১৯:০৬:০৮

ক্ষুর্ধাতদের সত্তুর শতাংশই গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্রচাষী

শুনুন /

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টিবিষয়ে উচ্চপর্য্যায়ের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের এক নতুন রির্পোটে বলা হয়েছে যে বিশ্বে ক্ষুর্ধাত লোকজনের সংখ্যাগরিষ্ঠই ক্ষুদ্রকৃষক।

তাঁদের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে দৈনিক এক ডলার পঁচিশ সেন্টের কম খরচে যাঁরা জীবনধারণ করেন তাঁদের সত্তুর শতাংশই গ্রামাঞ্চলে বাস করেন এবং কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

আর, বিশ্বব্যাপী এই ক্ষুর্ধাত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা হচ্ছে দেড়শো কোটি।

রির্পোটে চাষাবাদ এবং পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্রচাষীদের জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয় – যে ব্যবস্থায় ক্ষুদ্রাকারের কৃষিকাজে বিনিয়োগ, মাটির গুণগত মান সমৃদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, ঋণ যোগান দেওয়া, বীমা সুবিধা দেওয়া এবং সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা অর্ন্তভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সনদের বিংশতি বার্ষিকী : সমঅধিকার এখনও অনেকের জন্য স্বপ্ন

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার নাভি পিল্লাই মানবাধিকার রক্ষা বিষয়ক ১৯৯৩ সালের ভিয়েনা ঘোষণার কুড়ি বছর পূর্তির এক অনুষ্ঠানে বলেছেন মানবাধিকার রক্ষায় এখনও অনেক কাজ বাকি আছে।

ভিয়েনায় এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সম্মেলনে মিস পিল্লাই বলেন যে গত একশো বছরের মধ্যে ভিয়েনা ঘোষণা – ভিডিপিএ ( ভিয়েনা ডিক্লারেশন এন্ড প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন) মানবাধিকার বিষয়ে সবচেয়ে শক্তিশালি ঘোষণাগুলোর অন্যতম।

তিনি বলেন যে মানবাধিকারের সর্বজনীনতা, অবিচ্ছেদ্য রুপ, আন্তসম্পর্ক ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ভিডিপিএতে পরিস্ফুটিত হয়েছে।

মিস পিল্লাই বলেন যে আমাদেরকে অবশ্যই এটা মানতে হবে যে ভিডিপিএ'র মূলভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে তাকে আরো এগিয়ে নিতে আমরা র্ব্যথ হয়েছি। জন্মগতভাবে সব মানুষের মর্যাদা এবং অধিকার সমান এবং সেগুলোকে সমভাবে সম্মান দেখানোর যে অঙ্গীকার সর্বজনীন ঘোষণায় ছিলো তা এখনও অনেকের জন্য স্বপ্নই রয়ে গেছে।

চলতি বছরেই সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর প্রতিষ্ঠার কুড়িবছর র্পূণ হবে।

সংঘাতকালে যৌন সহিংসতা বন্ধে রাজনৈতিক নেতাদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান

সংঘাতের সময় যৌন সহিংসতার অপরাধের কার্য্য্কর বিচার বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বিতর্কে মহাসচিব বান কি মুন যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে সর্ব্বোচ্চ পর্য্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে দ্বিধাহীনভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিতর্কে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউ এন এইচ সি আর এর বিশেষ দূত অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন যে যৌন সহিংসতা বন্ধের বিষয়টিকে নিরাপত্তা পরিষদ যখন অগ্রাধিকার দেবে তখনই তা বন্ধে অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে।

মিস জোলি বলেন যে নিরাপত্তা পরিষদ যদি সংঘাতের সময় যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণকে অগ্রাধিকার হিসাবে নির্ধারণ করে তাহলে এটিতে অগ্রগতি লাভ সম্ভব। আর, যদি আপনারা তা না করেন তাহলে এই বিভীষিকা চলতেই থাকবে।

তিনি বলেন যে সংঘাতের সময় এতো বেশী সংখ্যায় নারী, শিশু ও পুরুষ ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন যে এই বিষয়টা আপনাদের মনে রাখা দরকার যে তারাও মানুষ।

নির্যাতনের অবসান ঘটাতে একযোগে কাজ করার আহ্বান

জাতিসংঘ মহাসচিব বিশ্বব্যাপী নির্যাতনের অবসান ঘটানো এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে সব দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ছাব্বিশে জুন আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে মহাসচিব নির্যাতনের শিকারদের জন্য প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের স্বেচ্ছামূলক তহবিলকে সাহায্য করার জন্য সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

নির্যাতন থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যাক্তি এবং তাঁদের পরিবারকে চিকিৎসা, মনস্তাত্ত্বিক , সামাজিক , আইনী এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই তহবিল বছরে প্রায় সত্তুর হাজার ব্যাক্তিকে সহায়তা দিয়ে থাকে।

আগামীর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষে যুবউন্নয়নে বিনিয়োগের আহ্বান

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন যে যেহেতু আগামী শতকে বিশ্বে প্রায় দেড়শো কোটি চাকরি প্রয়োজন হবে তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের শিক্ষিত এবং ক্ষমতায়ন করা ও উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন।

বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উন্নয়নের জন্য উদ্যোক্তা র্শীষক এক বির্তকে মি বান বলেন যে ইতিহাসে বর্তমান প্রজন্মেই সবচেয়ে বেশী সংখ্যক তরুণ রয়েছে এবং সেকারণে বিশ্বের রুপান্তর ঘটানোর জন্যে তরূনদের উন্নয়নে বিনিয়োগ প্রয়োজন।

মি বান বলেন যে খাবার জোগাড় করার সংগ্রাম , অথবা দারিদ্রের টানাপোড়েন এবং সংঘাতের ফাঁদে আটকা পড়ে আছেন এমন তরুণদের সংখ্যা অনেক বেশি। তাদেরকে একটা শান্তির্পূণ এবং নিরাপদ পরিবেশের ব্যবস্থা করে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের যেখানে তারা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখার সুযোগ পাবে।

মি বান বলেন যে আসুন আমরা তরুণদের বিকাশে যা কিছু করা সম্ভব সেগুলো করে তাদের জন্য ভবিষ্যতের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করি।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন