পণ্যের বাণিজ্য হয়েছে যা ২০১২ সালের পনেরো কোটি সত্তুর লাখ টনের চেয়ে বেশি।

সংস্থা বলছে যে এই বাণিজ্যের অতি ক্ষুদ্র একটি অংশ হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মৎস্যশিল্পে নিয়োজিত লোকজন। তাদের বার্ষিক বাণিজ্যের মোট পরিমাণ হচ্ছে তেরো হাজার ছ'শো কোটি ডলার।

এফ এ ও'র মৎস্যচাষ পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ, নিকোল ফ্রানৎজ বলছেন যে তাঁদেরকে অনেকগুলো বাধার সম্মুখীন হতে হয়।

মিস ফ্রানৎজ বলেন যে প্রায়শই তাঁদের সাংগঠনিক অবস্থান থাকে স্বল্পমাত্রার যেকারণে তাঁরা তাঁদের চাহিদা তুলে ধরা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার জন্যে আলোচনায় নিয়োজিত হতে পারেন না বলে তাঁদেরকে তার মূল্য দিতে হয়।

মিস ফ্রানৎজ বলেন যে তাঁদের রাজনৈতিক প্রভাবও থাকে কম এবং সেকারণে সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁদের অংশগ্রহণ থাকে সীমিত।

এফ এ ও বলছে যে জলজ চাষাবাদের ফলনে ভালো প্রবৃদ্ধি এবং স্যামন ও চিংড়ির মতো বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উচ্চ মূল্যের প্রতিফলন ঘটেছে এই বাণিজ্যের র্রেকডে।

তবে, এফ এ ও একইসাথে বলছে বিশ্ববাজারে মৎস্যজাত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিও এর অর্ন্তনিহত কারণ।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন