১১:০৫:২৬

শিশুমৃত্যুর হার কমানোয় বাংলাদেশ সফল হয়েছে : ইউনিসেফ

শুনুন /

জাতিসংঘের শিশু তহবিল – ইউনিসেফ এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ, ইথিওপিয়া, লাইবেরিয়া, মালাওয়ি, নেপাল এবং তাঞ্জানিয়ার মতো কয়েকটি নিম্ন আয়ের দেশে শিশুদের জীবনরক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জোরালো অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

এসব দেশে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের আগেই পাঁচবছর বয়েসী শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে গত দুই দশকে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্য্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগগুলোর কারণে প্রায় নয় কোটি শিশুর জীবন রক্ষা সম্ভব হয়েছে।

সংস্থা বলছে যে কার্যকর এবং সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা এবং অব্যাহত রাজনৈতিক অঙ্গীকারের কারণে পাঁচবছরের কমবয়েসী শিশুমৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়েছে। ১৯৯০ সালে যেখানে এই পাঁচবছরের কমবয়েসী শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ছিলো এক কোটি ছাব্বিশ লাখ এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ছেষট্টি লাখে।

তবে, ইউনিসেফ এর উপ-প্রধান গীতা রাও গুপ্তা হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন যে আরো দ্রুত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব না হলে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি নির্ধারিত শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণে কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ২০২৮ সালের আগে অর্জন সম্ভব হবে না।

মিস গুপ্তা বলেন যে ২০১৫ সালের মধ্যে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার চার নম্বরটি অর্জনের অঙ্গীকার পূরণের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায় এই ট্রাজেডি এড়াতে পারে এবং তার জন্য হাতে সময় আছে আর মাত্র দুই বছর। অবশ্যই, ২০১৫'র মধ্যে এমডিজির চার নম্বর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চ্যালেঞ্জ খুবই গুরুত্বর্পূণ।

মিস গুপ্তা বলেন যে এখন এই ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে আমাদেরকে আরো ৩৫ লাখ শিশুর জীবন বাঁচাতে হবে।সুতরাং, অবশ্যই আমাদেরকে জরুরিভিত্তিতে অগ্রগতি লাভের গতি বাড়াতে হবে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন