১৭:৩৯:৩০

বায়ুদূষণে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে : আই এ আর সি

শুনুন /

আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা, আই এ আর সি বলছে যে আমরা নিশ্বাসে যে বায়ু গ্রহণ করছি তা ক্যান্সার রোগের কারণঘটায় এমন বিভিন্ন বস্তুকণার সংমিশ্রণে ভরা।

সংস্থা বলছে যে বায়ুদুষণের কারণে শ্বাসতন্ত্র এবং হৃদযন্ত্রের রোগসহ নানাধরণের অনেক রোগের ঝুঁকি বাড়ার কথা আমরা জানলেও সাম্প্রতিক গবেষণাসমূহে ইঙ্গিত মিলছে যে বাইরের বাতাসে দূষণের কারণে ফুসফুস এবং মূত্রাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে।

সংস্থা বলছে যে বায়ুদূষণের কারণে ২০১০ সালে বিশ্বব্যাপী ফুসফুসের ক্যান্সারে ২,২৩,০০০ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান, আই এ আর সি, বলছে বিশ্বের কিছু কিছু এলাকায় – বিশেষ করে বৃহৎ জনগোষ্ঠীসম্বলিতেএবং দ্রুত শিল্পায়িত দেশসমূহে  বাতাসের দূষণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

বায়ুদূষণকে মানবদেহের জন্য ক্যান্সারজনক বা কার্সিনোজেনিক হিসাবে চিহ্নিত করা একটি গুরুত্বর্পূণ পদক্ষেপ এবং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই মর্মে জোরালো বার্তা পাঠানো হচ্ছে যে বায়ুদূষণ কমানোর জন্য পদক্ষেপগ্রহণে আর সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই।

আই এ আর সি'র মুখপত্র ডঃ ডানা লুমিস বলেন যে এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় মধ্য আয়ের কিছু দেশ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যেখানে দ্রুতহারে শিল্পায়ন হচ্ছে। চীনের বায়ুদূষণের সাথে অনেকেই পরিচিত। চীন সেখানে বায়ুদূষণের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু, বায়ুদূষণের সমস্যাটি চীনের একার নয়।

ডঃ লুমিস বলেন যে বিশ্বের শিল্পায়িত দেশগুলোর নতুন একটি গ্রুপের মধ্যে এই সমস্যাটি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। জনস্বাস্থ্যের ক্লাসিক সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি প্রকৃত সমস্যা হচ্ছে বায়ুদূষণ। কেননা, বাতাস সবার সম্পদ। বাতাসে কারো কোন ব্যাক্তিগত মালিকানা নেই এবং এর জন্য সবারই দায়িত্ব রয়েছে।

ডঃ লুমিস বলেন যে সেকারণেই আমি মনে করি যে সমস্যাটির সমাধানে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে এক্ষেত্রে যৌথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ গুরুত্বর্পূণ।

আই আর এ সি বলছে আগামী কুড়ি বছরে বিশ্বব্যাপী নতুন করে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে আড়াই কোটিতে গিয়ে পৌঁছাবে এবং এগুলোর সিংহভাগই হবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন