১৫:০৭:৩৯

মৎস্যচাষ ও খামারে শিশুদের সুরক্ষা প্রয়োজন

শুনুন /

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা – এফ এ ও এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – আই এল ও এর এক যৌথ প্রকাশনায় ক্ষুদ্রআকারের মৎস্যখামার ও চাষের ক্ষতিকর কাজ থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ওই দুই সংস্থার প্রকাশিত যৌথ নির্দেশনায় বলা হয যে শিশুদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সনদে প্রায় সবদেশ স্বাক্ষরকারী হলেও অনেকেই জাতীয় পর্য্যায়ে তাকে আইনে রুপান্তরিত করেনি।

এই প্রকাশনায় বলা হয যে এর ফলে বহু শিশু ক্ষুদ্র আকারের মৎস্যখামারে ঝুঁকির্পূণ পরিবেশে কাজ করছে। এতে বলা হয় যে এদের অনেককেই – প্রায়শই রাতেরবেলায় – অনিরাপদ গভীরতায় ডুব দিতে হয়, স্বাস্থ্যসম্মত নয় এরকম প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে র্দীঘসময় ধরে কাজ করতে হয় যেখানে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে অথবা ক্ষারজাতীয় রাসায়নিক সামগ্রী এবং বিপজ্জনক সরঞ্জাম ও পোশাক আনা-নেওয়া করতে হয়। এতে বলা হয় যে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে মেয়েদের যৌন নিপীড়ণের ঝুঁকিও রয়েছে।

এফ এ ও'র  মৎস্যচাষ ও খামার বিভাগের সহকারী মহাপরিচালক, আরনি এম ম্যাথিয়েসেন বলেন যে এতে করে শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের ক্ষমতা এবং স্বাস্থ্যগত ক্ষতির পাশাপাশি প্রায়শই তারা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং এধরণের কাজের ধারা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

এফএও এবং আই এলও'র হিসাবে বিশ্বে কৃষি, পশুপালন এবং মৎস্য চাষে প্রায় তেরো কোটি শিশু কাজ করছে যা বিশ্বে শিশুশ্রমিকের প্রায় ষাট শতাংশ।মাঠপর্য্যায়ের গবেষণায় দেখ যাচ্ছে যে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি আকারের মৎস্যচাষ ও খামারে – বিশেষ করে পারিবারিক পর্য্যায়ে শিশুশ্রমের ব্যবহার বেশি।

সবধরণের মাছ চাষ ও মাছধরার কাজই যে শিশুদের জন্য অনাকাঙ্খিত নয় সেই বিষয়টির ওপরও রিপোর্টে জোর দেওয়া হয়।

এতে বলা হয় এমনকি এগুলোর কিছু কিছু যেমন মাছ ধরা বা তা প্রক্রিয়াজাত করা এবং সেগুলো বাজারে বিক্রির কৌশল শেখা শিশুদের উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন