১৬:২৫:০৭

২০১৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলো ও পি সি ডাব্লু

শুনুন /

ও পি সি ডাব্লু'র পরিচালক

নরওয়ের নোবেল কমিটি ঘোষণা করেছে যে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্যে ব্যাপকভিত্তিক চেষ্টা চালানোর স্বীকৃতিস্বরুপ রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা, ও পি সি ডাব্লু ২০১৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন ও পি সি ডাব্লু চলতিবছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ায় সংস্থাটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

সংস্থার কাছে পাঠানো এক বার্তায় মি বান বলেন যে এই স্বীকৃতি মিললো বিশ্বে প্রথম রাসায়নিক হামলার প্রায় একশো বছর এবং সিরিয়ায় তাঁর মর্মান্তিক প্রয়োগের পঞ্চাশ দিন পর।

মি বান বলেন যে দূর্ভাগ্যজনকভাবে রাসায়নিক অস্ত্র এখনও স্পষ্ট এবং বিদ্যমান বিপদ। ও পি সি ডাব্লু'র সুর্নিদ্দিষ্ট দায়িত্ব হচ্ছে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূল করা এবং তার পুনরার্বিভাব ঠেকানো। রাসায়নিক অস্ত্র ঠেকাতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তবে, মহাসচিব বলেন যে রাসায়নিক অস্ত্র সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার পাশাপশি রাসায়নিক অস্ত্র বিষয়ক সনদের সর্বজনীন বাস্তবায়নের উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২০ নাগাদ পারদমুক্ত স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – ডাব্লু এইচ ও ২০২০ সাল নাগাদ সব চিকিৎসা সরঞ্জামকে পারদমুক্ত করার একটি উদ্যোগ সূচনা করেছে।

২০২০ নাগাদ পারদমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নামের এই উদ্যোগে পারদযুক্ত থার্মোমিটার এবং রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংস্থা বলছে যে পারদহীন বিকল্প সরঞ্জাম চালুর পাশাপাশি পারদযুক্ত সরঞ্জাম তৈরি ও সেগুলোর আমদানী এবং রপ্তানি বন্ধের মাধ্যমে এটি সম্ভব হবে।

এসপ্তাহে আরো আগের দিকে সবচেয়ে ক্ষতিকর পারদ ব্যবহার বন্ধের লক্ষ্যে মিনামাটা সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই উদ্যোগের সূচনা করে।

পারদ বিশেষভাবে অল্পবয়েসীদের মধ্যে স্নায়বিক এবং মস্তিষ্কে নানাধরণের জটিল প্রভাব ফেলে থাকে। এছাড়া, কিডনি এবং হজমব্যবস্থায়ও এর ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে।

মেয়েশিশু দিবসে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে বানের আহ্বান

এগারোই অক্টোবর আন্তর্জাতিক মেয়েশিশু দিবস উপলক্ষ্যে এক বার্তায় মহাসচিব বান কি মুন মেয়েরা যাতে নিজেদের উন্নয়ন এবং আমাদের অভিন্ন ভবিষ্যত গড়ে তোলায় ভূমিকা রাখতে পারে সেজন্যে তাদের শিক্ষায় বিনিয়োগের জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মহাসচিব বলেন যে মেয়েদের ক্ষমতায়ন, তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং তারা যেসব বৈষম্য ও সহিংসতার সম্মুখীন হয় সেগুলো মোকাবেলা করা পুরো মানব পরিবারের প্রগতির জন্য অত্যাবশ্যক।

তিনি বলেন যে এসব লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে মেয়েদের উপযুক্ত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

১১ এমপিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ইরিত্রিয়ার প্রতি আইপিইউ'র আহ্বান

আন্ত-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ( আইপিইউ)  ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে বিনা অভিযোগে আটক এগারোজন পার্লামেন্ট সদস্যকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য ইরিত্রীয় কতৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক বৈঠকে আইপিইউ এসব এমপিদের মৌলিক মানবাধিকার লংঘনের জন্য ইরিত্রীয় কতৃপক্ষের সমালোচনা করে।

সংস্থা বলেছে যে এগারোজনের মধ্যে মাত্র দুজন বেঁচে আছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে এবং আটক হওয়া এমপিদের পরিবারগুলোকে তাদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে না দেওয়ার বিষয়টিতে সংস্থা মর্মাহত।

আইপিইউ  এর পার্লামেন্টরিয়ানদের মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির একজন সদস্য হলেন ব্রিটিশ এমপি অ্যান ক্লয়েড:

অ্যান ক্লয়েড বলেন যে দেশে গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে একটি খোলা চিঠি লেখার কারণে বারো বছর আগে ইরিত্রিয়ার এগারোজন এমপিকে বিনা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন থেকেই তাঁদেরকে জনবিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে এবং তাঁদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা কেউ জানে না।

মিস ক্লয়েড বলেন যে আমি লন্ডনে ইরিত্রিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাথে দেখা করে তাঁদের সম্পর্কে বিভিন্ন গুজবের বিষয়ে জানতে চেয়েছি। আমরা সেখানে তাদেরকে দেখতে যেতে পারি কিনা তাও আমরা জানতে চেয়েছি। কিন্তু, কোন ফল হয় নি।

আইপিইউ ওইসব এমপিদের মুক্তি দেওয়ার জন্য ইরিত্রীয় সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য সংস্থার সব সদস্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

'শিশুশ্রমকে লাল র্কাড' দেখানোর বৈশ্বিক প্রচারাভিযান শুরু 

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – আই এল ও বৃহস্পতিবার ব্রাজিলেল ব্রাসিলিয়া শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে 'শিশুশ্রমকে লাল র্কাড' দেখানোর এক বৈশ্বিক প্রচারাভিযান শুরু করেছে। শিশু শ্রম বন্ধের বিষয়ে তৃতীয় বৈশ্বিক সম্মেলনের শেষদিনে এই প্রচারাভিযান শুরু করা হয়।

আইএলও  বলছে বিশ্বব্যাপী শিশুশ্রমবিরোধী প্রচারাভিযানে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। আইএলও'র শিশুশ্রম বন্ধ বিষয়ক বৈশ্বিক কার্য্যক্রমের পরিচালক, কানস্ন্সে থমাস বলেন যে বিশ্বে এখনও ষোলো কোটি আশি লাখ শিশু শ্রমিক রয়েছে এবং এটা একটা বড় সংখ্যা – সেটা ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।

দূর্যোগ প্রস্তুতিতে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের প্রয়োজন উপেক্ষিত

জাতিসংঘের এক জরিপে দেখা যাচ্ছে যে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের মাত্র দশ শতাংশ বিশ্বাস করেন যে দূর্যোগ মোকাবেলার পরিকল্পনায় তাঁদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

জেনেভায় বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই জরিপটি এবছরের জুলাই মাসে পরিচালনা করা হয়। বিশ্বে মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় পনেরো শতাংশ বা একশো কোটি লোক শারীরিক প্রতিবন্ধী বলে অনুমান করা হয়।

জাতিসংঘের দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দপ্তরের পরিচালক, এলিজাবেথ লংওর্য়াথ জরিপে অংশগ্রহণকারী  ১২৬টি দেশের প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি জবাবদাতার কাছ থেকে যে বার্তা পাওয়া গেছে তা কেলেংকারির সাথে তুলনীয় বলে মন্তব্য করেছেন।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন