১৬:০০:২৪

২০১৩ সাল বিশ্বের উষ্ণতম বছরগুলোর অন্যতম

শুনুন /

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা, ডাব্লু এম ও জানিয়েছে যে ১৮৫০ সালে আধুনিক পদ্ধতিতে রের্কডরক্ষা শুরুর পর থেকে বিশ্বের উষ্ণতম দশটি বছরগুলোর মধ্যে ২০১৩ সাল স্থান করে নিতে চলেছে।

ডাব্লু এম ও তার সর্বসাম্প্রতিক জলবায়ু বিষয়ক অর্ন্তবর্তী রির্পোটে বলা হচ্ছে যে বায়ুমন্ডলে র্কাবন ডাই অক্সাইড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের ঘনত্ব অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকায় বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রবণতা উর্ধ্বমুখী রয়েছে।

বায়ুমন্ডলে এসব গ্যাসের উপস্থিতি ২০১২ সালে নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে এবং ২০১৩ সালে তা অভূতর্পূব এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

সমুদ্রস্তর ইতোমধ্যেই নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে উল্লেখ করে ডাব্লু এম ও বলছে যে ফিলিপিন্সে সম্প্রতি টাইফুন হাইয়ানকে আমরা আঘাত হানতে দেখেছি। এধরণের জ্বলোচ্ছ্বাস ইতোমধ্যে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে।

ডাব্লু এম ও মহাসচিব মিশেল জারু বলছেন যে ভুপৃষ্ঠের ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তনের বৃহত্তর পরিস্থিতির একটি অংশমাত্র হলেও তার প্রভাব ইতোমধ্যেই খরা, বন্যা ও চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগে দৃশ্যমান হচ্ছে।

মিশেল জারু বলেন যে ইতোমধ্যেই বর্তমান দশক রের্কডের উষ্ণতম দশক হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে এবং যেসব বছরকে আমরা শীতল বছর বলে অভিহিত করছি সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ১৯৯৮ সালের আগের উষ্ণতম বছরগুলোর চেয়েও উষ্ণতর।সুতরাং, এটা ঐ তথ্যকে নিশ্চিত করে যে বিশ্বের উষ্ণায়ন বন্ধ হয় নি।

মিশেল জারু বলেন যে ফিলিপিন্সের কাছে গত কুড়ি বছরে সমুদ্রস্তর যতোটা বেড়েছে তা সম্ভবত বৈশ্বিক পর্যায়ে সমুদ্রস্তর বৃদ্ধির গড়হারের তিন থেকে চারগুণ বেশি।

মিশেল জারু বলেন যে গত তিরিশ বছর ধরে সমুদ্রে পানির স্তর গড়ে তিন থেকে তিন দশমিক দুই মিলিমিটার হারে বেড়েছে। কিন্তু, বিশ্বের এই অংশটিতে তা বেড়েছে বার্ষিক প্রায় বারো মিলিমিটার করে – যা বৈশ্বিক গড়ের অনেক উপরে এবং সম্ভবত সেটাই বাড়তি ক্ষতির কারণ হয়েছে ।

ডাব্লু এম ও অবশ্য মনে করে যে টাইফুন হাইয়ানের মত আবহাওয়ার চরম রুপকে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত করা যায় না।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন