১৯:৪৫:৩৪

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য মানুষই দায়ী: আই পি সি সি

শুনুন /

নেতৃস্থানীয় জলবায়ূ বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সম্ভাব্য প্রধান কারণ হিসাবে মানুষের ভূমিকাকে চিহ্নিত করেছেন। জলবায়ূর পরিবর্তন বিষয়ক আন্তসরকার বিশেষজ্ঞ প্যানেল – আইপিসিসির রিপোর্টে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা হয়েছে যে গত তিন দশকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্যানেল বলছে যে বৈজ্ঞানিক প্রমাণসমূহ পর্য্যালোচনায় দেখা গেছে যে সমুদ্র এবং বায়ূমন্ডলে তাপমাত্রা বেড়েছে বরফ এবং তুষারপাতের পরিমাণে কমেছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমনের হার বেড়েছে।

প্যানেল বলছে যে শতাব্দীর শেষ নাগাদ ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দেড় থেকে দুই ডিগ্রি পরিমাণে বাড়বে যার পরিণতিতে তাপপ্রবাহের মেয়াদ বাড়বে এবং তার ঘন ঘন পুনরাবির্ভাব হবে, বর্ষাপ্রধান এলাকায় কম বৃষ্টি হবে আর শুষ্ক এলাকায় বৃষ্টিপাত বাড়বে।

প্যানেল আরো বলেছে যে সাগর আরও উষ্ণতর হয়ে ওঠার কারণে হিমবাহ ও বরফের আস্তরণ ক্ষয়ে যাবে এবং গত চল্লিশ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠ যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তার চেয়ে দ্রুতহারে তা স্ফীত হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে হলে ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় এবং ধারাবাহিকভাবে কমাতে হবে।

পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমোদনে সবার প্রতি আহ্বান

সমন্বিত পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কার্য্যকর করার অষ্টম সম্মেলনে শুক্রবার মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ে তোলার একমাত্র পথ হচ্ছে পারমাণবিক পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধকরণ (সিটিবিটি)।   নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা ভাঙ্গার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সব সদস্যদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

মি বান বলেন যে সিটিবিটি কার্য্যকর হওয়ার বিষয়টি অবশ্যই আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে, পারমাণবিক পরীক্ষা পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে এবং বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার লক্ষ্যে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।

মি বান বলেন যে ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় যে এই চুক্তি অনুমোদনের জন্য আমাদের পরিশ্রম করতে হবে।

মি বান বলেন যে সিটিবিটি কার্য্যকর করতে ব্যর্থ হলে পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নবায়ন করতে এতো দীর্ঘ সময় ব্যয় করার সুযোগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নেই।

যেসব দেশ এখনও এই চুক্তি সই করেনি মহাসচিব তাঁদেরকে অবিলম্বে এটি অনুমোদনের আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলে অর্থায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের কাছে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত পণ্যের প্রবেশাধিকার, বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের অবাধ যাতায়াত এবং উন্নয়ন সহায়তার অঙ্গীকার পূরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের অনেক অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ার অভিঘাত মোকাবেলা করতে হচ্ছে। সমুদ্রের পানির স্তর ১ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পানিতে তলিয়ে যাবে। এর ফলে প্রায় ৩ কোটি মানুষ বাস্তুহারা হবে এবং অন্য কোথাও আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকারমূলক কৌশল গ্রহণে উন্নয়ন সহযোগীদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

সামরিক উপায়ে সিরীয় সংকটের কোন সমাধান নেই: বান

সিরীয় জনগণের বন্ধুদের মন্ত্রীপর্য্যায়ের এক বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন এক বার্তায় বলেছেন যে সিরিয়ার রাজনৈতিক সংকটের কোন সামরিক সমাধান সম্ভব নয়। দেশটি এবং দেশটির জনগণের জন্য শান্তি ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ হচ্ছে সংলাপ এবং রাজনৈতিক আপোষরফা।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে মহাসচিবের এক বৈঠকে মন্ত্রীরা গতবছরের জেনেভা ঘোষণার ভিত্তিতে সৎ বিশ্বাসে একটি সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনার জন্য জেনেভা সম্মেলনে সবপক্ষকে অংশ নিতে রাজি করানোর লক্ষ্যে কাজ করতে সম্মত হন।

মহাসচিবের বার্তাটি পৌঁছে দেন রাজনীতিবিষয়ক সহকারী মহাসচিব, অস্কার ফার্ণান্ডেজ তারানকো।

মি তারাণকো বলেন যে সিরিয়া বিষয়ক জেনেভা সম্মেলনের জন্য জাতিসংঘ কয়েকমাস ধরে নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যার উদ্দেশ্য হচ্ছে এধরণের একটি সংলাপের সূচনা।মহাসচিব বিশ্বাস করেন যে দ্রুত এই সম্মেলন অনুষ্ঠান সম্ভব এবং এই মর্মান্তিক অধ্যায়ের অবসান ঘটাতে তা সফল হবে। সিরীয় জনগণের যথেষ্ট ভোগান্তি হয়েছে। সময় হয়েছে সব মতবিরোধকে পাশ কাটিয়ে কূটনৈতিক উদ্যোগগ্রহণের।

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে কাজের পরিবেশ উন্নয়ন সমন্বয়ে আই এল ও

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – আই এল ও বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে শ্রমপরিস্থিতি এবং কারখানার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও ভবনের নিরাপত্তা তদারকি জোরদার করার লক্ষ্যে দুই কোটি চব্বিশ লাখ ডলারের একটি ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেছে।

এই উদ্যোগের অন্য শরীকরা হোল নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য এবং কানাডা।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন