১১:১৫:২২

সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত হবে

শুনুন /

সিরিয়া বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের চেয়ারম্যান সের্জিও পেনেইরো জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে বলেছেন যে তাঁর কমিশন দামেস্কে একুশে অগাষ্টের রাসায়নিক হামলার জন্য কারা দায়ী তা তদন্ত করে দেখছে।

মি পেনেইরো বলেন যে বিষয়টিতে কমিশনের ম্যান্ডেট রয়েছে। তিনি বলেন যে পুরো সিরিয়া জুড়ে বেসামরিক নাগরিকেরা কোনধরণের বাছবিচার ছাড়াই সরকারী বাহিনীর গোলা ও বোমাবর্ষণের শিকার হচ্ছেন আর অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলীয় প্রশাসিনিক এলাকাগুলোতে বেসামরিক লোকেরা চরমপন্থী সরকারবিরোধী বিদ্রোহীদের হামলার লক্ষ্যবন্তু হচ্ছেন।

মি পেনেইরো বলেন যে সরকারীবাহিনী এবং বিদ্রোহী যোদ্ধারা কেউই হাসপাতালের মতো বেসামরিক স্থাপনাকে গোলাবর্ষণ ও বোমা হামলা থেকে বাদ রাখার বিষয়ে যুদ্ধের নিয়মনীতি অনুসরণ করছেন না।

মি পেনেইরো বলেন যে আমরা চৌদ্দটি রাসায়নিক হামলার অভিযোগ তদন্ত করছি। কিন্তু, এসব হামলার জন্য কারা দায়ী এবং কোনধরণের পর্দাথ ব্যবহার করা হয়েছে তা আমরা এখনও নির্ধারণ করতে পারি নি। আমাদেরকে সিরিয়ায় প্রবেশ করতে হবে।

মি পেনেইরো বলেন যে এটাই যে এই কমিশনের ম্যান্ডেট সেবিষয়ে কোন সন্দেহ নেই এবং আমাদের এই ম্যান্ডেট পূরণেই কাজ করার কথা।

মি পেনেইরো বলেন যে একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারার কারণে এই সংঘাত এমন একটা পর্য্যায়ে পৌঁছেছে এবং বিস্তৃত হয়েছে যে এতে অনেক নতুন নতুন চরিত্র অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং অকল্পনীয় সব অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।

সিরিয়া থেকে সব রাসায়নিক অস্ত্র অপসারণের সিদ্ধান্তকে কমিশন স্বাগত জানিয়েছে।

বার্ড ফ্লুর পুনরার্বিভাবের বিষয়ে এফ এ ও'র হুঁশিয়ারী

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থা – এফ এ ও বলছে যে আসন্ন ফ্লু বিস্তারের মৌশুমে বার্ড ফ্লু ভাইরাসের দুটি জাত – এইচ সেভেন এন নাইন এবং এইচ ফাইভ এন ওয়ান – মানুষ এবং জীবজন্তুর স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সংস্থা এইচ সেভেন এন নাইন এর বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবেলার উদ্যোগকে জোরদার করার জন্য আরও তহবিল বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছে।

জীবজন্তু এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাস মোকাবেলায় স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য ব্যবস্থা এবং বিপণন পদ্ধতির উন্নয়নে সংস্থা সরকারগুলোর প্রতি গুরুত্বর্পূণ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

স্বচ্ছ্ব শাসনব্যবস্থার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি বিশ্বের তরুণদের আহ্বান

বিশ্বের বিভিন্নপ্রান্তের তরুণরা আরো নমনীয়, গতিশীল এবং স্বচ্ছ্ব শাসনব্যবস্থার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কোষ্টারিকায় উন্নয়ন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক তিনদিনের এক সম্মেলন বি ওয়াই এন ডি ২০১৫ তে গৃহীত যুব ঘোষণায় এই আহ্বান জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার ঘোষণাপত্রটি কোষ্টারিকার প্রেসিডেন্ট লরা শিন্সিলার কাছে হস্তান্তর করা হয় যাতে তিনি তা চলতি মাসে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তুলে ধরেন।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন – আই টি ইউ বি ওয়াই এন ডি ২০১৫ শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করে যাতে ছ'শোরও বেশি তরুণ সশরীরে অংশ নেন আর প্রযুক্তিগত সংযোগের মাধ্যমে আলোচনায় অংশ নেন আরো প্রায় চার হাজার তরুণ।

আন্তর্জাতিক অভিবাসনে উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত

জাতিসংঘের সর্বসাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে বিশ্বে অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় প্রবাসে বসবাসকারীর সংখ্যা এখন সবচেয়ে বেশি এবং এই সংখ্যা তেইশ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় সম্পর্কিত দপ্তর এর জনসংখ্যা বিভাগের পরিচালক হলেন জন উইলমথ বলেন যে সার্বিকভাবে ইউরোপ এবং এশিয়া সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অভিবাসীর বাসস্থান , যার মধ্যে ইউরোপে রয়েছেন সাত কোটি কুড়ি লাখ এবং এশিয়ায় সাত কোটি দশ লাখ। এই দুই মহাদেশেই রয়েছে বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ অভিবাসী।

বিশ্বে অভিবাসীরা প্রধানত দশটি রাষ্ট্রে কেন্দ্রীভূত যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, রুশ ফেডারেশন, জার্মানি এবং সউদি আরবে।

বিশ্বের মোট খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশই অপচয়  হয়: এফ এ ও

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা – এফ এ ও'র এক প্রতিবেদনে  বলা হয়েছে যে খাদ্য অপচয়ের কারণে বছরে ক্ষতি হচ্ছে প্রায় পঁচাত্তর হাজার কোটি ডলার।

সংস্থার গবেষণায় বলা হচ্ছে যে বিশ্বে বছরে প্রায় একশো ত্রিশ কোটি টন খাদ্য নষ্ট হয় – যা বিশ্বের মোট উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় এক তৃতীয়াংশ। এটা বিশ্বের প্রাকৃতিক সম্পদেরও ক্ষতি করছে।

ফুড ওয়েষ্টেজ ফুটপ্রিন্ট: ইমপ্যাক্টস অন ন্যাচারাল রিসোর্সেস নামক এই প্রকাশনায় অবশ্য বিশ্বে যেসব মাছ ও সামুদ্রিক খাদ্য নষ্ট হয় এবং অপচয় হওয়া খাদ্যের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য ব্যয় এই হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় নি।

শিশুমৃত্যুর হার কমানোতে সাফল্য সত্ত্বেও ঝুঁকি রয়েছে: ইউনিসেফ

জাতিসংঘের শিশু তহবিল – ইউনিসেফ এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে গত দুই দশকে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্য্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগগুলোর কারণে প্রায় নয় কোটি শিশুর জীবন রক্ষা সম্ভব হয়েছে।

সংস্থা বলছে যে কার্যকর এবং সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা এবং অব্যাহত রাজনৈতিক অঙ্গীকারের কারণে পাঁচবছরের কমবয়েসী শিশুমৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়েছে।

১৯৯০ সালে যেখানে এই পাঁচবছরের কমবয়েসী শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ছিলো এক কোটি ছাব্বিশ লাখ এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ছেষট্টি লাখে।

তবে, ইউনিসেফ এর উপ-প্রধান গীতা রাও গুপ্তা হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন যে আরো দ্রুত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব না হলে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি নির্ধারিত শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণে কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ২০২৮ সালের আগে অর্জন সম্ভব হবে না।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন