১৪:২০:৩৮

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে রক্তপাত বন্ধে বানের আহ্বান

শুনুন /

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন  শুক্রবার এক রেডিও বার্তায় সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের জনগণের প্রতি রক্তপাত বন্ধ করে শান্তির পথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি দেশটির জনগণের প্রতি তাঁর ভাষায় 'ঘৃণার কন্ঠ'কে বিভাজন সৃষ্টির সুযোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে দেশটিতে আগে তো এমন বিভেদ ছিলো না।

মি বান বলেন যে আপনার ধর্মবিশ্বাস বা পরিচয় যাই হোক না কেন, আপনারা একই ইতিহাস এবং অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদার। আমি মুসলিম ও খৃষ্টান ধর্মীয় এবং সম্প্রদায়গুলোর নেতাদের প্রতি আহ্বান জানাই তাঁরা যেন শান্তির বার্তাবাহক হন।

মি বান বলেন যে জনগণকে রক্ষা এবং সহিংসতা আর বাড়তে না দেওয়ার জন্য আমি অস্থায়ী কতৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

মি বান বলেন যে যাঁরা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে আমার বার্তা হচ্ছে বিশ্ব আপনাদের ওপর নজর রাখছে, আপনাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে।

ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কার্য্যক্রমে বারো বছরে ৩৩ লাখ জীবন রক্ষা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ডাব্লু এইচ ও'র সর্বসাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ২০০০ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া রোগে মৃত্যুর সংখ্যা কমানোর ক্ষেত্রে বড়ধরণের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

রিপোর্টে  বলা হয় এই সময়ে অনুমানিক তেত্রিশ লাখ জীবন বাঁচানো গেছে যাঁদের অধিকাংশই শিশু।

এতে বলা হয় যে ম্যালেরিয়াজনিত মৃত্যুর হার বিশ্বে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ হারে এবং আফ্রিকায় পঁয়তাল্লিশ শতাংশ হারে কমানো সম্ভব হয়েছে।

ডাব্লু এইচ ও'র বৈশ্বিক ম্যালেরিয়া কার্য্যক্রমের প্রধান ডঃ রর্বাট নিউম্যান বলেন বর্ধিত অর্থায়নের কারণে রোগ র্নিণয়, পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সম্ভব হওয়ায় এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

ডঃ নিউম্যান বলেন যে বিশেষ করে আফ্রিকায় যেটা হয়েছে তা প্রায় নাটকীয়। দুই হাজার সালে সরকারী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে যেখানে সন্দেহভাজনক  রোগীদের মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগ নির্ণয়ের সুবিধা পাচ্ছিলেন সেই হার ২০১২তে এসে দাঁড়িয়েছে ৬১ শতাংশে। আমরা যারা ম্যালেরিয়া নিয়ে র্দীঘদিন ধরে কাজ করছি আমরা জানি এই সংখ্যা বিস্ময়কর।

তবে, কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণের ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কার্য্যক্রমের গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়ায় ডঃ নিউম্যান উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা নতুন রের্কডে

জাতিসংঘের বিশ্ব পর্য্যটন সংস্থা ( ইউএনডাব্লুটিও)'র বিশ্ব পর্য্যটন ব্যারোমিটার অনুযায়ী ২০১৩ সালে বিশ্বে পর্য্যটনখাতে পাঁচ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে এবং পর্যটকের সংখ্যা সাড়ে চুরাশি কোটির রের্কডে পৌঁছেছে।

সংস্থার প্রাথমিক পুর্বাভাষ ছাড়িয়ে এবছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে বিশ্বব্যাপী পর্য্যটনকেন্দ্রগুলোতে অতিথি আগমনের সংখ্যা ছিলো প্রায় চার কোটি দশ লাখ।

ইউএনডাব্লুটিও'র মহাসচিব তালেব রিফাই বলেন আন্তর্জাতিক পর্য্যটন প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হারে বাড়তে থাকায় উন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর সবজায়গাতেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে তা সহায়তা করছে, বহুল আকাঙ্খিত কর্মসংস্থান ঘটাচ্ছে এবং ওইসব দেশের আর্থিক লেনদেনে ভারসাম্য আনায় সহায়তা করছে।

সংস্থার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায় এসময়ে ইউরোপ ছিলো ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণের কেন্দ্র যেখানে পর্য্যটক প্রবৃদ্ধির হার ছিলো সাত শতাংশ।

সরকারী  নথিতে তেইশ কোটি শিশুর অস্তিত্ত্ব নেই: ইউনিসেফ

জাতিসংঘ শিশু তহবিল , ইউনিসেফ বলছে যে বেসামরিক কতৃপক্ষের নথিতে তালিকাভুক্ত না হওয়ায় সরকারী হিসাবে বিশ্বে প্রায় তেইশ কোটি শিশুর কোন হিসাব নেই।

এভরি চাইল্ডস র্বাথ রাইট: ইনইকুয়ালিটিজ এন্ড ট্রেন্ডস ইন র্বাথ রেজিষ্ট্রেশন র্শীষক এই রির্পোটটি একশো একষট্টিটি দেশ থেকে সংগৃহীত পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে রচিত।

২০১৩ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণহানি ৯০

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্য্যক্রমের প্রধান র্হাভে লাদাসুস জানিয়েছেন যে ২০১৩ সালে দায়িত্বপালনকালে জাতিসংঘের নব্বুইজন শান্তিরক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন।

শুক্রবার বর্ষশেষের এক সংবাদ সম্মেলনে মি লাদাসুস বলেন যে তাঁরা একটি অত্যন্ত ব্যস্ত বছর পার করেছেন। তিনি বলেন যে জাতিসংঘ প্রশিক্ষণ এবং চালকহীন আকাশযান ব্যবহারের মাধ্যমে শান্তিরক্ষা কার্য্যক্রমের মান উন্নয়নের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন।

মি লাদাসুস বলেন যে গতবছর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণের শিকার উনত্রিশজনসহ আমাদের যে নব্বুইজন সহকর্মী মারা গেছেন তাঁদের জন্য আমি শোক প্রকাশ করছি। এটা আসলে একটা লজ্জার বিষয় এবং আমরা তাঁদের প্রিয়জনদের প্রতি আমাদের শোক জানাচ্ছি। কেননা, এটাই বাস্তবতা।

মি লাদাসুস বলেন যে আমাদের সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ভাবনার বিষয় এবং আমরা এই বিষয়টিতে সার্বক্ষণিক এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

২০১২ সালে বিশ্বে ১ কোটি ৪১ লাখ লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে

২০১২ সালে বিশ্বে নতুন করে এক কোটি একচল্লিশ লাখ লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রির্সাচ অন ক্যান্সার ( আই এ আর সি) এর প্রকাশিত সর্বসাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

আই এ আর সি'র অনলাইন তথ্যাভান্ডার গ্লোবোক্যান ২০১২ তে তাদের সর্বসাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে যে বিশ্বব্যাপী একশো চুরাশিটি দেশে বর্তমানে প্রায় আঠাশ রকমের ক্যান্সারের অস্তিত্ত্ব রয়েছে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন