১৫:৫৭:১৬

বাংলাদেশে বিদ্রোহের বিচারে ঘাটতি রয়েছে: জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর

শুনুন /

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র বলেছেন যে বিদ্রোহের সময় সংঘটিত অপরাধের জন্য বাংলাদেশে আধাসামরিকবাহিনীর যে ১৫২ জন সদস্যকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে তাতে মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদন্ড প্রশ্নে ঘাটতি রয়ে গেছে।

এই মামলায় আরো একশো একষট্টি জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র, রাভিনা শামদাশানি বলেন যে অতীতে বাংলাদেশ রাইফেলস নামে পরিচিত বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডসের সদস্যদের দ্বারা ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে বিদ্রোহের সময় সংঘটিত অপরাধগুলো অত্যন্ত গুরুতর।

তিনি বলেন সেনা কর্মকর্তাসহ চুয়াত্তুরজনকে সেসময়ে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয় এবং কয়েকজন সেনাকর্মকর্তার স্ত্রী যৌন অত্যাচারের শিকার হন।

মিস শামদাশানি বলেন যে বিদ্রোহের সময় সংঘটিত অপরাধগুলো অবশ্যই নিন্দনীয়। এবং হাইকমিশনার  শোকাতুর পরিবারগুলোর প্রতি তাঁর সমবেদনা জানিয়েছেন। কিন্তু, মিস শামদাশানি বলেন যে হাইকমিশনার জোর দিয়েছেন যে বিষয়টিতে তা হোল সন্দেহভাজনদেরকে বন্দী অবস্থায় নির্যাতন বা গণবিচারের মাধ্যমে তাঁদেরকে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার অর্জিত হবে না – বিশেষ করে যে বিচার যথাযথ প্রক্রিয়ার মৌলিক মানদন্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

মিস শামদাশানি বলেন যে বাংলাদেশের আইন অনুসরণ এবং আন্তর্জাতিক যেসব বাধ্যবাধকতা দেশটির রয়েছে সেগুলো পূরণের মাধ্যমে দোষীদের অবশ্যই বিচার হওয়া উচিৎ।

বাংলাদেশে পানি বিশুদ্ধকরণে নতুন কৌশল উদ্ভাবন

জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউনিসেফ বলছে যে বছরের অধিকাংশ সময়েই বাংলাদেশে পানি পানযোগ্য থাকে না এমনকি তা চাষাবাদেরও উপযোগী নয়।

সংস্থা বলছে যে বৃষ্টি না হলে উপকূলীয় নদীগুলো  সামুদ্রিক পানিতে ভরে যায় আর ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যাপকভাবে লবণাক্ত হয়ে থাকে।

এই সমস্যা সমাধানে ইউনিসেফ নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের সাথে মিলে এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ শুরু করেছে। তাঁরা এমন এক উপায় বের করেছেন যাতে করে বর্ষা মওশুমে তাঁরা পানি ধরে তা মাটির নিচে মজুত করে রাখছেন যা পরে ব্যবহার করা যায়।

খাদ্যের বাজার আরও  ভারসাম্যর্পূণ হবে: এফ এ ও

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা – এফ এ ও'র বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক মজুতের ক্ষেত্রে ঘাটতি পূরণ হওয়া এবং সরবরাহব্যবস্থায় উন্নতির কারণে খাদ্যপণ্যের বাজারে সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় অস্থিরতা কমেছে এবং তাতে অনেকটাই ভারসাম্য এসেছে।

এফ এ ও'র ফুড আউটলুক এ বলা হয় যে ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভুট্টা উৎপাদনে ঘাটতি কেটে গেছে এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশগুলোতে রের্কডমাত্রায় গমের ফলন হয়েছে। তবে, এতে বলা হয় যে ২০১৩ সালে বিশ্বে চালের উৎপাদন বাড়বে সামান্যই।

এফ এ ও'র জৈষ্ঠ্য অর্থনীতিবিদ আব্দোলরেজা আব্বাসিয়ান বলেন যে নানারকম কারণে বাজারগুলোতে ভারসাম্য ফিরে আসছে।

মি আব্বাসিয়ান বলেন যে সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি একইসাথে আমাদের চাহিদার দিকটিও দেখা দরকার। সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়া আমাদেরকে মজুতের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করবে যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গিয়েছিলো আর এসব কিছুর অর্থ হচ্ছে বেশ কয়েকবছরের মধ্যে গুরুত্বর্পূণ কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্য তৈরি হবে।

সংস্থা বলছে যে ২০১৪ সালের শেষপর্য্যন্ত এই মজুতবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যচুক্তিতে শ্রমবিধি অন্তর্ভুক্তির হার বাড়ছে : আই এল ও

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – আই এল ও'র এক নতুন প্রতিবেদনে  বলা হয়েছে যে গত দুই দশকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তিতে শ্রমবিষয়ক বিধিবিধান অন্তর্ভুক্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সামাজিক দিক বিষয়ে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয় যে নব্বুইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে শ্রমসম্পর্কিত বিভিন্ন পদক্ষেপসম্বলিত বাণিজ্য চুক্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যেকার চুক্তিগুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আইএলও বলছে যে ২০১৩ সালের জুন মাসে বিশ্বে মোট ২৪৮টি বাণিজ্য চুক্তি কার্য্যকর রয়েছে – যার এক-চতূর্থাংশ , অর্থাৎ প্রায় ৫৮টি চুক্তিতে শ্রমবিষয়ক বিধান যুক্ত আছে।

এগুলোর মধ্যে আছে ন্যূনতম কাজের পরিবেশ, জাতীয় শ্রম আইন কার্য্যকর করা এবং শ্রমমান বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্য্যবেক্ষণ।

প্রতিবেদনে বলা হয় যে সমীক্ষাভুক্ত কোন চুক্তিতেই সরকারগুলোর বাজার সুরক্ষামূলক নীতি অনুসরণের আলামত মেলেনি।

বায়ূমন্ডলে ২০১২ সালে ক্ষতিকর গ্যাসসমূহের পরিমাণ রের্কডমাত্রায়

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা, (ওর্য়াল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন)  ডাব্লু এম ও জানিয়েছে যে জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ বায়ূমন্ডলে  পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গ্যাসসমূহের পরিমাণ ২০১২ সালে রের্কডমাত্রায় পৌঁছেছে এবং তার প্রবণতা এখনও উর্ধ্বমুখী।

ডাব্লু এম ও তার বার্ষিক গ্রীণহাউজ গ্যাস বুলেটিনে বলেছে যে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস এবং মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের মতো তাপধারক গ্যাস উদগীরণের কারণে ১৯৯০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে উষ্ণায়ন বেড়েছে প্রায় বত্রিশ শতাংশ।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন