১৭:৩৬:৩০

চলতি বছরে খাদ্যশস্যের ফলন নতুন উচ্চতায় পৌঁছুতে পারে

শুনুন /

বিশ্ব কৃষি ও খাদ্য সংস্থা – এফ এ ও বলছে যে ২০১৩ সালে বিশ্বে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়বে গতবছরের তুলনায় প্রায় সাত শতাংশ – যার ফলে বৈশ্বিক মজুতের ঘাটতি পূরণ হবে।

এতে করে আশা করা হচ্ছে ২০১৩ ও ১৪ সালে বাজার স্থিতিশীল থাকবে।

সংস্থার শস্য সম্ভাবনা ও খাদ্য পরিস্থিতি বিষয়ক ত্রৈমাসিক প্রকাশনায় বলা হয় যে বিশ্বে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ২০১৩ সালে বেড়ে রেকর্ড দুশো সাতচল্লিশ কোটি নব্বুই লাখ টনে পৌঁছাবে।

এরমধ্যে, গমের উৎপাদন বাড়বে ছয় দশমিক আট শতাংশ , আর চালের উৎপাদন বাড়বে এক দশমিক নয় শতাংশ।

বৈষম্য না কমালে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় : বান

বৈষম্য বিষয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত এক বির্তকে মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে পুরো মানবসভ্যতার জন্য একটি শান্তির্পূণ টেকসই বিশ্বের জন্য অন্যতম একটি প্রধান উপাদান হচ্ছে সামাজিক ন্যায়বিচার।

মি বান বলেন যে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য সামাজিক বন্ধন ছিঁড়ে ফেলে যেকোন সমাজের সংহতি ক্ষুণ্ণ করে দেশের বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মি বান বলেন যে বৈষম্য অপরাধ, রোগ এবং পরিবেশের অবক্ষয়ের জন্ম দেয় এবং তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে।অসাম্য যদি বাড়তেই থাকে তাহলে উন্নয়ন টেকসই নাও হতে পারে।

মি বান বলেন যে সেকারণেই ২০১৫-উত্তর উন্নয়ন পরিকল্পনার আলোচনায় ন্যায়পরায়ণতার বিষয়টি মূখ্য হয়ে উঠছে।

মি বান বলেন যে বৈষম্য কমাতে হলে আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে।

মিয়ানমারে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান

মিয়ানমারের উন্নয়ন সহযোগী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও দেশসমূহের  প্রতিনিধিদের এক সভায় জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে গতবছরে দেশটি বেশ কিছু গুরুত্বর্পূণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা সত্ত্বেও জাতীয় সমঝোতা এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতা মোকাবেলার প্রশ্নে তাদের সামনে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

মি বান বলেন যে এইক্ষেত্রে দেশটির অব্যাহত সহযোগিতা প্রয়োজন।

মি বান বলেন যে রাখাইনের রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের দাবিসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বৈধ অভাব-অভিযোগ সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া মিয়ানমার কতৃপক্ষের জন্য খুবই গুরুত্বর্পূণ।২০১২ সালের জুন মাসে সংঘটিত সহিংসতার সময় থেকে রাখাইন রাজ্যে প্রায় এক লাখ চল্লিশ হাজার রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যূত হয়েছেন।

কিশোরী মাতৃত্ব মোকাবেলায় শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে বিশ্বে প্রতিবছর যে এক কোটি ষাট লাখ কিশোরী মা হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেক বেশী সংখ্যক কিশোরী গর্ভধারণের বিষয়টিতে কোন পরিকল্পনা করার সুযোগই পায় নি।

গর্ভধারণ এবং শিশুজন্মের বিষয়ে এসব জটিলতা ও সমস্যা মোকাবেলায় মি বান বলছেন যে আমাদের মেয়েদেরকে অবশ্যই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো প্রয়োজন যেখানে তারা ভালো শিক্ষা পেয়ে কৈশোরে উর্ত্তীণ হবে।

তিনি বলেন যে একজন মেয়ে শিক্ষা পেলে সে যে দেরিতে বিয়ে করবে সেই সম্ভাবনাই বেশি এবং সেরকম ক্ষেত্রে সে তৈরি না হওয়া পর্য্যন্ত গর্ভধারণ বিলম্বিত করবে।

মহাসচিব একইসাথে বলেন যে আমাদেরকে  সব কিশোর-কিশোরীদের বয়সউপযোগী যৌনতার বিষয়সহ সমন্বিত শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে কিশোরীরা মা হতে চায় কিনা এবং হলে কখন হবে সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সে অর্জন করে।

চলতিবছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে কিশোরীমাতৃত্বের বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় মি বান তাকে স্বাগত জানান।

ইউ এন উইমেন এর নতুন প্রধান দক্ষিণ আফ্রিকার ম্লামবো গুকা

জাতিসংঘ মহাসচিব দক্ষিণ আফ্রিকার ফুমযিলে ম্লামবো গুকাকে জাতিসংঘের নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক সংস্থা ইউ এন উইমেন এর নির্বাহী পরিচালক হিসাবে নিয়োগ দান করেছেন।

মহাসচিবের মুখপাত্র বলছিলেন যে মিস ম্লামবো গুকা মিস মিশেল ব্যাশেলেটের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

নারীদের বিষয়ে কাজ করার বিপুল অভিজ্ঞতা রয়েছে মিস ম্লামবো গুকার এবং তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম মহিলা ডেপুটি প্রেসিডেন্ট ।

তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার আহ্বান

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – ডাব্লু এইচ ও তামাক এবং তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন, পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রচারমূলক কার্য্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সবদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থা বলছে যে বিশ্বে এখনও সাতষট্টিটি দেশে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা এবং পৃষ্ঠপোষকতার ওপর কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।

সংস্থা হুঁশিয়ারী দিয়ে বলছে যে তামাকজনিত রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ২০৩০ সাল নাগাদ আরো বেড়ে গিয়ে বছরে আশি লাখে উন্নীত হতে পারে।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন