১৪:৫৪:২২

খনিজ সম্পদের সুফল সাধারণ মানুষ কমই পায় : জাতিসংঘ

শুনুন /

তেল, কয়লা, হীরাসহ মূল্যবান ধাতু ও খনিজ পর্দাথ প্রকৃত র্অথে জাতীয় সম্পদ হলেও বহু দেশেই সেগুলো থেকে অর্জিত মুনাফা সাধারণ মানুষের কাছে খুব কমই পৌঁছা্য় বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব জান এলিয়াসেন।

বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে খনিজ আহরণ শিল্প এবং সংঘাত প্রতিরোধ বিষয়ক এক বিতর্কে তিনি এই কথা বলেন ।

মি এলিয়াসেন বলেন যে আমরা অনেক উন্নয়নশীল দেশেই দেখেছি যে খনিজ সম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসাবে কাজ করেছে।২০১৫-উত্তর উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারণে মহাসচিবের গঠিত উচ্চপর্যায়ের প্যানেল যেমনটি বলেছে যে আমরা একটি স্বচ্ছ্বতার বিপ্লব দেখতে চাই – যাতে করে খনিজসম্পদ আহরণ থেকে আয় করা কর, সাহায্য এবং রাজস্ব, কোথায় কতোটা ব্যয় হচ্ছে তা নাগরিকরা জানতে পারেন।

জাতিসংঘ রেডিওর ডায়ান পেন জানান যে সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের মতো দেশগুলোতে দেখা গেছে যে বিদ্রোহ ও সংঘাতের পিছনে প্রধান কারণ ছিলো প্রাকৃতিক সম্পদ, আবার বিশ্বে খনিজ পদার্থের চাহিদা বাড়ার কারণে রপ্তানী ও বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে আফ্রিকার অনেক দেশ অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করেছে।

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ও আফ্রিকা প্রগ্রেস প্যানেলের চেয়ারম্যান কোফি আনান বলেন যে সাময়িক এসব প্রাপ্তিকে স্থায়ী মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজে লাগাতে সরকারগুলোকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

টেকসই পন্থায় খনিজ সম্পদ আহরণ এবং উন্নয়নে তা কাজে লাগানোর বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা বিভাগের প্রধান ক্যারেলিন অ্যানেষ্টি বলেন যে এসব বিনিয়োগ যাঁদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে তাঁদের অবস্থা এবং স্থানীয় পরিবেশের বিষয়েও আমাদেরকে মনোযোগী হতে হবে।এই প্রক্রিয়াকে সরকারের বাইরেও যেতে হবে। সুশীল সমাজ , পার্লামেন্ট সদস্য এবং গণমাধ্যম এসব বিষয়ে নীতিনির্ধারণে বিতর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা রাখতে পারে – যাতে করে আরো ভালোভাবে দরকষাকষি করা যায়, উন্নততর চুক্তি সম্ভব হয় এবং চুক্তির উন্নততর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।

Loading the player ...

সংযোগ বজায় রাখুন